ঢাকা, বৃহস্পতিবার ১৬, জুলাই ২০২৬ ৬:০৮:৩৫ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
শেখ হাসিনা ও ১০ শিল্প গ্রুপের ৭৬ হাজার কোটি টাকার সম্পদ জব্দ সাবেক ব্রিটিশ মন্ত্রী উইডিকম্বকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে:পুলিশ শিক্ষার্থীদের প্রতিবছর একটি করে গাছ লাগানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ২৫ ঘণ্টা পর রাজশাহী থেকে বাস চলাচল স্বাভাবিক ফের বাড়ছে তিস্তা-দুধকুমার নদের পানি, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত রাজধানীতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় অভিমুখে লংমার্চের ঘোষণা ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ

চ্যালেঞ্জ করে বলতে পারি দেশে বাল্যবিয়ে কমেছে : চুমকি

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪.কম

আপডেট: ০৮:২০ পিএম, ১২ মার্চ ২০১৮ সোমবার

মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি বলেছেন, আমি চ্যালেঞ্জ করে বলতে পারি বাংলাদেশে বাল্যবিয়ের পরিমাণ কমেছে। কেউ প্রমান করতে পারবে না যে দেশে বাল্য বিয়ের সংখ্যা বেড়েছে। ২০২১ সালের মধ্যে দেশে ১৫ বছরের নিচে বাল্যবিয়ে সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করা হবে।


আজ সোমবার সচিবালয়ে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ বিষয়ক এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। গত ৭ মার্চ একটি পত্রিকায় প্রকাশিত ‘বাংলাদেশে বাল্য বিবাহ বেড়েছে’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদ সঠিক নয় বলেও দাবি করেন তিনি।


মেহের আফরোজ চুমকি বলেন, বাংলাদেশে বাল্যবিয়ের পরিমাণ কমেছে। বিআইডিএস (বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ) এর ২০১৭ সালের জরিপে বলা হয়েছে, দেশে বর্তমানে বাল্যবিবাহের হার ৪৭ শতাংশ (১৮ বছরের নিচে) অন্যদিকে ১৫ বছরের নিচের বয়সের মেয়েদের বিয়ের হার ১০ দশমিক ৭০ শতাংশ। 


সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী বলেন, পত্রিকার ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, বাংলাদেশে বাল্যবিবাহের হার ৫২ থেকে বেড়ে ৫৯ শতাংশ হয়েছে। প্রতিবেদনের সোর্স হিসেবে আন্তর্জাতিক সংস্থা ইউনিসেফের কথা বলা হয়েছে। এই রিপোর্টটি আমি কোনোভাবেই গ্রহণ করতে পারিনি। আমি ইউনিসেফের ঢাকা অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। তারা এ বিষয়ে কিছুই বলতে পারেনি। তাই আমি বলবো, এই রিপোর্টটি খুবই পুরাতন ডাটার ওপর ভিত্তি করে প্রকাশ করা হয়েছে।


তিনি বলেন, বিবিএস (বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো) এর ২০১৫ সালের মালটিপল ক্লাস্টার সার্ভে অনুযায়ী বাংলাদেশের বাল্যবিয়ের পরিমাণ কমেছে। এই জরিপে বলা হয়েছে, ২০০৬ সালে দেশে বাল্যবিয়ের পরিমাণ ছিল ৬৪.১ শতাংশ। ২০১৪ সালে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৫২.৩ শতাংশে।


প্রান্তিক সুবিধা বঞ্চিত মানুষের দরিদ্রতা, নিরাপত্তাহীনতা ও সামাজিক অসচেতনতার কারণে বাল্যবিয়ে হয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই দরিদ্র জনগোষ্ঠির ১৫ থেকে ১৮বছরের মেয়েদের বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ এবং ভাতা প্রদান করছে সরকার।বাল্যবিবাহ শুণ্যের কোঠায় নামিয়ে আনার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, এ লক্ষ্যে সরকার বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন প্রনয়নসহ নানাবিধ কার্যক্রম গ্রহণ করছে।


সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ইউনিসেফ এর কান্ট্রি ডিরেক্টর এডওয়ার্ড বিগবেডার এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, বাংলাদেশে আসলেই বাল্যবিয়ের হার কমেছে। তবে ওই রিপোর্টে যে তথ্যের কথা বলা হয়েছে তা হয়তো অতীতের কয়েক বছরের তথ্যের সমন্বয়ে করা হয়েছে।


সংবাদ সম্মেলনে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব নাসিমা বেগমসহ বাংলাদেশ ব্যুরো অফ স্টাটিস্টিকস-বিবিএস ও ইউনিসেফের বাংলাদেশ প্রতিনিধি এবং মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এই বিভাগের জনপ্রিয়