ঢাকা, বৃহস্পতিবার ১৬, জুলাই ২০২৬ ৬:০৯:৩৬ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
শেখ হাসিনা ও ১০ শিল্প গ্রুপের ৭৬ হাজার কোটি টাকার সম্পদ জব্দ সাবেক ব্রিটিশ মন্ত্রী উইডিকম্বকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে:পুলিশ শিক্ষার্থীদের প্রতিবছর একটি করে গাছ লাগানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ২৫ ঘণ্টা পর রাজশাহী থেকে বাস চলাচল স্বাভাবিক ফের বাড়ছে তিস্তা-দুধকুমার নদের পানি, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত রাজধানীতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় অভিমুখে লংমার্চের ঘোষণা ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ

বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন ও শিশু দিবসে নানা কর্মসূচি

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪.কম

আপডেট: ০৭:৪৬ পিএম, ১৬ মার্চ ২০১৮ শুক্রবার

শিশুর জন্য একটি স্থিতিশীল ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ এবং সুন্দর আগামীর প্রত্যাশার মধ্যদিয়ে আগামীকাল শনিবার সারা দেশে পালিত হবে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৯তম জন্মদিন ও ২৩তম জাতীয় শিশু দিবস। এ দিনটির এবারের প্রতিপাদ্য হচ্ছে, ‘বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন : ‘রঙ ছড়ানো আলো, লাল-সবুজের বাংলাদেশে থাকবে শিশু ভালো।

দিবসটি উপলক্ষে শুক্রবার ১৬ মার্চ থেকে শিশু একাডেমি আয়োজন করেছে বই মেলার। ১১ দিনব্যাপী এই মেলা বাংলাদেশ শিশু একাডেমি চত্বরে উদ্বোধন হবে বেলা ১১ টায়। এবারের মেলায় ৬৬টি বেসরকারি ও ৭ সরকারি সংস্থা/প্রতিষ্ঠান অংশ নিচ্ছে।

দর্শনার্থীদের জন্য প্রতিদিন বিকাল ৩টা থকে রাত ৮টা পর্যন্ত মেলায় প্রাঙ্গণ উন্মুক্ত থাকছে। আর ছুটির দিন শুক্র ও শনিবার মেলা চলবে সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত। ক্রেতা-দর্শনার্থী টানতে থাকছে বিশেষ অফারও। মেলায় বিক্রি সকল বই থাকবে ন্যুনতম ২৫ শতাংশ মূল্যছাড়।

বিশেষ এ দিনটিকে সামনে রেখে বিভিন্ন সামজিক ও রাজনৈতিক সংগঠন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। বঙ্গবন্ধুর সৃষ্টি ও স্বাধীনতা যুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী দল আওয়ামী লীগ জাতির পিতার জন্মদিনটি সফল ভাবে উদযানে দু’দিন ব্যাপি কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

এর মধ্যে রয়েছে ১৭ মার্চ শনিবার সকাল সাড়ে ৬টায় বঙ্গবন্ধু ভবন ও দেশব্যাপি দলীয় কার্যালয়ে দলীয় ও জাতীয় পতাকা উত্তোলন। এরপর বঙ্গবন্ধু ভবন প্রাঙ্গণে রক্ষিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ। সকাল ১০ টায় টুঙ্গিপাড়ার কর্মসূচিতে থাকছে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দলটির কার্যনির্বাহী সংসদের প্রতিনিধি দল টুঙ্গিপাড়ায় চিরনিদ্রায় শায়িত শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ। এরপর বাদ জোহর মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।

এছাড়া দিবসটি উপলক্ষে শেখ রাসেল স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত, আমাদের ছোট রাসেল সোনা শিশু গ্রন্থের মোড়ক উম্মোচন, সেলাই মেশিন বিতরণ, উঠব জেগে, ছুটব বেগে-শীর্ষক ভিডিও প্রদর্শন, শিশু সমাবেশ, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে যোগদান, বইমেলা উদ্বোধন ও শিশুদের আঁকা আমার ভাবনায় ৭ মার্চ শীর্ষক চিত্র প্রদর্শনী পরিদর্শন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এসময় টুঙ্গিপাড়ার কর্মসূচিতে কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে উপস্থিত থাকবেন: সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম এমপি, কাজী জাফর উল্লাহ; কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ এমপি, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য শ্রী মুকুল বোস, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান এমপি, সাংগঠনিক সম্পাদক আ. ফ. ম বাহাউদ্দিন নাছিম, দপ্তর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপসহ আরও অনেকেই।

