ঢাকা, সোমবার ১৩, জুলাই ২০২৬ ১৯:৪৫:৩৪ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
বন্যায় প্রাণহানী বেড়ে ৫১, ক্ষতিগ্রস্ত ১০ লাখ মানুষ আগামী ৫ বছরে ২৫ কোটি গাছ লাগানো হবে: প্রধানমন্ত্রী ব্যাংককের বারে ভয়াবহ আগুন, প্রাণ গেল ২৭ জনের ১৭ বছর পর রাজধানীতে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত দেশজুড়ে আজও অতিভারী বৃষ্টির শঙ্কা

আজ ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস

অনলাইন ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০১:০৪ এএম, ৮ মার্চ ২০১৯ শুক্রবার

আজ ৮ মার্চ শুক্রবার আন্তর্জাতিক নারী দিবস। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ‘সমান ভাবি, সমান থাকি, সমান সমান সামনে চলি’। এ প্রতিপাদ্যকে সামনে নিয়ে সারা বিশ্বের মতো আজ বাংলাদেশেও সরকারি-বেসরকারি নানা আয়োজনে পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক নারী দিবস। 

বিশ্বের উন্নত দেশগুলোর নারীর ক্ষমতায়নের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাংলাদেশের নারীরা আজ শুধু গার্মেন্ট শিল্পেই নন, রাজনৈতিক নেতৃত্ব, তথ্যপ্রযুক্তি, ব্যবসা, উদ্যোক্তা, সাংবাদিকতা, এভারেস্ট জয়, খেলা, সৃষ্টিশীল এমনকি যুদ্ধ বিমান চালনাতেও একে একে নিজেদের দক্ষতা, যোগ্যতা আর গ্রহণযোগতার প্রমাণ রেখে চলেছেন। 

নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন বলেছেন, মানবসূচক উন্নয়নে ভারতের চেয়ে বাংলাদেশের নারীরা অনেক এগিয়ে গেছে। এটি জাতীয় অর্থনীতিতে এক ধরনের ইতিবাচক প্রভাব আনবে। তাছাড়া দেশের শীর্ষ কর্মপদে বাংলাদেশ নারীদের ক্ষমতায়নে অনেক দূর এগিয়েছে। এটিরও একটি শুভ প্রভাব অনিবার্য। অমর্ত্য সেনের কথার রেশ ধরে বাংলাদেশের নারীদের এমন অগ্রযাত্রার উদাহরণ বিশ্ব সমাজকে চমকে দিচ্ছে প্রতিনিয়ত।

দিবসের ইতিহাস : আন্তর্জাতিক নারী দিবসের পেছনের ইতিহাস অনেক সমৃদ্ধ। ১৮৫৭ সালের এই দিনে আমেরিকার নিউ ইয়র্ক শহরে একটি সূচ কারখানার মহিলা শ্রমিকরা কর্মক্ষেত্রে মানবেতর জীবনযাপন করছিলেন। ওই সময় ১২ ঘণ্টা কর্মদিবসের বিরুদ্ধে নারীরা আন্দোলনে সোচ্চার হয়ে ওঠেন। ফলে তাদের ওপর নেমে আসে পুলিশি নির্যাতন। ১৮৬০ সালের একই দিনে ওই কারাখানার নারী শ্রমিকরা ‘মহিলা শ্রমিক ইউনিয়ন’ গঠন করেন। আর সাংগঠনিকভাবে আন্দোলন পরিচালনা করেন। এ আন্দোলনের ফলে ১৯০৮ সালের ৮ মার্চ প্রায় ১৫ হাজার নারী শ্রমিক নির্দিষ্ট কর্মঘণ্টা, ভাল বেতন এবং ভোটের অধিকার দাবি নিয়ে নিউ ইয়র্ক শহরে মিছিল বের করেন। অতঃপর ১৯১০ সালের ৮ মার্চ কোপেনহেগেন শহরে অনুষ্ঠিত এক আন্তর্জাতিক নারী সম্মেলনে জার্মানির নারী নেত্রী ক্লারা জেটকিন এই দিনটিকে ‘আন্তর্জাতিক নারী দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেন। ১৯১১ সালে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালন করা হয়। ১৯৮৫ সালে ৮ মার্চকে জাতিসংঘও আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। 

বাংলাদেশে ১৯৯১ সাল প্রথমবার এ দিবস পালন করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে প্রেসিডেন্ট মো. আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক পৃথক বাণী দিয়েছেন। 

দিনের কর্মসূচি : গতকাল রাত ১২টা ১ মিনিটে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে মোমবাতি প্রজ্বালনের মধ্য দিয়ে দিবসটি সূচনা করে ‘আমরাই পারি পারিবারিক নির্যাতন প্রতিরোধ জোট, বাংলাদেশ’। 

এছাড়া সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আজ সকাল ১০টায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন ও মানবাধিকার সংস্থা রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সমাবেশ, শোভাযাত্রা, সেমিনার, আলোচনাসভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।

এছাড়া বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতার ও অন্যান্য বেসরকারি চ্যানেল ও সংবাদ মাধ্যমে বিশেষ অনুষ্ঠান ও নিবন্ধ প্রকাশ করা হবে।