ঢাকা, বৃহস্পতিবার ০২, জুলাই ২০২৬ ২২:৪৩:৩৮ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
হামের উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৫ প্রাণহানি, আক্রান্ত ১১১৯ এলপি গ্যাসের দাম কমল নজরুল বর্ষ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী, ত্রিশাল হবে ‘নজরুল সিটি’ জুনে নারী-শিশু নির্যাতনের শিকার ৩৩৩ জন টানা কমার পর বিশ্ববাজারে বাড়ল স্বর্ণের দাম অভিন্ন প্রশ্নপত্রে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু

ধর্ষককেই বিয়ে করবে মাদ্রাসাছাত্রী, নইলে আত্মহত্যা!

ভাঙ্গুড়া (পাবনা) প্রতিনিধি | উইমেননিউজ২৪.কম

আপডেট: ০২:৫৯ পিএম, ১৪ অক্টোবর ২০১৮ রবিবার

প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলায় মাদ্রাসাছাত্রীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধের। পরে ৩ লাখ টাকায় সেটি মীমাংসাও করা হয়। কিন্তু মাদ্রাসাছাত্রী ওই ‘ধর্ষককেই’ বিয়ে করতে চাচ্ছে, না হলে সে আত্মহত্যার হুমকি দিয়েছে।

ভাঙ্গুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার রুবেল আহমেদের বিরুদ্ধে ওই মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।

গত বৃহস্পতিবার রাতে রুবেল আহমেদকে আপত্তিকর অবস্থায় ১৭ বছরের কিশোরী ওই মাদ্রাসাছাত্রীর ঘর থেকে আটক করেছে স্থানীয়রা। পরে গ্রাম্য সালিশের মাধ্যমে তার থেকে সাড়ে তিন লাখ টাকা জরিমানা নিয়ে বিষয়টি মীমাংসা করে ছাত্রীর পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা।

ছাত্রীর পরিবার সূত্রে জানা যায়, রুবেল বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তাদের মেয়ের সঙ্গে শারীরিক সর্ম্পক গড়ে তোলে। রুবেলকে আটকের পর গ্রামের সাবেক ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য মহির উদ্দিন ও বর্তমান সদস্য হারুন অর রশিদের উপস্থিতিতে গণধোলাই দিয়ে তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

অভিযোগ উঠেছে, রুবেলের কাছ থেকে টাকা আদায় করে তাকে ছেড়ে দেন মাদ্রাসাছাত্রীর পরিবারের সদস্যরা।

এ বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান হেদায়েতুল্লাহ হক ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘বিষয়টি মীমাংসার অযোগ্য হওয়ায় আমি রাতেই ওই দরবারের স্থান ত্যাগ করি।’

ইউপি সদস্য হারুন অর রশিদ বলেন, ‘মেয়ের চাচা রমজান আলী বিষয়টি টাকার বিনিময়ে মীমাংসা করে নিয়েছেন।’

মাদ্রাসাছাত্রীর মা বলেন, ‘আমার কোনো উপায় নেই। কিন্তু মীমাংসা হলেও কোনো টাকা হাতে পাইনি।’

ওই মাদ্রাসাছাত্রীর ভাষ্যমতে, ‘আমি কোনো মীমাংসা চাই না। সে আমাকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্ক করেছে। তাই আমার দাবি, রুবেলকে আমার সঙ্গে বিয়ে দিতে হবে, নতুবা আমি আত্মহত্যা করব।’

এ বিষয়ে ভাঙ্গুড়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আসিফ মোহাম্মদ সিদ্দিকুল ইসলাম জানান, ধর্ষণের ঘটনা মীমাংসার অযোগ্য। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।