ঢাকা, শনিবার ১৮, জুলাই ২০২৬ ২০:০২:২২ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
কাশিমপুর মহিলা কারাগার থেকে আসামি পলায়ন, বরখাস্ত ৭ ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে মৃত্যু বেড়ে ৫ হাজার ৬৯ ঢাবি অধ্যাপক নাজমুন নাহার মারা গেছেন অস্কারজয়ী প্রথম আইরিশ অভিনেত্রী ফ্রিকার আর নেই এআই ঝুঁকিতে ১২ লাখ পোশাক শ্রমিক, অনিশ্চয়তায় নারীরা চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত বহাল

নান্দাইলে থানায় বসে সালিশি বৈঠক

আপডেট: ০৮:০৯ এএম, ১০ জুন ২০১৫ বুধবার

07-1433664092-rape-crime-600স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, উইমেননিউজ২৪.কম, ময়মনসিংহ : জেলার নান্দাইল মডেল থানায় ওসির কক্ষে ধর্ষণের মতো গুরুতর অপরাধ সালিশি বৈঠকে ‘ফয়সালা’ করেছে গ্রাম্য মাতব্বররা। বৈঠকে সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীর সাথে অভিযুক্ত ধর্ষকের বিয়ের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, সালিশ আয়োজনের নির্দেশ দিয়েছেন থানার ওসি নিজেই। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে এ ঘটনাটি ঘটে।
খবর পেয়ে থানায় গিয়ে দেখা যায়, অফিসার ইনচার্জের (ওসি) কক্ষের লাগোয়া ওসি তদন্তের কক্ষে দরজা বন্ধ করে ১৫/২০ জনের সালিশ বৈঠক বসেছে। সালিশে নান্দাইলের মোয়াজ্জেমপুর ও খারুয়া ইউনিয়নের মাতব্বররা উপস্থিত ছিলেন। দেড় ঘণ্টাব্যাপী সালিশ অনুষ্ঠিত হয়। উভয়পক্ষের লোকজন উপস্থিত ছিলেন।
নান্দাইল উপজেলার কয়ারপুর গ্রামের আয়নাল হকের (৬০) ছেলে আজিজুল হক (২৫) গত রবিবার মোয়াজ্জেমপুর ইউনিয়নের এক বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীকে (১৪) ধর্ষণ করেন। সম্পর্কে মেয়েটি আজিজুলের খালাতো বোন। গ্রামের বাড়িতে এসে এ ঘটনা ঘটিয়ে তিনি পরদিন তার কর্মস্থলে চলে যান। মেয়ের বাবা স্থানীয়ভাবে ঘটনার সুরাহা করতে না পেরে নান্দাইল মডেল থানায় অভিযোগ দিলে পুলিশ গত সোমবার  রাতে অভিযুক্তের বাবাকে ধরে থানায় নিয়ে যায়। সালিশে মাতব্বররা সিদ্ধান্ত নেন আগামী বৃহস্পতিবার ৫ লাখ টাকা দেনমোহর ধার্য করে আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ে সম্পন্ন হবে। সালিশকারীদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মেয়ের বাবা ছেলেকে একটি ১০০ সিসি মোটরসাইকেল দেবে বলে সিদ্ধান্ত হয়।
মেয়েটি উপজেলার একটি বালিকা বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী। ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা রওশন আরা বলেন, এই বয়সে কীভাবে বিয়ে হবে তা বোধগম্য নয়। থানার এসআই রেজাউল করিম জানান, উভয় পক্ষ রাজি হওয়ায় সালিশ বৈঠকের আয়োজন করে তারাই। নান্দাইল থানার অফিসার ইনচার্জ সৈয়দ আব্দুল্লাহ অভিযুক্ত ধর্ষকের বাবাকে ধরে আনা ও সালিশ বৈঠকের বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি এসআই রেজাউলকে জিজ্ঞেস করতে বলেন।
১০.০৬.২০১৫