ঢাকা, রবিবার ১৮, অক্টোবর ২০২৬ ১১:১৩:৪৯ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
ছদ্মনামে লিখে সাহিত্য পুরস্কার জিতলেন ইসাবেল আলেন্দে বাঙালি মহীয়সী নারী ইলা মিত্রের জন্মদিন আজ ঢাকায় বৃষ্টি ঝরবে কিনা, জানাল আবহাওয়া অধিদফতর রাজধানীর বাইরে অনুমোদন ছাড়াই চলছিল ইনানীর রিসোর্ট টুপটুপ কলকাতায় পূজামণ্ডপ ভেঙে ১৩ নারীসহ ১৯ জনের প্রাণহানী হাসপাতালে ডাক্তারের ধূমপান, বরখাস্তের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ইনানী রিসোর্টে আগুন: নিহতদের ৬ জনের পরিচয় মিলেছে

জার্মানির বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয়ে নকআউটে ইকুয়েডর

খেলাধুলা ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১০:৪৪ এএম, ২৬ জুন ২০২৬ শুক্রবার

ছবি: সংগ্রহিত।

ছবি: সংগ্রহিত।

বিশ্বকাপের আগের দুই পর্বে গ্রুপ পর্বের তিক্ত অভিজ্ঞতা থেকে এবার বের হওয়ার পথে ছিল জার্মানি। আগের দুই বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বে একাধিক ম্যাচে হেরে বিদায় নিতে হয়েছিল। এবার অবশ্য প্রথম দুই ম্যাচ জিতে নকআউট পর্ব আগেই নিশ্চিত করে নাগালসম্যানের দল।তবে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে অপেক্ষাকৃত দুর্বল ইকুয়েডেরের বিপক্ষে হারের তিক্ত অভিজ্ঞতার স্বাদ পেল জার্মানরা।

বৃহস্পতিবার ম্যাচের দ্বিতীয় মিনিটে পিছিয়ে পড়লেও নাটকীয় প্রত্যাবর্তনে সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়ন জার্মানির বিপক্ষে ২-১ জয় পায় ইকুয়েডর।স্মরণীয় এই জয় বিশ্বকাপের নকআউট পর্ব নিশ্চিত করল দক্ষিণ আমেরিকার দলটি।

এদিন ম্যাচের শুরুতে মনে হচ্ছিল প্রত্যাশিত জয়ই পাবে জার্মানি।খেলা শুরুর মাত্র দুই মিনিটের মাথায় ফ্লোরিয়ান ভার্টজের চমৎকার পাস থেকে গোল করে জার্মানিকে এগিয়ে দেন লেরয় সানে। দ্রুত গোল হজম করে চাপে পড়ে যায় ইকুয়েডর।

তবে ম্যাচের ফিরতে খুব বেশি সময় নেয়নি দলটি। নবম মিনিটে নিলসন আঙ্গুলো নিচু শটে ম্যানুয়েল নয়্যারকে পরাস্ত করে সমতায় ফেরান দলকে।বিরতির পরও আক্রমণ অব্যাহত রাখে ইকুয়েডর। 

অবশেষে ম্যাচের ৭৭তম মিনিটে আসে কাঙ্ক্ষিত মুহূর্ত। কর্নার থেকে আসা বলের জন্য দ্রুততম প্রতিক্রিয়া দেখিয়ে গনসালো প্লাতা নয়্যারের আগে বল স্পর্শ করেন এবং জালে পাঠিয়ে দেন। সেই গোলেই স্টেডিয়ামজুড়ে শুরু হয় উন্মাতাল উদযাপন।

শেষদিকে সমতায় ফেরার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে জার্মানি। তবে ইকুয়েডরের রক্ষণভাগ অসাধারণ দৃঢ়তা দেখায়। একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ ক্লিয়ারেন্স ও ব্লকে তারা জয়ের ব্যবধান ধরে রাখে।
জার্মানি আগেই গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে শেষ বত্রিশ নিশ্চিত করেছিল। ফলে তাদের খেলায় কিছুটা অতি আত্মবিশ্বাসের ছাপ দেখা গেছে। অন্যদিকে ইকুয়েডরের সামনে ছিল বাঁচা-মরার লড়াই, আর সেই চাপই যেন তাদের সেরা ফুটবল বের করে এনেছে।