ঢাকা, রবিবার ১৯, জুলাই ২০২৬ ২:৪১:৩০ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
কাশিমপুর মহিলা কারাগার থেকে আসামি পলায়ন, বরখাস্ত ৭ ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে মৃত্যু বেড়ে ৫ হাজার ৬৯ ঢাবি অধ্যাপক নাজমুন নাহার মারা গেছেন অস্কারজয়ী প্রথম আইরিশ অভিনেত্রী ফ্রিকার আর নেই এআই ঝুঁকিতে ১২ লাখ পোশাক শ্রমিক, অনিশ্চয়তায় নারীরা চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত বহাল

প্রতিবেশি দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বের মাধ্যমে যে কোন সমস্যার সমাধান সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট: ০৭:২৮ পিএম, ৩ জুন ২০১৫ বুধবার

1427905161স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, উইমেননিউজ২৪.কম, ঢাকা: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আলোচনা বা বন্ধুত্বের মাধ্যমে প্রতিবেশি দেশের সঙ্গে যে কোনো সমস্যার সমাধান সম্ভব। সমুদ্রে অধিকার নিশ্চিত করতে ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে বন্ধুত্ব বজায় রেখে ২০১৪ সালের ৭ জুলাই আন্তর্জাতিক আদালতে মামলার রায় পেয়েছি। প্রতিবেশি দেশের সঙ্গে মামলা করে সমুদ্র অধিকার প্রতিষ্ঠা করলেও তাদের সঙ্গে সম্পর্কের এতটুকু চিড় ধরেনি। ভারতের লোকসভা ও রাজ্যসভায় স্থলসীমান্ত চুক্তি অনুমোদিত হওয়ায় বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের পক্ষ থেকে ভারতের জনগণ এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে মঙ্গলবার সংসদে আনীত প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
স্পিকার ড. শিরিন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের অধিবেশনের শুরুতে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উপস্থাপন ও দিনের অন্যান্য কর্মসূচি স্থগিত রাখার পর কার্যপ্রণালী বিধির আওতায় ধন্যবাদ প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন সংসদের চিফ হুইপ হুইপ আ স ম ফিরোজ। আলোচনা শেষে স্পিকার ধন্যবাদ প্রস্তাবটি ভোটে দিলে তা সর্বসম্মতিক্রমে সংসদে গৃহীত বা পাস হয়।
শেখ হাসিনা তার বক্তব্যে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, লোকসভা ও রাজ্যসভার সকল সদস্য, ভারতের জনগণ, সোনিয়া গান্ধী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ, পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, এ সীমান্ত চুক্তি সম্পাদনের ফলে ছিটমহলবাসী নাগরিকত্ব ও নিশ্চিত জীবনের নিশ্চয়তা পেয়েছে। ১৯৭১ সালে আমরা স্বাধীনতা পেলেও ছিটমহলবাসী তা পায়নি। ৪০ বছর তারা নাগরিকত্ব, স্বাধীনতাবিহীন অনিশ্চিত জীবনযাপন করে আসছিল। এ চুক্তি অনুমোদনের মাধ্যমে তারা নাগরিক অধিকার, ভোটের অধিকার তথা মৌলিক অধিকার ভোগ করার সুযোগ পাবেন। ইতোমধ্যে ছিটমহলবাসীর উন্নয়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৪ সালে এ স্থলসীমান্ত চুক্তি স্বাক্ষর করে গেলেও এতদিন তা বাস্তবে রূপ নেয়নি। বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকলে অনেক আগেই এ চুক্তি বাস্তবায়িত হতো। বঙ্গবন্ধু শুধু চুক্তিই করেননি। তিনি এর জন্য আইনও করে গিয়েছিলেন। পাশাপাশি তিনি সমুদ্র সীমানা আইনও সম্পাদন করে যান। যার কারণে আমরা আন্তর্জাতিক আদালতের মাধ্যমে সমুদ্র সীমায় আমাদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়েছি।
০৪.০৬.২০১৫