ঢাকা, মঙ্গলবার ১৪, জুলাই ২০২৬ ১৭:২০:২৬ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
সায়েন্সল্যাব মোড়ে শিক্ষার্থীদের অবরোধ বন্যা ও পাহাড় ধসে সাত জেলায় প্রাণহানি বেড়ে ৫৪ ঢাকার পানি নামার ৪১ স্লুইসগেটের ২২টিই অচল রাজশাহীর সঙ্গে সারা দেশের বাস চলাচল বন্ধ ঢাকার পানি নামার ৪১ স্লুইসগেটের ২২টিই অচল ১৯ অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়া-বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্ক সংকেত

শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

বাসস | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৩:২৮ পিএম, ২০ জানুয়ারি ২০১৯ রবিবার

ছবি : বাসস

ছবি : বাসস

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দুর্নীতি, মাদক এবং জঙ্গিবাদ উচ্ছেদ করে বাংলাদেশকে দক্ষিণ এশিয়ার একটি শান্তিপূর্ণ দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠায় কাজ করে যাবার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘আমাদের সমাজ ব্যবস্থায় দুর্নীতি একটি কালো ব্যধির ন্যায় ছেয়ে গেছে। কারণ যে দেশে সামরিক সরকাররা ক্ষমতায় আসে তারা প্রথমে সমাজটাকে ধ্বংস করে দেয়। কারণ দুর্নীতিটাকেই তারা নীতি হিসেবে ন্যায় এবং দুর্নীতির সুযোগও সৃষ্টি করে দেয়।’
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ রোববার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মত বিনিময়কালে একথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে ঋণ খেলাপি থেকে দুর্ণীতিবাজ যাদেরকে আমরা দেখি তাদের সৃষ্টি হয় ’৭৫-এর পর যারা ক্ষমতায় এসেছে তাদের কাছ থেকে।’

এ সমস্ত কালো ব্যাধি থেকে সমাজকে মুক্ত করার লক্ষ্যেই তাঁর সরকার কাজ করে যাচ্ছে উল্লেখ করে এটি এখন সময়ের প্রয়োজন এবং তার জন্য যা যা করণীয় তাঁর সরকার করে যাবে, বলেন তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘একটি দেশকে যদি আমরা উন্নত করতে যাই তাহলে মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ এবং দুর্ণীতির হাত থেকে দেশকে মুক্ত করতে হবে।’

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং মন্ত্রণালয়ের সচিব মোস্তফা কামাল উদ্দিন অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন। এ সময় মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা বৃন্দ এবং বিভিন্ন সংস্থা এবং দপ্তরের প্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন।

অতীতে দেশে জঙ্গিবাদ তথা বাংলা ভাই সৃষ্টিতে সে সময়কার সরকারের (বিএনপি-জামায়াত) একটি প্রচ্ছন্ন মদদ ছিল উল্লেখ করে সরকার প্রধান বলেন,‘তারা (জঙ্গিরা) মিছিল করছে আর পুলিশ তাদের পাহারা দিচ্ছে। এরকম দুঃখজনক ঘটনাও আমরা বাংলাদেশে দেখেছি। আর মাদকতো ঘরে ঘরে ছড়িয়ে দেয়া হয়।

সমাজে অপরাধ প্রবণতার হার কমিয়ে আনার জন্য অপরাধ দমনের পাশাপাশি তাদের অপরাধ সংগঠনের কারণ খুঁজে বের করা এবং তাঁর প্রতিকারের প্রতি দৃষ্টি দেওয়ার জন্যও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের আহবান জানান প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন,‘ অপরাধের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদেরকে শান্তি দিলেই যে অপরাধ দমন হয়ে যাবে তা নয় বরং তাদের সমাজে সুস্থ জীবন দিয়ে ফিরিয়ে আনতে পারাটাও অনেক গুরুত্বপূর্ণ।’

এ সময় জলদস্যু এবং বনদস্যুদের আত্মসমর্পণে বাধ্য করানোর পর তাঁদের সমজে পুণর্বাসনেও তাঁর সরকারের উদ্যোগ তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘এদের পুনর্বাসন করা না গেলে তারা আবারো ঐ পথে ফিরে যেতে পারে।’

তিনি দেশব্যাপী চলমান মাদক বিরোধী অভিযান অব্যাহত রাখার পাশাপাশি কারা মাদক দেশে নিয়ে আসছে,কারা ব্যবসা বরছে এবং কারা সেবন করছে এদের সকলের বিরুদ্ধেই বহুমুখি ব্যবস্থা নেয়ার আহবান জানান।

তিনি বলেন, ‘যারা মাদকটা সেবন করে তাকেই না, যারা মাদকটা আনে, দেয় বা সাপ্লাই দেয়, তৈরী করে এদরকেও ধরতে হবে। সেইসাথে যারা সুস্থভাবে সমাজে ফিরতে চাইবে তারে সুযোগ সৃষ্টি করে দিতে হবে। মাদকাসক্তদের নিরাময়েরও উদ্যোগ নিতে হবে।’

শেখ হাসিনা এ সময় সরকারের পক্ষ থেকে মাদক নিরাময় কেন্দ্র স্থাপন এবং মাদকের বিরুদ্ধে জনমত সৃষ্টির ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।