ঢাকা, বৃহস্পতিবার ১৬, জুলাই ২০২৬ ০:৫৩:০০ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
শেখ হাসিনা ও ১০ শিল্প গ্রুপের ৭৬ হাজার কোটি টাকার সম্পদ জব্দ সাবেক ব্রিটিশ মন্ত্রী উইডিকম্বকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে:পুলিশ শিক্ষার্থীদের প্রতিবছর একটি করে গাছ লাগানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ২৫ ঘণ্টা পর রাজশাহী থেকে বাস চলাচল স্বাভাবিক ফের বাড়ছে তিস্তা-দুধকুমার নদের পানি, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত রাজধানীতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় অভিমুখে লংমার্চের ঘোষণা ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ

চলন্ত বাসে আবার ধর্ষণ : গ্রেফতার ৫

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪.কম

আপডেট: ০৫:০০ পিএম, ৯ এপ্রিল ২০১৮ সোমবার

রাজধানী ঢাকার কাছে ধামরাইয়ে একটি চলন্ত বাসে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এক পোশাক শ্রমিক (২৪) ধর্ষণের শিকার হন। এ ঘটনায় রাতেই ৫ ধর্ষককে হাতেনাতে আটক করেছে ধামরাই থানা পুলিশ।

রোববার দিনগত রাতে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের কচমচ এলাকায় যাত্রীসেবা বাসে এ গণধষর্ণের ঘটনা ঘটে।

ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রিয়াজউল হক বলছিলেন, লোকাল একটা বাসে একজন তৈরি পোশাক শ্রমিক গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন।

আটক ধর্ষকরা হলো- ধামরাই থানার গাওয়াইল গ্রামের মো. কালু মিয়ার ছেলে মো. সোহেল রানা (২০), একই উপজেলার কেলিয়া গ্রামের মৃত রাজু সরদারের ছেলে মকবুল হোসেন (৩৮), চুয়াডাঙ্গা উপজেলার কোটপাড়া গ্রামের মৃত শফি মল্লিকের ছেলে বাবু মল্লিক (২৪), ময়মনসিংহ জেলার ফুলবাড়ি থানার দেওখোলা গ্রামের মৃত জসিম উদ্দিনের ছেলে আব্দুল আজিজ (২৫) ও নীলফামারী জেলার ডিমলা থানার সরকারবাড়ী গ্রামের মহর লালের ছেলে বলরাম (২০)।

তিনি বলছিলেন এই বাসের কোন নাম নেই, এটা লোকাল বাস এবং শ্রমিকরা এতে যাওয়া-আসার কাজ করে।


তিনি জানান, রাত আনুমানিক দুইটার দিকে ঐ বাসে বাসের চালক, হেলপার এবং তাদের সাথে আরো তিনজন ছিল। তারা ধর্ষণ করে ঐ গার্মেন্ট শ্রমিককে।


পুলিশ বলছে মেয়েটির অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ বাদী হয়ে ধর্ষণ মামলাটি করেছে। মেয়েটি এখন তাদের হেফাজতে রয়েছে।


দেশে এর আগেও চলন্ত বাসে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। গত বছর অগাস্টে টাঙ্গাইলের মধুপুরে চলন্ত বাসের মধ্যে এক তরুণীকে ধর্ষণের পর হত্যা করে জঙ্গলে লাশ ফেলে দেয়।

দেশে রাতের গণপরিবহনে মেয়েদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। ঐ ঘটনায় দেশজুড়ে সমালোচনার ঝড় বয়ে যায়।


পুলিশ বলছে, টাঙ্গাইলের মধুপুরে এক তরুণীর মৃতদেহ বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন করা হয়েছিল। তার আত্মীয়-স্বজন ছবি দেখে লাশ সনাক্ত করার পর তরুণীটিকে বাসের মধ্যে দলবদ্ধভাবে ধর্ষণ ও হত্যার এই ঘটনা ফাঁস হয়।


সেই ঘটনার ছয় মাসের মধ্যে বিচার কাজ সম্পন্ন হয়। ঐ ঘটনায় পাঁচ আসামীর মধ্যে ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড আর একজনের সাত বছরের কারাদণ্ড দিয়ে তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা করেছে আদালত। এ টাকা এবং যে বাসে ঘটনাটি ঘটেছে সে বাসটি আদালতের আয়ত্তে নিয়ে রূপার পরিবারকে দেয়ার নির্দেশও দেন আদালত।

এই বিভাগের জনপ্রিয়