ঢাকা, বুধবার ০১, জুলাই ২০২৬ ১৪:৪৩:৫০ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
এমবাপ্পের জোড়া গোলে সুইডেনকে হারিয়ে শেষ ষোলোয় ফ্রান্স আইভরি কোস্টকে হারিয়ে ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ নরওয়ে ঢাবি সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছে: প্রধানমন্ত্রী কাল শুরু এইচএসসি পরীক্ষা, সব শিক্ষাবোর্ডে একই প্রশ্নপত্র ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস আজ

অগভীর সমুদ্রে বালিতে আটকে ৯০ তিমির মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৩:১৬ পিএম, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০ মঙ্গলবার

ছবি: ইন্টারনেট

ছবি: ইন্টারনেট

অস্ট্রেলিয়ার তাসমানিয়া দ্বীপের বালির চরে আটকে পড়া ২৭০টি পাইলট তিমির মধ্যে অন্তত ৯০টি মারা গেছে। আরও তিমি মারা যেতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন সামুদ্রিক জৈববিজ্ঞানীরা। তবে মঙ্গলবার ২৫টি তিমি উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে উদ্ধারকারী। এখন তাদের সাগরে ভাসিয়ে দেয়ার কাজ চলছে।

সোমবার তাসমানিয়ার পশ্চিম উপকূলের অগভীর পানি আটকা পড়ে ওই পাইলট তিমিগুলো। তবে তিমিগুলো কেন উপকূলে এসেছিল তা এখন স্পষ্ট নয়।

তাসমানিয়ার ‘পার্কস্‌ অ্যান্ড ওয়াইল্ড লাইফ সার্ভিস’ এর আঞ্চলিক ম্যানেজার নিক ডেকা সোমবার বলেন, তাসমানিয়ায় বালির চরে মাঝেমাঝেই আটকে যায় তিমি বা ওই জাতীয় বড় সামুদ্রিক প্রাণী। কিন্তু এবার যেন সংখ্যাটা অস্বাভাবিক রকমের বেশি। গত ১০ বছরে এতগুলি তিমিকে একসঙ্গে আটকে পড়তে দেখিনি আমরা।

সমুদ্র বিষয়ক জীববিজ্ঞানীরা বলছেন, তাসমানিয়া মেরিন কনজারভেশন প্রোগ্রামের উদ্ধারকারীরা সোমবার ঘটনাস্থলে গিয়ে অন্তত তিন জায়গায় তিমিগুলো আটকে থাকতে দেখে।এই তিমিগুলোকে উদ্ধার করতে কয়েকদিন পর্যন্ত লাগতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই অঞ্চলে তিমিরা প্রায়ই উপকূলে আসে। কিন্তু আটকে পড়া তিমিগুলোর আকার অনেক বড়। এক দশকের বেশি সময়ের মধ্যে এত বড় পাইলট তিমি এই অঞ্চলে দেখা যায়নি।

অধিকাংশ তিমিই এমন জায়গা আটকা পড়েছে যে, তাদের উদ্ধারে বেশ বেগ পেতে হচ্ছে উদ্ধারকারীদের। তবে কিছু তিমি যেগুলো গভীর পানির কাছাকাছি ছিল, সেগুলোকে সমুদ্রে ছেড়ে দেয়া সম্ভব হয়েছে।

জানা গেছে, এমনিতেই প্রতি দু-তিন সপ্তাহে তাসমানিয়ার উপকূলে তিমি বা ডলফিন আটকে পড়ার খোঁজ নেন সরকারি বিজ্ঞানীরা। এবারেও তেমনটা করতে গিয়েই এত সংখ্যক তিমির খোঁজ মেলে।

তিমিরা সাধারণত দলনেতাদের পেছন পেছন ঝাঁক বেঁধে যেকোনো জায়গায় যায়। সেই কারণে কোথাও বিপদ এলে দলনেতারা অর্থাৎ পাইলট তিমিরাই আগে আক্রান্ত হয়। বাকি তিমিরা নেতাদের ফেলে রেখে চলে যায় না। দলবেঁধেই থাকে তারা।

এর আগে ২০০৯ সালে শেষ এত সংখ্যক তিমি আটকে পড়তে দেখা গেছিল তাসমানিয়ার বালির চরে। সেবার প্রায় ২০০ তিমি আটকেছিল। ২০১৮ সালে ১০০টিরও বেশি পাইলট তিমি মারা যায়। সামুদ্রিক ডলফিন প্রজাতির এই পাইলট তিমিরা সাধারণত লম্বায় সাত মিটার এবং এদের ওজন হয় প্রায় তিন টন।

-জেডসি