ঢাকা, বৃহস্পতিবার ০১, অক্টোবর ২০২৬ ৪:১৪:৫১ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকে যোগ দিতে দিল্লিতে মমতা মেঝে বারান্দা করিডোরেও চিকিৎসা নিতে হচ্ছে ডেঙ্গু রোগীদের জাতীয় কন্যা শিশু দিবস আজ অর্থায়ন কাটছাঁটে ঝুঁকিতে ৮৩ লাখ শরণার্থী: জাতিসংঘ সুপার এল নিনিয়ো: বিশ্বজুড়ে চরম বিপর্যয় ও প্রাণহানির শঙ্কা দুর্গাপূজায় টানা পাঁচ দিনের ছুটি

বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস রচয়িতা আবদুল করিমের মৃত্যুবার্ষিকী আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১০:২৫ এএম, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ বুধবার

সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস রচয়িতা এবং প্রাচীন বাংলা পুঁথির সংগ্রাহক ও ব্যাখ্যাকার আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদের মৃত্যুবার্ষিকী আজ ৩০ সেপ্টেম্বর। 

তিনি ১৮৭১ সালে চট্টগ্রামের পটিয়ার সুচক্রদন্ডী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৮৯৩ সালে পটিয়া উচ্চবিদ্যালয় থেকে এন্ট্রান্স পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। কয়েকটি স্কুলে শিক্ষকতা করার পর তিনি চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনারের অফিসে চাকরি গ্রহণ করেন এবং বিভাগীয় স্কুল পরিদর্শক পদে উন্নীত হন। ১৯৩৪ সালে তিনি অবসরগ্রহণ করেন।

তিনি প্রথম জীবনেই সাহিত্যবিষয়ক নানা নিবন্ধ রচনা শুরু করেন। মধ্যযুগে বাংলা সাহিত্যে মুসলমানদের অবদান ছিল তার বিশেষ আগ্রহের বিষয়। সারা জীবন তিনি প্রাচীন বাংলা পাণ্ডুলিপি (পুথি) সংগ্রহ করেছেন। তিনি ১১টি প্রাচীন বাংলা গ্রন্থ সম্পাদনা ও প্রকাশ করেন। ‘ইসলামাবাদ’ শিরোনামে তিনি চট্টগ্রামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিষয়েও একটি গ্রন্থ রচনা করেন। ড. মুহম্মদ এনামুল হকের সঙ্গে যৌথভাবে তিনি ‘আরাকান রাজসভায় বাঙ্গালা সাহিত্য’ শীর্ষক আরেকটি গ্রন্থ রচনা করেন। তার উল্লেখযোগ্য সম্পাদিত পুথিগুলোর মধ্যে জ্ঞানসাগর, গোরক্ষ বিজয়, মৃগলব্ধ, সারদা মুকুল ইত্যাদি অন্যতম। তিনি আলাওলের ‘পদ্মাবতী’ পুথিরও সম্পাদনা করেন। সাহিত্যে আবদুল করিমের অনন্য অবদানের জন্য নদীয়া সাহিত্য সভা তাকে ‘সাহিত্যসাগর’ এবং চট্টল ধর্মমণ্ডলী তাকে ‘সাহিত্যবিশারদ’ খেতাব প্রদান করে। শেষোক্ত খেতাবটি তিনি নামের সঙ্গে ব্যবহার করতেন।

আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ সম্পাদিত একটি গ্রন্থের ভূমিকায় তার সম্পর্কে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী লিখেছিলেন, ‘তিনি এই দুর্লভ গ্রন্থের সম্পাদন কার্যে যেরূপ পরিশ্রম, যেরূপ কৌশল, যেরূপ সহৃদয়তা ও যেরূপ সূক্ষ্মদর্শিতা প্রদর্শন করিয়াছেন, তাহা সমস্ত বাংলায় কেন, সমস্ত ভারতেও বোধহয় সচরাচর মিলে না। এক-একবার মনে হয় যেন কোনো জর্মান এডিটার এই গ্রন্থ সম্পাদন করিয়াছেন।’ আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ ১৯৫৩ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর মৃত্যুবরণ করেন।