ঢাকা, মঙ্গলবার ১৪, জুলাই ২০২৬ ২১:৩৮:০৯ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
সায়েন্সল্যাব মোড়ে শিক্ষার্থীদের অবরোধ বন্যা ও পাহাড় ধসে সাত জেলায় প্রাণহানি বেড়ে ৫৪ ঢাকার পানি নামার ৪১ স্লুইসগেটের ২২টিই অচল রাজশাহীর সঙ্গে সারা দেশের বাস চলাচল বন্ধ ঢাকার পানি নামার ৪১ স্লুইসগেটের ২২টিই অচল ১৯ অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়া-বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্ক সংকেত

আজ ১০ ডিসেম্বর বিশ্ব মানবাধিকার দিবস

অনলাইন ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১২:৩২ এএম, ১০ ডিসেম্বর ২০১৮ সোমবার

আজ ১০ ডিসেম্বর সোমবার বিশ্ব মানবাধিকার দিবস। সারাবিশ্বের মতো বাংলাদেশেও যথাযোগ্য মর্যাদায় বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালন করা হবে।

 

দিবসটি উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন স্থানে নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো।

 

বিশ্বের দেশে দেশে নানাভাবে আজ মানবাধিকার ভূলুণ্ঠিত হচ্ছে। অত্যাচার-নির্যাতনে নিজভূমি ছেড়ে অন্যত্র পাড়ি জমাতে হচ্ছে। বিশেষ করে নারী ও শিশুদের প্রতি চরম অবিচার চলছে। বিপন্ন হচ্ছে মানবিকতা। দেশে দেশে যুদ্ধ-বিগ্রহ লেগেই রয়েছে। যুদ্ধের কারণে প্রাণ হারাতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার হরণে যে তান্ডব চলছে, তা নিরসনে যথাযথ পদক্ষেপ জরুরি।

 

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ উপলক্ষে পৃথক বাণী দিয়েছেন।


রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ নারী, শিশু ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীসহ সকল নাগরিকের মানবাধিকার রক্ষায় সরকারি-বেসরকারি সংস্থার পাশাপাশি সর্বস্তরের জনগণকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। 


রাষ্ট্রপতি বলেন, মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যূত বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করেছে। 


তিনি বলেন, ‘রাষ্ট্রের পাশাপাশি মানবাধিকারের প্রতি সম্মান প্রদর্শন ও মানবাধিকার সমুন্নত রাখা সকলের দায়িত্ব। আমি আশা করি, মানবাধিকার বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় ভুক্তভোগীদের প্রতিকার পাওয়ার পথ সুগম করতে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর আন্তরিক প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।’

 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের পাশাপাশি মানবাধিকার সুরক্ষার কাজে নিয়োজিত বেসরকারি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থা, উন্নয়ন সহযোগী, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, সিভিল সোসাইটি, গণমাধ্যম, মালিক ও শ্রমিক সংগঠনসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে আরো কার্যকর ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন। 


তিনি বলেন, ‘মানবাধিকার উন্নয়ন ও সুরক্ষার অঙ্গীকারের প্রতিফলনস্বরূপ আমরা ২০০৯ সালে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন প্রণয়ন করি। আমাদের সরকার ইতিমধ্যে কমিশনকে ৪৮ জন জনবল প্রদান করেছে এবং আরো ৪০ জন জনবল প্রদানের বিষয়টি চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। কমিশনকে আরো শক্তিশালী করতে বাজেটে বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে।’


শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ ২০১৮ সালে জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলের সদস্য নির্বাচিত হয়েছে। এ নিয়ে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বাংলাদেশ তিন বার এ সদস্য পদে বিজয়ী হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশ মানবাধিকার সুরক্ষার লক্ষ্যে শ্রমিক, শিশু, নারী, প্রতিবন্ধীর অধিকার কনভেনশনসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক দলিল স্বাক্ষর ও অনুসমর্থন করেছে। শ্রমিক অধিকার সুরক্ষার পথ আরো সহজ করার লক্ষ্যে এ বছর ‘শ্রম (সংশোধন) বিল-২০১৮’ পাস করা হয়েছে।

 

উল্লেখ্য, ১৯৪৮ সালে ১০ ডিসেম্বর জাতিসংঘের উদ্যোগে ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে সংস্থার সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সর্বসম্মতিক্রমে সার্বজনীন মানবাধিকার সনদ গৃহীত হয়।

 


এরপর থেকে বিশ্বব্যাপী জাতিসংঘ সদস্য রাষ্ট্রগুলো যথাযথ মর্যাদায় বিশ্ব মানবাধিকার দিবস পালন করে আসছে। চলতি বছর ৭০তম বিশ্ব মানবাধিকার দিবস পালিত হতে যাচ্ছে।

 

বিশ্ব মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ মানবাধিকার ফেডারেশন (বিএইচআরএফ) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আজ সকাল ১০টায় এক মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করেছে।