ঢাকা, শুক্রবার ০৩, জুলাই ২০২৬ ১১:২৫:৪২ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
হামের উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৫ প্রাণহানি, আক্রান্ত ১১১৯ এলপি গ্যাসের দাম কমল নজরুল বর্ষ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী, ত্রিশাল হবে ‘নজরুল সিটি’ জুনে নারী-শিশু নির্যাতনের শিকার ৩৩৩ জন টানা কমার পর বিশ্ববাজারে বাড়ল স্বর্ণের দাম অভিন্ন প্রশ্নপত্রে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু

ফরিদপুরে কলেজ শিক্ষিকার রহস্যজনক মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪.কম

আপডেট: ০২:০৬ পিএম, ৭ মে ২০১৮ সোমবার

ফরিদপুর শহরের দক্ষিণ ঝিলটুলি এলাকার একটি বাসা থেকে সরকারি সারদা সুন্দরী মহিলা কলেজের শিক্ষিকা সাজিয়া বেগম ও সোনালি ব্যাংক প্রিন্সিপাল শাখার অডিট কর্মকর্তা ফারুক হাসান মনির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রোববার রাতে ওই এলাকার দু’তলা ভবনের নিচতলার একটি ফ্লাট থেকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে কোতয়ালী থানা পুলিশ।

মরদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন হাতে পেলে বিস্তারিত বলা যাবে বলে জানিয়েছে ফরিদপুর কোতয়ালী থানা পুলিশ। 

সাজিয়া বেগম গাহস্থ্য অর্থনীতি বিভাগের প্রভাষক ছিলেন। তিনি দুই ছেলে নিয়ে এই ফ্লাটের পাশের ফ্লাটে থাকতেন। তার স্বামী ঢাকায় ব্যবসা করেন। তাদের বাড়ি রাজধানীর সুত্রাপুর থানার বানিয়া নগর। ব্যাংক কর্মকর্তা ফারুক হাসান মনির গ্রামের বাড়ি যশোরের শার্শা থানার উত্তর বুরুজবাগানের ফরেস্ট অফিস পাড়ায়। তিনি রাজধানীর আগারগাঁও এলাকায়ও ভাড়া থাকতেন।

পুলিশ জানান, শিক্ষিকার মরদেহ দরজার পাশে রক্তাক্ত অবস্থায় এবং ব্যাংক কর্মকর্তার মরদেহ ফ্যানের হুকের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া গেছে।

বাড়ির মালিকের ছেলে ডেবিড বলেন, গতকাল রাজেন্দ্র কলেজের অভিষেক অনুষ্ঠানের কনসার্ট ছিল। রাত সাড়ে ১১টার দিকে কনসার্ট শেষে বাড়ি ফিরে নিচতলার ওই ফ্লাটের দরজা খোলা দেখতে পাই। দরজার ফাকা দিয়ে দেখতে পাই ব্যাংক কর্মকর্তার মরদেহ ঝুলছে। আমি সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশকে জানাই। পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে।

তিনি জানান, নিহত কলেজ শিক্ষিকা ১ বছর আগে এই বাসা ভাড়া নেন। আর ব্যাংক কর্মকর্তা ১ মাস আগে ভাড়া নেন। ১ মাস আগে বাসা ভাড়া নিলেও তিনি থাকতেন না। দুই দিন আগে তিনি বাসায় এসে উঠেছেন।

এদিকে নিহত কলেজ শিক্ষিকার স্বামী শেখ শহিদুল ইসলাম জানান, বিকেল ৪টার দিকে স্ত্রীর সঙ্গে শেষ কথা হয়। তখন সে জানায় বাসায় ফিরছে। এরপর রাত হয়ে গেলেও বাসায় না ফেরায় খোঁজাখুঁজি শুরু করি। তার কলিগদের জানাই। পরে থানায় জানাই।