ঢাকা, সোমবার ০৬, জুলাই ২০২৬ ১২:৪৩:২৭ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত যুক্তরাষ্ট্রে তীব্র দাবদাহে অন্তত ২৫ জনের মৃত্যু অবসরের ঘোষণা দিলেন নেইমার কক্সবাজারে পাহাড় ধসে নারী-শিশুসহ ৯ জনের মৃত্যু মেক্সিকোকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ড ব্রাজিলকে বিদায় করে কোয়ার্টার ফাইনালে নরওয়ে

বিশ্বব্যাপী করোনা আতঙ্ক, মৃত্যু ছাড়ালো ১০ হাজার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১১:৪০ এএম, ২০ মার্চ ২০২০ শুক্রবার

ছবি: ইন্টারনেট

ছবি: ইন্টারনেট

নভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা প্রতি মুহূর্তেই বাড়ছে। বিশ্বে এখন এই ভাইরাসে সংক্রমিত মানুষের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৪৩ হাজারে। শুক্রবার জন হপকিন্স ইউনিভার্সিটির বরাত দিয়ে সিএনএন এ তথ্য জানিয়েছে।

সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, প্রাণঘাতী এই ভাইরাসে সারাবিশ্বে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৪৩ হাজার। এতে এখন পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ১০ হাজারের বেশি মানুষের।

গত ডিসেম্বরে চীনের হুবেই প্রদেশের উহানে প্রথম করোনার অস্তিত্ব ধরা পড়ে; এরপর তা ছড়িয়ে পড়েছে সারাবিশ্বে।

প্রথম দিকে চীনে মৃত্যুহার ও আক্রান্তের সংখ্যা রেকর্ড গড়লেও সম্প্রতি তা নিয়ন্ত্রণে এনেছে দেশটি। তবে এই মুহূর্তে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা ইউরোপের দেশ ইতালিতে। প্রতিদিনই সেখানে নতুন নতুন রেকর্ড তৈরি হচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সেদেশে আরও ৪২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে ইতালিতে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে তিন হাজার ৪০৫ জনে। একইসঙ্গে ইউরোপের দেশটিতে এই সময়ে নতুন করে কোভিড-১৯ রোগে আক্রান্ত হয়েছেন পাঁচ হাজার ৩২২ জন। এ নিয়ে মোট আক্রন্ত হয়েছেন ৪১ হাজার ৩৫ জন।

এ হিসেবে ভাইরাসটির উৎপত্তিস্থল চীনের কোভিড-১৯ রোগীর মৃত্যু সংখ্যা ছাড়িয়ে গেছে ইতালি। করোনা ভাইরাসে বিপর্যস্ত চীনে এ পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে তিন হাজার ২৪৫ জনের।

সার্স ও মার্স পরিবারের সদস্য করোনাভাইরাসের সংক্রমণে ফ্লুর মতো উপসর্গ নিয়ে যে রোগ হচ্ছে তাকে বলা হচ্ছে কভিড-১৯। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, এখন পর্যন্ত এ রোগে মৃত্যুহার ৩.৪ শতাংশ, যেখানে মৌসুমি ফ্লুতে মৃত্যুহার থাকে ১ শতাংশের নিচে। তবে করোনায় ৯ বছরের নিচের কেউ মারা যায়নি। প্রবীণদের মধ্যেই মৃত্যুহার বেশি।

করোনাভাইরাস মূলত শ্বাসতন্ত্রে সংক্রমণ ঘটায়। এর লক্ষণ শুরু হয় জ্বর দিয়ে, সঙ্গে থাকতে পারে সর্দি, শুকনো কাশি, মাথাব্যথা, গলাব্যথা ও শরীর ব্যথা। সপ্তাহখানেকের মধ্যে দেখা দিতে পারে শ্বাসকষ্ট। উপসর্গগুলো হয় অনেকটা নিউমোনিয়ার মতো। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভালো হলে এ রোগ কিছুদিন পর এমনিতেই সেরে যেতে পারে। তবে ডায়াবেটিস, কিডনি, হৃদযন্ত্র বা ফুসফুসের পুরোনো রোগীদের ক্ষেত্রে ডেকে আনতে পারে মৃত্যু।

করোনাভাইরাসের কোনো টিকা বা ভ্যাকসিন এখনও তৈরি হয়নি। ফলে এমন কোনো চিকিৎসা এখনও মানুষের জানা নেই, যা এ রোগ ঠেকাতে পারে। আপাতত একমাত্র উপায় হলো আক্রান্তদের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলা।

-জেডসি