ঢাকা, সোমবার ১৩, জুলাই ২০২৬ ২২:২৫:০৮ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
বন্যায় প্রাণহানী বেড়ে ৫১, ক্ষতিগ্রস্ত ১০ লাখ মানুষ আগামী ৫ বছরে ২৫ কোটি গাছ লাগানো হবে: প্রধানমন্ত্রী ব্যাংককের বারে ভয়াবহ আগুন, প্রাণ গেল ২৭ জনের ১৭ বছর পর রাজধানীতে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত দেশজুড়ে আজও অতিভারী বৃষ্টির শঙ্কা

নারী দিবসে শেখ হাসিনা-মার্কেলকে জার্মান দূতাবাসের শুভেচ্ছা

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৩:৫৫ পিএম, ৮ মার্চ ২০১৯ শুক্রবার

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

তারা দু’জনেই সরকারপ্রধান। দু’জনেই চতুর্থ মেয়াদে নেতৃত্ব দিচ্ছেন দেশকে। নারী অধিকার প্রতিষ্ঠায় তাদের দু’জনের সংগ্রামের নজিরও প্রবাদতুল্য। বর্তমান বিশ্বের প্রভাবশালী রাষ্ট্রনায়কদের কাতারেও রয়েছেন তারা। এই দু’জন হলেন— প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মেরকেল। তাদের দু’জনের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেই আন্তর্জাতিক নারী দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়েছে ঢাকায় অবস্থিত জার্মান দূতাবাস।

বাংলাদেশে জার্মান দূতাবাসের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজ থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মার্কেলের একটি ছবি পোস্ট করা হয়েছে। একই ফ্রেমে দুই বিশ্বনেতার এই ছবি পোস্ট করে সেখানে বলা হয়েছে দুই মহান নেতা তাদের নিজ নিজ দেশকে শান্তি ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। আন্তর্জাতিক নারী দিবসের তাদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা।

দূতাবাসের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে জার্মানির সোস্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টির ‘উইমেনস অফিসার’ ক্লারা জেটকিনের প্রতিও শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে। ১৯১০ সালে তিনিই আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপনের সূচনা করেন। পরবর্তী সময়ে ১৯১১ সালের ১১ মার্চ জার্মানিতে নারী দিবস উপলক্ষে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়।

জানা যায়, নারীর প্রতি বেতন বৈষম্যের প্রতিবাদে রাস্তায় নেমেছিলেন একটি সুঁচ কারখানার নারী শ্রমিকরা। ১৮৫৭ সালের ৮ মার্চ নিউ ইয়র্কের ওই কারখানায় বিপজ্জনক ও অমানবিক কর্মপরিবেশ, স্বল্প মজুরি এবং দৈনিক ১২ ঘণ্টা শ্রমের বিরুদ্ধে তারা প্রতিবাদ করেন।

এরপর বিভিন্ন সময়ে ৮ মার্চ তারিখে সংঘটিত উল্লেখযোগ্য আরও ঘটনার ধারাবাহিকতায় ১৯১০ সালে ডেনমার্কের রাজধানী কোপেনহেগেনে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক সমাজতান্ত্রিক নারী সম্মেলনে ৮ মার্চকে আন্তর্জাতিক নারী দিবস ঘোষণা করা হয়। এর প্রস্তাব করেছিলেন জার্মান সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের নেতা ক্লারা জেটকিন।

পরে বিভিন্ন দেশে এই দিনটি নারী দিবস হিসেবে পালিত হতে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৭৫ সাল থেকে এই দিনটিকে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালন শুরু করে জাতিসংঘ। এর দুই বছর পর ১৯৭৭ সালে দিনটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়।

-জেডসি