ঢাকা, শনিবার ১৮, জুলাই ২০২৬ ১৪:১৮:৪৯ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
কাশিমপুর মহিলা কারাগার থেকে আসামি পলায়ন, বরখাস্ত ৭ ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে মৃত্যু বেড়ে ৫ হাজার ৬৯ ঢাবি অধ্যাপক নাজমুন নাহার মারা গেছেন অস্কারজয়ী প্রথম আইরিশ অভিনেত্রী ফ্রিকার আর নেই এআই ঝুঁকিতে ১২ লাখ পোশাক শ্রমিক, অনিশ্চয়তায় নারীরা চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত বহাল

মাদার তেরেসার উত্তরসূরি সিস্টার নির্মলা আর নেই

আপডেট: ১২:০৪ পিএম, ২৩ জুন ২০১৫ মঙ্গলবার

2015-06-23_3_296420উইমেননিউজ ডেস্ক, ঢাকা : ভারতের পূর্বাঞ্চলের কলকাতা নগরীতে মিশনারিজ অব চ্যারিটির সাবেক প্রধান ও মাদার তেরেসার উত্তরসূরি সিস্টার নির্মলা আর নেই। সোমবার দিবাগত রাত ১২টা নাগাদ তিনি মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮১ বছর। মঙ্গলবার সকালে তার মৃতদেহ শিয়ালদহের কাছে সেন্ট জন্স গির্জায় রাখা হয়েছে। সারা দিন সেখানে তার লাশ শায়িত থাকবে। বুধবার সকাল ১০টায় মাদার হাউসে তার মরদেহ রাখা হবে। ওই দিন বিকেল ৪ টায় সেন্ট জন্স গির্জায় তার শেষকৃত্যানুষ্ঠান হবে বলে মাদার হাউজ সূত্র জানিয়েছে। সিস্টার নির্মলার মৃত্যুতে টুইটারে শোকবার্তা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও টুইটারে শোক জানিয়েছেন। তিনি বলেন, কলকাতাসহ গোটা দুনিয়া সিস্টার নির্মলার অভাব বোধ করবে। ১৯৯৭ সালে মাদার তেরেসা প্রতিষ্ঠিত মিশনারিজ অব চ্যারিটি পরিচালনার দায়িত্ব পান নির্মলা। ওই বছরের ১৩ মার্চ প্রতিষ্ঠানের সুপিরিয়র জেনারেলের পদে তিনি নির্বাচিত হন। ২০০৯ সালের মার্চ পর্যন্ত সিস্টার নির্মলা সেই দায়িত্ব পালন করেন। তার আগে দীর্ঘ দিন ওই পদের দায়িত্ব সামলেছেন মাদার তেরেসা। সুপিরিয়র জেনারেল হয়ে সিস্টার নির্মলা জানিয়ে দিয়েছিলেন, মাদারের পথ অনুসরণ করলেও তিনি ‘মাদার’ উপাধি নেবেন না। ২০০৯ সালে তিনি পদ্মবিভূষণ সম্মান পান। ২০০৯ সালের এপ্রিলে সিস্টার নির্মলার উত্তরসূরি নির্বাচিত হন সিস্টার মেরি প্রেমা। সিস্টার নির্মলার জন্ম ১৯৩৪ সালের ২৩ জুলাই রাঁচিতে। তার বাবা মহানন্দ জোশী আদতে নেপালের লোক হলেও পরে ভারতীয় সামরিক বাহিনীতে যোগ দেন। পাটনা কলেজে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে অনার্স সম্পন্ন করার পর নির্মলা আইন নিয়েও পড়াশোনা করেন। ১৯৫৮ সালে তিনি মিশনারিজ অব চ্যারিটিতে যোগ দেন। তিন বছর পর সিস্টার হন তিনি। ভারতের বাইরে ভেনিজুয়েলায় মিশনারিজ অব চ্যারিটির প্রথম শাখা খোলার বিষয়ে তার ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য। ১৯৭৬ সালে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের আধ্যাত্মিক শাখায় যোগ দেন। পরবর্তীকালে তিনি দীর্ঘ দিন এই শাখার প্রধানের দায়িত্ব পালন করেন। ২৩.০৬.২০১৫