ঢাকা, বুধবার ১৫, জুলাই ২০২৬ ২৩:২৪:০৭ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
শেখ হাসিনা ও ১০ শিল্প গ্রুপের ৭৬ হাজার কোটি টাকার সম্পদ জব্দ সাবেক ব্রিটিশ মন্ত্রী উইডিকম্বকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে:পুলিশ শিক্ষার্থীদের প্রতিবছর একটি করে গাছ লাগানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ২৫ ঘণ্টা পর রাজশাহী থেকে বাস চলাচল স্বাভাবিক ফের বাড়ছে তিস্তা-দুধকুমার নদের পানি, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত রাজধানীতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় অভিমুখে লংমার্চের ঘোষণা ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ

নির্বাচন হবে, কেউ ঠেকাতে পারবে না : প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪.কম

আপডেট: ০৫:৩৮ পিএম, ৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮ সোমবার

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন যথাসময়েই হবে। কেউ নির্বাচন ঠেকাতে পারেব না। বঙ্গোপসাগরের উপকূলবর্তী সাত দেশের জোট বিমসটেকের চতুর্থ শীর্ষ সম্মেলন শেষে ঢাকায় ফিরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনের প্রশ্নোত্তর পর্বে এমন মন্তব্য করেন তিনি।
 

রোববার বিকালে গণভবনে অনুষ্ঠিত এ সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচন নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভারতসহ পৃথিবীর অনেক গণতান্ত্রিক দেশে সংসদ বহাল রেখেই নির্বাচন হয়। নতুন সরকার আসার পর সেটা স্বাভাবিক নিয়মেই শেষ হয়ে যায়। এখানেও তাই হবে।
 
 
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপি যতোই হুংকার দিক, আন্দোলন করুক না কেন, যথাসময়েই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। কেউ তা ঠেকাতে পারবে না।
 

এসময় ইভিএম নিয়েও কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, বিএনপি এর বিরুদ্ধে খুব সোচ্চার। তারা করচুপির ভালো টেকনিক জানে। ইভিএম ব্যবহার করলোতো আর কারচুপি করতে পারবে না। আমরা নির্বাচন নিয়ে অনেক গবেষণা করেছি কিন্ত আমরা এখনো তাদের সেই পদ্ধতিটা ধরতে পারিনি। তাদের অর্থের অভাব নেই তারা সবকিছু কিনতে পারে। ইইভএম হলে তার একটার জায়গায় দুটো তিনটা সিল মারতে পারবে না।
 
 
শেখ হাসিনা বলেন, আমরা চাই প্রযুক্তির উন্নয়নের জন্য ইভিএমের ব্যবহার শুরু হোক। এটাইতো শেষ কথা না। এতে আপত্তির কী আছে এতো। এখন যদি অনলাইননে টাকা পাঠাতে পারেন তাহলে ভোট দিতে পারবে না কেনো। সবচেয়ে মূল্যবান হলো অর্থ। সেটার উপর বিশ্বাস করতে পারলে ভোটের উপর নয় কেন।
 
 
তবে তাড়াহুড়া করে ইভিএমকে চাপিয়ে দেয়া যাবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, নির্বাচনের ক্ষেত্রে নতুন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। আমাদের সবাই এখন অনলাইনে সবকিছু করছি। এটা ঠিক যে টেকনোলজির যেমন সুবিধা দেয়। তেমনি অসুবিধাও আছে। তবে তাড়াহুড়া করে এটাকে চাপিয়ে দেয়া যাবে না।
 
 
বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপি যা চাইছে, তার জন্য তাদের কোর্টের মাধ্যমে আসতে হবে। না হলে রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা চাইতে হবে।  
 
 
শেখ হাসিনা বলেন, যখন মানুষ পুড়িয়ে মেরেছে তখনই আমার উচিৎ ছিলো গ্রেফতার করা। এখন তাদের নেত্রী বন্দী বিএনপি আন্দোলন করুক।
 
 
এ মামলায় সরকারের হস্তক্ষেপ নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিচার বিভাগের উপর যদি হস্তক্ষেপ করতে চাইতাম তাহলে কী ১০ বছর ধরে মামলা চলতো? ১৫৪ বার কোর্টে হাজিরার তারিখ পড়েছে, কিন্তু তিনি যাননি। তবুও তারা মিডিয়ার কাছে ফেভারিট। চুরি করলেও ভালো, ভোট ডাকাতি করলেও ভালো, হাজার অপরাধ হলেও তারা অপরাধী হয় না।


প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, খালেদা জিয়া গ্রেফতার হয়েছে এতিমের টাকা চুরি করে। মামলা শুধু একটা না অনেক আছে। আজ আমি কিছু কিছু রিপোর্ট পড়ছিলাম তাদের সৌভাগ্য মিডিয়া তাদের কভার করে। আমি তো সবসময় তিন নম্বর চার নম্বর বা পাঁচ নম্বরে থাকি সেখানে বিএনপি সবসময় অগ্রাধিকার পায়। চ্যানেলের খবরগুলোতে আমি সব জায়গায় তিন চার পাঁচে এসে ঠেকি।


তিনি বলেন, তাদেরতো অনেক বড় বড় আইনজীবী আছে। কই কোনো আইনজীবীতো প্রমাণ করতে পারলো না খালেদা জিয়া নির্দোষ। তারা নির্বাচন করবে কী করবে না এটা তাদের বিষয়। খালেদা জিয়ার ছেলে যেদিন মারা গেলো সেদিন গেলাম, সেদিন আমার মুখের উপর দরজা বন্ধ করে দিলো। সেদিন থেকে আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি আর তাদের সাথে কোনো আলোচনায় বসব না। আমার আত্মসম্মান আছে।
 
 
বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেয়ার প্রক্রিয়ায় মিয়ানমার সাড়া দিতে শুরু করেছে বলে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, প্রত্যাবাসন প্রত্যাশি রোহিঙ্গাদের তালিকা মিয়ানমার পেয়েছে বলে স্বীকার করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট প্রেসিডেন্ট উইন মিন্ট।


বাংলাদেশের সাথে সমঝোতা অনুযায়ী প্রথম দফায় ৩ হাজারের মত রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমার প্রস্তুত বলেও প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়েছেন তিনি।
 

মিয়ানমারের সেনাবাহিনীদের রোহিঙ্গাবিরোধী প্রচারণায় ভুয়া ছবি বানানো প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটা নিয়ে বলতে চাই, আমাদের দেশেও এই ধরনের ছবি নিয়ে অনেক কিছু হয়েছে। মিয়ানমার যেটা করেছে এটা অত্যন্ত ঘৃণ্য কাজ করেছে। নিজেরাই নিজেদের সম্মানটা খারাপ করেছে। আন্তর্জাতিকভাবে নিজেরাই নিজেদের অবস্থান খারাপ করেছে।
 
  
বিমসটেকের সম্মেলন প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিমসটেক সম্মেলনে আঞ্চলিক সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। আমরা নেতাদের সঙ্গে আলোচনায় বলেছি, বাংলাদেশ বিমসটেকের মতো সহযোগিতামূলক প্লাটফর্মের সঙ্গে কাজ করে যাবে।