ঢাকা, বৃহস্পতিবার ০৪, জুন ২০২৬ ৫:৩১:১১ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
সেই বৃদ্ধার ছেলে যুগ্মসচিব আনিসুরকে প্রত্যাহার মিরপুরের বৃদ্ধার মৃত্যু: তদন্ত কমিটি চেয়ে রিট তৃণমূলের সব সাংগঠনিক কমিটি ভেঙে দিলেন মমতা হামে প্রাণ গেল আরো ৭ শিশুর, মোট মৃত্যু ৬০০ ছাড়ালো সাগরিকার শেষ সময়ের গোলে সাফের ফাইনালে বাংলাদেশ এক মামলায় জামিন পেলেন দীপু মনি, ছয়টিতে রুল

দীর্ঘতম মহাকাশ অভিযানের রেকর্ড গড়া নারী ক্রিস্টিনা কচ

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১০:০৮ পিএম, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ বুধবার

দীর্ঘতম মহাকাশ অভিযানের রেকর্ড গড়া নারী—ক্রিস্টিনা কচ

দীর্ঘতম মহাকাশ অভিযানের রেকর্ড গড়া নারী—ক্রিস্টিনা কচ

মহাকাশ গবেষণার ইতিহাসে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করা নারীদের মধ্যে অন্যতম নাম  ক্রিস্টিনা কচ। সাহস, দক্ষতা ও অধ্যবসায়ের এক অনন্য উদাহরণ হয়ে তিনি বিশ্বজুড়ে তরুণ প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করছেন।

নাসা-এর এই মহাকাশচারী ২০১৯ সালে শুরু হওয়া তার অভিযানে টানা ৩২৮ দিন মহাকাশে অবস্থান করে নারী হিসেবে দীর্ঘতম সময় মহাকাশে থাকার রেকর্ড গড়েন। এই সময় তিনি আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন বা International Space Station-এ অবস্থান করেন এবং বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক গবেষণায় অংশ নেন।

ক্রিস্টিনা কচের এই দীর্ঘ মহাকাশযাত্রা শুধু একটি রেকর্ড নয়, বরং মহাকাশে মানুষের দীর্ঘমেয়াদি বসবাসের সম্ভাবনা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছে। বিশেষ করে, ভবিষ্যতে চাঁদ ও মঙ্গল গ্রহে মানব অভিযান পরিচালনার ক্ষেত্রে তার অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

২০১৯ সালের অক্টোবরে কচ এবং তার সহকর্মী Jessica Meir ইতিহাস সৃষ্টি করেন প্রথমবারের মতো সম্পূর্ণ নারী দল হিসেবে মহাকাশে ‘স্পেসওয়াক’ সম্পন্ন করে। এই ঘটনা মহাকাশ গবেষণায় নারীর অংশগ্রহণকে নতুনভাবে তুলে ধরে এবং বিশ্বজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগানে জন্ম নেওয়া কচ বৈদ্যুতিক প্রকৌশল ও পদার্থবিজ্ঞানে শিক্ষিত। তিনি মহাকাশচারী হওয়ার আগে বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক গবেষণা প্রকল্পে কাজ করেছেন, যার মধ্যে অ্যান্টার্কটিকা ও আর্কটিক অঞ্চলে গবেষণাও উল্লেখযোগ্য।

তার এই সাফল্য নারীদের জন্য একটি শক্তিশালী বার্তা—চ্যালেঞ্জ যতই কঠিন হোক, ইচ্ছাশক্তি ও পরিশ্রম থাকলে যেকোনো লক্ষ্য অর্জন সম্ভব। বর্তমানে তিনি Artemis Program-এর অংশ হিসেবেও কাজ করছেন, যার লক্ষ্য হলো আবারও মানুষকে চাঁদে পাঠানো এবং ভবিষ্যতে মঙ্গল অভিযানের প্রস্তুতি নেওয়া।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ক্রিস্টিনা কচের মতো মহাকাশচারীদের অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতের মহাকাশ গবেষণাকে আরও সমৃদ্ধ করবে। একই সঙ্গে নতুন প্রজন্মের কাছে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিকে আকর্ষণীয় করে তুলতে তার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।

সব মিলিয়ে, ক্রিস্টিনা কচ শুধু একজন মহাকাশচারী নন, বরং তিনি এক অনুপ্রেরণার নাম—যিনি মহাকাশ জয় করে দেখিয়েছেন, সীমা ভাঙার সাহস থাকলে আকাশও শেষ নয়।