দুইদিন ব্যাপি কর্মসূচির দ্বিতীয় দিন ১৮ মার্চ বিকেল ৩টায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উদ্যোগে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভাপতিত্ব করবেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখবেন আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতারা।

জাতীয় শিশু দিবসকে সামনে রেখে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন সপ্তাহব্যাপি ‘স্বচ্ছ ঢাকা’ ব্যানারে পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর ঘোষণা দিয়েছেন। যা চলবে ২৩ মার্চ শুক্রবার পর্যন্ত। দক্ষিণ সিটির মেয়র সাঈদ খোকন পরিচ্ছন্নতা অভিযানটি গিনেজ বুকে স্থান পাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয়ও নিয়েছে আলাদা উদ্যোগ। মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জাতির পিতার জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে দেশের সকল সরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে ফ্রি চিকিৎসা দেওয়া হবে। চিকিৎসা প্রার্থীরা সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত সরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিক গুলোর বর্হিঃবিভাগ থেকে এ সুবিধা পাবেন।

দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে বাংলাদেশ টেলিভিশন, বেতারসহ বেসরকারি সকল টেলিভিশন চ্যানেল প্রচার করবে বিশেষ অনুষ্ঠানমালা।

সংবাপত্রগুলোতে থাকবে বিশেষ ক্রোড়পত্র ও নিবন্ধ। এরপাশাপাশি দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আয়োজন করা হবে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা। পাশাপাশি বিভিন্ন মসজিদে মোনাজাত, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল এবং মন্দির, গির্জা, প্যাগোডাসহ অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনাসভারর আয়োজন করা হবে।

শিশু দিবসের উৎপত্তি: পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন সময় শিশু দিবস পালন করা হলেও ১৯২০ সালের ২৩ এপ্রিল প্রথমবারের মতো শিশু দিবস পালন করে তুরস্ক। বর্তমান বিশ্বে ২০ নভেম্বর ‘বিশ্ব শিশু দিবস’ এবং ১ জুন ‘আন্তর্জাতিক শিশু দিবস’ পালিত হচ্ছে।

১৯৯৬ সালে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার বঙ্গবন্ধুর শিশু প্রেম বিবেচনায় নিয়ে তার জন্ম দিনটিকে জাতীয় শিশু দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। এরপর থেকে দিবসটি পালিত হয়ে আসছে।

বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনে বাংলা একাডেমিতে দিনব্যাপী অনুষ্ঠান
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৯তম জন্মদিবস উপলক্ষে বাংলা একাডেমির পক্ষ থেকে দিনব্যাপী কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।
কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে, সকাল সাতটায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে একাডেমির পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন, সকাল ১১টায় নজরুল মঞ্চে ‘বঙ্গবন্ধুর গল্প শোনো ’শীর্ষক শিশু-কিশোর অনুষ্ঠান এবং বিকেল চারটায় একই মঞ্চে একক বক্তৃতানুষ্ঠান।
বাংলা একাডেমির পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার বাসসকে এ সব তথ্য জানানো হয়। সকালে ‘বঙ্গবন্ধুর গল্প শোনো’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম। বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে আলোচনায় অংশ নেবেন, কবি হাবীবুল্লাহ সিরাজী ও আবদুন নূর তুষার। সঞ্চালক থাকবেন সুভাষ সিংহ রায়।
বিকেল চারটায় একক বক্তৃতানুষ্ঠানে বক্তব্য রাখবেন অধ্যাপক ড. মুহম্মদ সামাদ। সভাপতিত্ব করবেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মো: আখতারুজ্জামান।

বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলার কর্মসূচি
আগামী ১৭ই মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৯তম জন্মদিন উপলক্ষে কেন্দ্রীয় বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলা ৩ দিনের কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।
এই কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে ১৬ই মার্চ শুক্রবার সকাল সাড়ে নয়টায় ধানমন্ডি-৩২ নম্বরে ‘জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা-২০১৮’র ঢাকা অঞ্চলের বাছাই, ১৭ই মার্চ শনিবার সকাল দশটায় জাতীয় শিশু দিবসের উদ্বোধন ও জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব, আলোচনা সভা, শিশু র‌্যালী ও জাতির জনকের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন এবং ১৮ই মার্চ রোববার সকাল দশটায় পুরস্কার বিতরণ ও আলোচনা সভা।
জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্বের তিন হাজার প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করবেন।
উল্লেখ্য, বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলা নতুন প্রজন্মের শিশু কিশোরদের মাঝে বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক দর্শন ও সংগ্রামী জীবন এবং আদর্শ তুলে ধরতে এই সংগঠনটি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
এ বছর পালিত হতে যাচ্ছে বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলা প্রবর্তিত জাতির জনকের জন্মদিনে ২৫তম জাতীয় শিশু দিবস। বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলায় সর্বপ্রথম বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনে শিশু দিবস ঘোষণার দাবিতে সভা-সমাবেশ ও বিভিন্ন কর্মসূচি দেশব্যাপী পালন করেছে। আজ সত্যিই জাতির পিতার জন্মদিন ১৭ই মার্চ জাতীয় শিশু দিবস রাষ্ট্রীয়ভাবে পালিত হচ্ছে।
এই সফলতার মূলে বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। আগামীতে সংগঠনের প্রত্যাশা, বঙ্গবন্ধুর গৌরবগাঁথা ও অবদান দেশ ও জাতির কাছে তুলে ধরতে কাজ করার প্রতিশ্রুতি ব্যাক্ত করছে।
সংগঠনের সভাপতি শিরিন আকতার মঞ্জু জাতির পিতার জম্মদিনের সকল কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের জন্য সংগঠনের নেতা-কর্মীসহ সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মসূচি
স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৯তম জন্মদিবস এবং জাতীয় শিশু দিবস-২০১৮ উদযাপনের লক্ষ্যে আগামী ১৭ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।
কর্মসূচি অনুযায়ী প্রো-উপাচার্য, কোষাধ্যক্ষ, সিনেট ও সিন্ডিকেট সদস্যবৃন্দ, ডিন, প্রাধ্যক্ষ, প্রক্টর, ওয়ার্ডেন, বিভাগীয় চেয়ারম্যান, ইনস্টিটিউটের পরিচালক ও অফিস প্রধানবৃন্দ উপাচার্য ভবনে জমায়েত হবেন। সেখান থেকে ওইদিন (শনিবার) সকাল ৭টায় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরে গিয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুস্পস্তবক অর্পণ করবেন।
সকাল সাড়ে ১০টায় উপাচার্যের সভাপতিত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র মিলনায়তনে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।
আলোচনা সভায় এবারের প্রতিপাদ্য হলো ‘বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন : রঙ ছড়ানো আলো, লাল-সবুজের বাংলাদেশে থাকবে শিশু ভালো’।
বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদসহ আবাসিক হল, হোস্টেলসমূহের মসজিদ বা উপাসনালয়ে দোয়া বা প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হবে এবং ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে মিষ্টি বিতরণ করা হবে।
এছাড়া, এদিন সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় সংগীত বিভাগের উদ্যোগে ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র মিলনায়তনে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
এদিকে বঙ্গবন্ধুর জন্মদিবস এবং জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে শনিবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত চারুকলা অনুষদের আয়োজনে টিএসসি ক্যাফেটেরিয়ায় অনুষ্ঠিত হবে চিত্রাঙ্কণ প্রতিযোগিতা।
মোট তিনটি গ্রুপে এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে, গ্রুপ-ক প্লে থেকে তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত, গ্রুপ-খ চতুর্থ শ্রেণি থেকে সপ্তম শ্রেণি পর্যন্ত এবং গ্রুপ-গ অষ্টম শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত।
প্রতিযোগিদের বয়স বা শ্রেণি যাচাইয়ের জন্য স্কুলের পরিচয়পত্র ও একটি সত্যায়িত কপি সঙ্গে আনতে হবে। কর্তৃপক্ষ ছবি আঁকার কাগজ সরবরাহ করবে, অন্যান্য উপকরণ নিজেদের নিয়ে আসতে হবে। চিত্রাঙ্কণ প্রতিযোগিতায় প্রত্যেক গ্রুপে শ্রেষ্ঠ ১০টি হিসেবে মোট ৩০টি পুরস্কার প্রদান করা হবে।
প্রতিযোগিতায় ঢাকা ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরী স্কুল ও কলেজ, উদয়ন উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, নীলক্ষেত উচ্চ বিদ্যালয়, বিশ্ববিদ্যালয় আবাসিক এলাকাসমূহের শিশুরা ছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস সংলগ্ন প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল ও কলেজ, অগ্রণী গার্লস স্কুল ও কলেজ, ভিকারুন্নেসা নুন স্কুল ও কলেজ, আজিমপুর গার্লস স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থীরাও অংশগ্রহণ করতে পারবে বলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

এই বিভাগের জনপ্রিয়