ঢাকা, সোমবার ১৩, জুলাই ২০২৬ ১৯:৫০:০৫ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
বন্যায় প্রাণহানী বেড়ে ৫১, ক্ষতিগ্রস্ত ১০ লাখ মানুষ আগামী ৫ বছরে ২৫ কোটি গাছ লাগানো হবে: প্রধানমন্ত্রী ব্যাংককের বারে ভয়াবহ আগুন, প্রাণ গেল ২৭ জনের ১৭ বছর পর রাজধানীতে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত দেশজুড়ে আজও অতিভারী বৃষ্টির শঙ্কা

মুক্তিকামী মানুষের প্রেরণার উৎস ৭ মার্চের ভাষণ: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৮:১৮ পিএম, ৭ মার্চ ২০১৯ বৃহস্পতিবার

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণে এখনও সব মানুষের প্রেরণার উৎস উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ৭ মার্চের ভাষণে বঙ্গবন্ধু তুলে ধরেছিলেন বাঙালি জাতির অধিকারের কথা। ত্যাগ স্বীকারের মহান প্রেরণা পাওয়া যায় তার এই ভাষণে। যে কারণে তার নেতৃত্বে সমগ্র জাতি ঐক্যবদ্ধ হয়ে যুদ্ধের ময়দানে নামে। মুক্তিকামী সব মানুষের জন্য প্রেরণা ছিল ৭ মার্চের এই ভাষণ।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের ওপর আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুর এই ভাষণ যুগের পর যুগ চলছে, চলবে। তার ঐতিহাসিক ভাষণ এখনও মানুষের মধ্যে অনুপ্রেরণা যোগায়। ।

৭৫ এর পরে বঙ্গবন্ধুর নাম, ছবি ও ভাষণ নিষিদ্ধ কেন ছিল? এমন প্রশ্ন রেখে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী পছন্দ করে নাই বলেই এই ভাষণ নিষিদ্ধ করেছিল জিয়াউর রহমান। আর সেটাই অনুসরণ করে গেছে একের পর এক যারা এসেছিল।

নিষিদ্ধ করলেও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা কিন্তু পিছিয়ে থাকেনি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সারা বাংলাদেশে ৭মার্চ আসলে গ্রামে-গঞ্জে, হাটে-বাজারে সব জায়গায় এই ভাষণ বাজানো শুরু হলো। এই ভাষণ বাজাতে গিয়ে আওয়ামী লীগের বহু নেতাকর্মী জীবন দিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রেসকোর্স ময়দানে দিকনির্দেশনামূলক ভাষণের মাধ্যমে অসহযোগ আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করে, একটি জাতিকে যুদ্ধে এনে বিজয় করতে পেরেছিলেন- যা ইতিহাসে একটি বিরল ঘটনা। তার এই ভাষণ সর্বশ্রেষ্ঠ।

তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণ সরাসরি সম্প্রচার করতে দেয়নি তখনকার পাকিস্তান সরকার। আজ সেই ভাষণ অমূল্য বিশ্বসম্পদ ও ঐতিহ্য হিসেবে তালিকাভুক্ত করে, তা সংরক্ষণ করার এবং বিশ্বকে জানানোর দায়িত্ব নিয়েছে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা (ইউনেসকো)।

বঙ্গবন্ধু কন্যা বলেন, সত্যকে কেউ অস্বীকার করে মুছে ফেলতে পারে না। জাতির পিতা যে কথা বলে গিয়েছিলেন, আমাদের কেউ দাবায়ে রাখতে পারবা না”। ষড়যন্ত্রকারীরা, খুনিরা এখনও আমাদের দাবায়ে রাখতে পারে নাই, পারবে না।

-জেডসি