ঢাকা, শনিবার ১৮, জুলাই ২০২৬ ২০:১৮:৪৫ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
কাশিমপুর মহিলা কারাগার থেকে আসামি পলায়ন, বরখাস্ত ৭ ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে মৃত্যু বেড়ে ৫ হাজার ৬৯ ঢাবি অধ্যাপক নাজমুন নাহার মারা গেছেন অস্কারজয়ী প্রথম আইরিশ অভিনেত্রী ফ্রিকার আর নেই এআই ঝুঁকিতে ১২ লাখ পোশাক শ্রমিক, অনিশ্চয়তায় নারীরা চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত বহাল

ফি ছাড়া ভারতকে ট্রানজিটকে দিতে আপত্তি খালেদার

আপডেট: ০৫:৪১ এএম, ১৫ জুন ২০১৫ সোমবার

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, উইমেননিউজ২৪.কম, ঢাকা : ফি বা মাসুল ছাড়া ভারতকে ট্রানজিটকে দিতে আপত্তি জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। রোববার নিজের কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে বক্তব্যে তিনি প্রতিবেশী দেশটির নাম উল্লেখ না করে শুধু ফি’র বিনিময়েই বাংলাদেশের সড়ক কিংবা অবকাঠামো ব্যবহার করতে দেওয়ার কথা বলেন। প্রতিবেশী দেশটির সংবাদ মাধ্যমে ‘ভারতবিরোধী’ হিসেবে চিত্রিত খালেদা জিয়া এই বক্তব্যের এক দিন আগেই নয়া দিল্লিভিত্তিক একটি সংবাদপত্রে প্রকাশিত সাক্ষাৎকারে বলেন, তিনি ভারতবিরোধী নন। তাকে ভারতবিরোধী বলে অপপ্রচার চালানো হয়। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ঢাকা সফরের সময় ভারতীয় ওই সংবাদিক বিএনপি চেয়ারপারসনের এই সাক্ষাৎকার নিয়েছিলেন। তখন মোদীর সঙ্গে খালেদার বৈঠক হয়েছিল, তার দলও ছিল ভারতের প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ। রোববারের অনুষ্ঠানে খালেদা জিয়া প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সমতার ভিত্তিতে বন্ধুত্ব গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। “আমরা মনে করি, নিজেদের স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে বন্ধুত্ব হয় না। বন্ধুত্ব হতে হবে সমানে সমানে। সমান সমান হলে সেটাকে বলে বন্ধুত্ব। আর সমান সমান না হলে তাকে বন্ধুত্ব হয় না, তা হয় দাসত্ব।” মোদীর সফরে আঞ্চলিক ‘কানেক্টিভিটি’ প্রতিষ্ঠায় মতৈক্যের প্রতি ইঙ্গিত করে খালেদা বলেন, “যমুনা সেতু অতিক্রম করে বগুড়া-পাবনা গেলে আপনাদের টোল দিতে হয়। সেতু ও সড়ক রক্ষণাবেক্ষণের জন্য এই টোল দিতে হয়। “অন্য অনেকে আমাদের দেশ ব্যবহার করতে পারবে, তবে টোল দেবে না, টাকা-পয়সা দেবে না! আমাদের রাস্তা দিয়ে বড় বড় যানবাহন ও মালপত্র যাবে। রাস্তা কি এর লোড নিতে পারবে? কদিন পরেই তো রাস্তা নষ্ট হয়ে যাবে। যাওয়াতে তো বাধা দিচ্ছি না। টাকা দিয়ে যাবে।” সুন্দরবনের কাছে ভারতের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে রামপাল কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণেরও বিরোধিতা করেন বিএনপি চেয়ারপারসন। “সেখানে কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্প হলে সুন্দরবন ধ্বংস হয়ে যাবে। এর জীব-বৈচিত্র্য, গাছ-পাল, পশু-পক্ষী সব কিছু শেষ হয়ে যাবে। আমাদের বিদ্যুৎ প্রকল্পের দরকার আছে। তবে তা কোনোভাবে রামপালে নয়। অন্য কোথাও তা হতে পারে।” গুলশানে নিজের কার্যালয়ে ময়মনসিংহ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে বক্তব্যে খালেদা ভারতের প্রসঙ্গ ছাড়াও চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বিএনপি পুনর্গঠন ও সরকারের সমালোচনাও করেন। ১৫.০৬.২০১৫