ঢাকা, সোমবার ০৬, জুলাই ২০২৬ ২০:১৪:০৫ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
হাম সন্দেহে ২৪ ঘণ্টায় ৩ শিশুর মৃত্যু বেতনের ১০ ভাগ গরিবদের জন্য দান করছেন প্রধানমন্ত্রী শিশুরা আগামীর বাংলাদেশ, দেশগড়ার সৈনিক: ডা. জুবাইদা শেখ হাসিনার দেশে ফিরতে আইনগত কোনো বাধা নেই: রুমিন ফারহানা শিশু আসমাকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় একজনের মৃত্যুদণ্ড হাসপাতাল ও ক্লিনিকে নরমাল ডেলিভারি রুম না করলে লাইসেন্স বাতিল

সিএএ ইস্যুতে সুপ্রিম কোর্টে জাতিসংঘ, ভারতের প্রতিক্রিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০২:২৩ পিএম, ৪ মার্চ ২০২০ বুধবার

ছবি: জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার মিশেল ব্যাচেলেট

ছবি: জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার মিশেল ব্যাচেলেট

ভারতের সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (সিএএ) ইস্যুতে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার মিশেল ব্যাচেলেট। তিনি এভাবে সুপ্রিম কোর্টে ‘সিএএ’ মামলায় ‘আদালত-বান্ধব’ হিসেবে শামিল হতে চাওয়ায় ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের ওই আইন বিশ্বের প্রশ্নের মুখে পড়ল বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে অবশ্য ওই পদক্ষেপের প্রতিবাদ করে এক বিবৃতিতে এটি ‘একান্তই রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়’ এবং ‘কোনও বিদেশিপক্ষের ওই বিষয়ে হস্তক্ষেপ করার অধিকার নেই’ বলে জানানো হয়েছে।

মঙ্গলবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রবীশ কুমার এক বিবৃতিতে বলেছেন, সিএএ ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়। ভারতীয় সংসদে ওই আইন পাস হয়েছে। আমরা দৃঢ়ভাবে মনে করি, কোনও বিদেশিপক্ষের ভারতের সার্বভৌমত্ব নিয়ে নাক গলানোর অধিকার নেই।

তিনি আরও বলেন, আমরা নিশ্চিত যে সিএএ-এর সাংবিধানিক বৈধতা রয়েছে। আমাদের সংবিধানের মূল্যবোধের সঙ্গে তা সঙ্গতিপূর্ণ। দেশভাগের বেদনার পরে  মানবাধিকার সংক্রান্ত যেসব সমস্যা তৈরি হয়েছে বা প্রশ্ন তোলা হয়েছে, সেগুলোকে আমরা যথাযোগ্য মর্যাদা দিই। দেশের স্বাধীন বিচারবিভাগীয় ব্যবস্থায় আমাদের পূর্ণ আস্থা রয়েছে। এই আত্মবিশ্বাস রয়েছে যে আমাদের শক্তিশালী এবং আইনানুগ অবস্থানে সুপ্রিম কোর্ট সায় দেবে।

জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার সুপ্রিম কোর্টে করা আবেদনে ‘সিএএ’ তে বাংলাদেশ, পাকিস্তান, আফগানিস্তান থেকে নিপীড়নের শিকার ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা দেয়ার বিষয়ে প্রশংসা করলেও একইসঙ্গে ‘ধর্মের ভিত্তিতে’ যে ভেদাভেদ করা হচ্ছে তা যথেষ্ট যুক্তিসঙ্গত কি না, তা দেখার বিষয় বলে উল্লেখ করেছেন। এতে বলা হয়েছে, মুসলিমরা ধর্মীয় নিপীড়নের শিকার হয়ে এলেও ভারতে কোনও সুবিধা পাচ্ছেন না। কিন্তু আফগানিস্তান, পাকিস্তান ও বাংলাদেশে সংখ্যালঘু শিয়া, আহমদি ও হাজারা সম্প্রদায় নিপীড়নের শিকার হচ্ছেন বলে মানবাধিকার কমিশনের রিপোর্টে বলা হয়েছে।

জাতিসংঘের মানবাধিকার সংক্রান্ত হাইকমিশনার মিশেল ব্যাচেলেট বলেন, ভারতে আশ্রয় নেয়া ওই সম্প্রদায়ভুক্তদের নিজেদের দেশে ফেরত পাঠানো হলে তারা পুনরায় নিপীড়নের মুখে পড়তে পারেন। এখানেই সব থেকে বড় আপত্তি জাতিসংঘের। কমিশনারের বক্তব্য, নিপীড়নের শিকার হবে জেনেও কাউকে তার দেশে ফেরত পাঠানোর উপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা রয়েছে জাতিসংঘের। ভারত এই সনদ মানতে দায়বদ্ধ।

এরআগে ভারত থেকে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠানোর মামলায় জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিনিধি সর্বোচ্চ আদালতে একইভাবে আবেদন জানিয়েছিলেন। প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ ওই আবেদন খারিজ না করে ওই বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের বক্তব্য জানতে চেয়েছে। এক্ষেত্রে সুপ্রিম কোর্ট কী সিদ্ধান্ত নেয় সেদিকেই দৃষ্টি রয়েছে বিশ্লেষকদের।

-জেডসি