ঢাকা, বুধবার ০১, জুলাই ২০২৬ ১৭:৫৭:০৮ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
ইকুয়েডরকে হারিয়ে ৪০ বছর পর নকআউটে জয় মেক্সিকোর ভেনিজুয়েলায় ভূমিকম্পের ৬ দিন পর তিন বছরের শিশুকে উদ্ধার এমবাপ্পের জোড়া গোলে সুইডেনকে হারিয়ে শেষ ষোলোয় ফ্রান্স আইভরি কোস্টকে হারিয়ে ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ নরওয়ে ঢাবি সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছে: প্রধানমন্ত্রী কাল শুরু এইচএসসি পরীক্ষা, সব শিক্ষাবোর্ডে একই প্রশ্নপত্র ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস আজ

ইউরোপীয় পার্লামেন্টের পুরস্কারের তালিকা থেকে বাদ পড়লেন সু চি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০২:২৫ পিএম, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২০ শুক্রবার

ছবি: ইন্টারনেট

ছবি: ইন্টারনেট

রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন সমর্থন করায় মিয়ানমারের ডি ফ্যাক্টো নেত্রী অং সান সু চিকে ‘সাখারভ প্রাইজ কমিউনিটি’ থেকে বাদ দিয়েছে ইউরোপিয়ান পার্লামেন্ট (ইপি)।

গতকাল বৃহস্পতিবার কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

১৯৯০ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পাওয়ার এক বছর আগে মিয়ানমারের গণতন্ত্রপন্থী নেত্রীকে ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এই পুরস্কার দেয়। ইউরোপীয় পার্লামেন্টের মানবাধিকারবিষয়ক সর্বোচ্চ এই পুরস্কারের তালিকা থেকে বাদ পড়ায় এখন থেকে পুরস্কারজয়ীদের কোনও অনুষ্ঠানে অংশ নিতে পারবেন না অং সান সুচি।

২০১৭ সালের অক্টোবরে মিয়ানমারে রাখাইনে রক্তাক্ত সামরিক অভিযান পরিচালনা করে দেশটির সামরিক বাহিনী। সেনাবাহিনীর হত্যা, ধর্ষণ, জ্বালাও পোড়াও থেকে বাঁচতে সাত লাখের বেশি রোহিঙ্গা মুসলিম প্রতিবেশি বাংলাদেশে পালিয়ে আসে।

জাতিসংঘ বলছে, রাখাইনে সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে গণহত্যার উদ্দেশে রক্তাক্ত অভিযান পরিচালনা করেছে মিয়ানমার সেনাবাহিনী। তবে দেশটির সেনাবাহিনী রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে গণহত্যা ও সহিংস অভিযানের অভিযোগ অস্বীকার করেছে। রোহিঙ্গা বিদ্রোহীদের দমনে ও দেশের সুরক্ষায় এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে বলে দাবি করেছে সেনাবাহিনী।

গত বছরের ডিসেম্বরে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে ৩০ মিনিটের ভাষণে মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সু চি নিজ দেশের সেনাবাহিনীর অভিযানের পক্ষে সাফাই গেয়ে গণহত্যার অভিযোগ অস্বীকার করেন। আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে প্রায় ৩ হাজার ৩৭৯ শব্দের সেই সাফাইয়ে রোহিঙ্গা শব্দটি একবারের জন্যও উচ্চারণ করেননি তিনি

সমালোচকরা বলছেন, সু চির এই প্রত্যাখ্যান মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের পরিচয় ও অধিকার খর্বের অংশ।

২০১৭ সালের আগস্টে রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ওপর পূর্বপরিকল্পিত ও কাঠামোগত সহিংসতা জোরদার করে মিয়ানমার সেনাবাহিনী। হত্যাকাণ্ড, সংঘর্ষ, ধর্ষণ, ঘরবাড়িতে অগ্নিসংযোগের বাস্তবতায় জীবন বাঁচাতে নতুন করে বাংলাদেশে পালিয়ে আসে সাত লাখ ৪০ হাজার রোহিঙ্গা। এ নৃশংসতাকে 'গণহত্যা' আখ্যা দিয়ে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর জাতিসংঘের সর্বোচ্চ আদালত আইসিজেতে মামলা করে গাম্বিয়া। সূত্র: আলজাজিরা।

-জেডসি