পিলখানা ট্র্যাজেডি দিবস আজ
নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪প্রকাশিত : ০১:১৩ পিএম, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ সোমবার
ছবি: সংগৃহীত
তৎকালীন বিডিআর সদর দফতরে সেনা কর্মকর্তাদের নৃশংসভাবে হত্যাযজ্ঞের ১০ বছর পূর্তি আজ, শোকাবহ পিলখানা ট্র্যাজেডি দিবস। ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন বিডিআর (বর্তমানে বিজিবি) সদর দফতরে বিপথগামী সদস্যরা কিছু দাবি-দাওয়া আদায়ের নামে অগ্নিসংযোগ, লুটপাট ও নির্মম হত্যাযজ্ঞের মাধ্যমে তাণ্ডব চালায়।
ওই দু’দিনে তৎকালীন বিডিআরের মহাপরিচালকসহ (ডিজি) ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তা এবং নারী ও শিশু ছাড়াও আরও ১৭ জনকে হত্যা করে বিদ্রোহীরা। দীর্ঘ ১০ বছরেও ওই নির্মম হত্যাকাণ্ডের শোক কাটিয়ে উঠতে পারেননি নিহতদের স্বজনরা।
হাইকোর্টে জমা হওয়া মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি ছিল তৎকালীন বিডিআরের বার্ষিক দরবারের দিন। অনুষ্ঠান শুরু হয় সকাল ৯টায় সদর দফতরের দরবার হলে।
সে সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন মহাপরিচালক (ডিজি) মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদ, উপমহাপরিচালক (ডিডিজি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এমএ বারী, বিভিন্ন ইউনিটের কর্মকর্তাসহ বিডিআরের নানা পদের সদস্যরা। সরকারি তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন অনুসারে, ওই দিন দরবারে উপস্থিত ছিলেন ২ হাজার ৫৬০ জন।
দরবার শুরুর পর মহাপরিচালকের বক্তব্য চলাকালে সকাল ৯টা ২৬ মিনিটে মঞ্চের বাঁ দিকের পেছন থেকে দু’জন বিদ্রোহী জওয়ান অতর্কিতে মঞ্চে প্রবেশ করেন, একজন ছিলেন সশস্ত্র। শুরু হয় বিদ্রোহ। দরবার হলের বাইরে থেকে গুলির আওয়াজ ভেসে আসে।
কিছুক্ষণের মধ্যে লাল-সবুজ রঙের কাপড় দিয়ে নাক-মুখ বাঁধা বিদ্রোহী জওয়ানরা দরবার হল ঘিরে গুলি শুরু করেন। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বিদ্রোহীরা কর্মকর্তাদের দরবার হল থেকে সারিবদ্ধভাবে বের করে আনেন। ডিজির নেতৃত্বে কর্মকর্তারা দরবার হলের বাইরে পা রাখা মাত্র মুখে কাপড় ও মাথায় হলুদ রঙের হেলমেট পরা চারজন ডিজিকে লক্ষ্য করে ব্রাশফায়ার করেন। ডিজির পর হত্যা করা হয় আরও কয়েকজন কর্মকর্তাকে।
এরপর পিলখানার ভেতরে ধ্বংসযজ্ঞ চলতে থাকে। দুপুর সোয়া ১২টার দিকে বিমানবাহিনীর একটি হেলিকপ্টারে করে বিদ্রোহীদের অস্ত্র সমর্পণের আহ্বান জানিয়ে লিফলেট ছাড়া হলে ওই হেলিকপ্টার লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে বিদ্রোহীরা।
এ সময় প্রায় আধা ঘণ্টা ধরে বিদ্রোহীরা এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ে। সন্ধ্যায় পিলখানার বিদ্যুৎ-সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে নিহত সেনা কর্মকর্তাদের লাশ মাটিতে পুঁতে ও সরিয়ে ফেলা হয়।
২৬ ফেব্রুয়ারি বেলা আড়াইটায় টেলিভিশন ও বেতারে প্রচারিত জাতির উদ্দেশে ভাষণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বিদ্রোহীদের অস্ত্র সমর্পণ করে ব্যারাকে ফিরে যেতে হবে। এরপর বিদ্রোহীরা অস্ত্র সমর্পণের সিদ্ধান্ত নেন। সন্ধ্যা ৬টা থেকে বিদ্রোহীরা অস্ত্র সমর্পণ শুরু করেন।
- ফ্রান্স বনাম স্পেন: ৩৭ হাজার কোটি টাকার সেমিফাইনাল
- ফোল্ডিং আইফোন আনছে অ্যাপল, জানুন দাম ও ফিচার
- সকালে লেবুপানি পানে যে উপকার পওয়া যায়
- বর্ষায় নারীদের যে স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ে, সুস্থ থাকবেন যেভাবে
- সেই প্রতারণার মামলায় তানজিন তিশার বিরুদ্ধে সমন জারি
- বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে নারী নেতৃত্ব
- দেশের বাজারে কমলো স্বর্ণের দাম
- বন্যায় প্রাণহানী বেড়ে ৫১, ক্ষতিগ্রস্ত ১০ লাখ মানুষ
- ঢাবির আজকের সব পরীক্ষা স্থগিত, চলবে ক্লাস
- আগামী ৫ বছরে ২৫ কোটি গাছ লাগানো হবে: প্রধানমন্ত্রী
- ব্যাংককের বারে ভয়াবহ আগুন, প্রাণ গেল ২৭ জনের
- ১৭ বছর পর রাজধানীতে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত
- চট্টগ্রামে পাহাড় ধসে ১৩ জনের প্রাণহানী
- দেশজুড়ে আজও অতিভারী বৃষ্টির শঙ্কা
- প্রাথমিকের বৃত্তির ফল প্রকাশ, যেভাবে জানা যাবে
- এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য ডিএমপির জরুরি নির্দেশনা
- মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশের মুকুট জিতলেন সামানজার
- আঝোর বৃষ্টিতে ডুবেছে রাজধানী, দুর্ভোগে নগরবাসী
- আম খেলে কি ওজন বাড়ে?
- সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা, প্রতিপক্ষ কারা
- পদ্মা নদীতে ধরা পড়ল এক মণ ওজনের কাতলা
- কানাডায় গুলিবর্ষণে দুইজন নিহত
- বন্যা-পাহাড়ধসে চট্টগ্রামে ৬ দিনে ৪৩ জনের মৃত্যু
- ঢাকায় বৃষ্টি, জলাবদ্ধতায় জনদুর্ভোগ, কিছু স্কুলে পরীক্ষা বন্ধ
- আগামী ৫ বছরে ২৫ কোটি গাছ লাগানো হবে: প্রধানমন্ত্রী
- ঢাকার বাসা থেকে নারীর মরদেহ উদ্ধার, গ্রেফতার ১
- ম্যারাডোনার রেকর্ড ভাঙলেন মেসি
- ১৭ বছর পর রাজধানীতে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত
- ঢাবির আজকের সব পরীক্ষা স্থগিত, চলবে ক্লাস
- দেশজুড়ে আজও অতিভারী বৃষ্টির শঙ্কা











