ঢাকা, বুধবার ১৪, অক্টোবর ২০২৬ ১৩:৫৬:৪৫ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
সরকারি স্কুলে ভর্তি, আসছে নতুন নীতিমালা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ছুরি দিয়ে হামলার চেষ্টার অভিযোগ বিলিয়ন ডলারের উত্থানেও পিছিয়ে নারী ফুটবলাররা ভারতে গঙ্গায় নৌকাডুবি, শিশুসহ নিহত ১১ ফারজানা রুপার পক্ষে মামলা লড়তে দুই ব্রিটিশ আইনজীবীর আবেদন

সরকারি স্কুলে ভর্তি, আসছে নতুন নীতিমালা

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১১:৪২ এএম, ১৪ অক্টোবর ২০২৬ বুধবার

ছবি: সংগ্রহিত।

ছবি: সংগ্রহিত।

২০২৭ শিক্ষাবর্ষে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তির নীতিমালা প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, প্রথম শ্রেণিতে ডিজিটাল লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হবে। দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণিতে শূন্য আসনের বিপরীতে লিখিত পরীক্ষায় মেধাক্রম অনুসারে ভর্তি নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার রাতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ ‘সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তির নীতিমালা-২০২৭’ প্রকাশ করে।

নীতিমালায় বলা হয়েছে, দেশের সব সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির আবেদন, ফি জমা, ফলাফল প্রক্রিয়াকরণ ও প্রকাশের কাজ অনলাইনে সম্পন্ন হবে।

শ্রেণিভিত্তিক আসন ও বয়সসীমা

প্রতি শ্রেণি শাখায় সর্বোচ্চ ৫৫ জন শিক্ষার্থী ভর্তি করা যাবে। প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির জন্য ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি শিক্ষার্থীর বয়স কমপক্ষে পাঁচ বছর এবং সর্বোচ্চ সাত বছর হতে হবে। বয়সের প্রমাণ হিসেবে অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদের সত্যায়িত কপি জমা দিতে হবে। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে বয়সসীমায় সর্বোচ্চ পাঁচ বছর অতিরিক্ত ছাড় দেওয়া যাবে।

লটারি ও লিখিত পরীক্ষা

প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির জন্য একজন শিক্ষার্থী সর্বোচ্চ পাঁচটি বিদ্যালয় পছন্দক্রমে রাখতে পারবে। তবে দ্বৈত পালার বিদ্যালয়ে দুই পালাই পছন্দ করলে দুটি বিদ্যালয় পছন্দের সমান হিসেবে গণ্য হবে। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর কেন্দ্রীয়ভাবে ডিজিটাল লটারির আয়োজন করবে। লটারি প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

দ্বিতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষার পূর্ণমান ৫০। এর মধ্যে বাংলায় ১৫, ইংরেজিতে ১৫ এবং গণিতে ২০ নম্বর থাকবে। পরীক্ষার সময় এক ঘণ্টা।

ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির পরীক্ষার পূর্ণমান ১০০। বাংলায় ৩০, ইংরেজিতে ৩০ এবং গণিতে ৪০ নম্বরের পরীক্ষা হবে। সময় থাকবে দুই ঘণ্টা। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের পাঠ্যবই অনুসারে প্রশ্ন তৈরি করতে হবে। প্রশ্নপত্র হতে হবে মানসম্মত ও শ্রেণি উপযোগী।

আবেদন ফি

নীতিমালা অনুযায়ী, প্রথম শ্রেণিতে আবেদনের ফি সর্বোচ্চ ১১০ টাকা এবং দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণিতে সর্বোচ্চ ২৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সেশন চার্জসহ ভর্তি ফি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী নির্ধারণ করতে হবে।

সংরক্ষিত আসন ও কোটা

ঢাকা মহানগরীর সরকারি বিদ্যালয়গুলোর আওতাধীন এলাকার শিক্ষার্থীদের জন্য ৪০ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে। বাকি ৬০ শতাংশ আসনে অন্যান্য আবেদনকারী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবে।

এ ছাড়া ষষ্ঠ শ্রেণিতে মোট আসনের ১০ শতাংশ স্বতন্ত্র সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের ছেলে-মেয়েদের জন্য ৫ শতাংশ, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য ২ শতাংশ, শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও অধীনস্থ দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য ২ শতাংশ, সহোদর বা সহোদরার জন্য ৩ শতাংশ এবং যমজ ভাই-বোনের জন্য ২ শতাংশ আসন সংরক্ষণের বিধান রাখা হয়েছে।

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বদলিজনিত কারণে সন্তানদের ভর্তির জন্য প্রতি শাখায় অতিরিক্ত ৫ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে।

ভর্তি কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা ও তদারকির জন্য ঢাকা মহানগর, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে পৃথক ভর্তি কমিটি গঠন করা হবে।