ঢাকা, বুধবার ১৫, জুলাই ২০২৬ ২২:০২:১৪ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
শেখ হাসিনা ও ১০ শিল্প গ্রুপের ৭৬ হাজার কোটি টাকার সম্পদ জব্দ সাবেক ব্রিটিশ মন্ত্রী উইডিকম্বকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে:পুলিশ শিক্ষার্থীদের প্রতিবছর একটি করে গাছ লাগানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ২৫ ঘণ্টা পর রাজশাহী থেকে বাস চলাচল স্বাভাবিক ফের বাড়ছে তিস্তা-দুধকুমার নদের পানি, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত রাজধানীতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় অভিমুখে লংমার্চের ঘোষণা ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ

মৎস্য খাতে ১৪ লাখ নারী কর্মরত

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪.কম

আপডেট: ০১:৫৭ পিএম, ২৬ এপ্রিল ২০১৮ বৃহস্পতিবার

দেশে ১৪ লাখ নারীসহ প্রায় দুই কোটি মানুষ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মৎস্য খাতের ওপর নির্ভর করে জীবিকা নির্বাহ করছে। এ খাতে প্রতিবছর ছয় লক্ষাধিক লোকের নতুন কর্মসংস্থান হচ্ছে। সংসদীয় কমিটিতে মন্ত্রণালয়ের পাঠানো এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

 

অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি রপ্তানির লক্ষ্যে নানামুখী পদক্ষেপ নেওয়ার ফলে বাংলাদেশ এরই মধ্যে মাছ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে। আর চলতি অর্থবছরে মৎস্য খাতের আয় দেশের মোট কৃষিজ আয়ের ২৫ শতাংশ ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

 

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর ২০০৯-১০ অর্থবছরে মৎস্য উৎপাদন ছিল ২৮ দশমিক ৯৯ লাখ মেট্রিক টন, ২০১০-১১ অর্থবছরে ৩০ দশমিক ৬২ লাখ টন, ২০১৪-১৫ অর্থবছরে ৩৬ দশমিক ৮৪ লাখ টন, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে উৎপাদন হয়েছে ৩৮ দশমিক ৭৮ লাখ টন এবং ২০১৬-১৭ অর্থবছরে উৎপাদন হয়েছে ৪১ দশমিক ৩৪ লাখ টন। আর চলতি ২০১৭-১৮ অর্থবছরের প্রথম আট মাসেই মাছের উৎপাদন ৪২ লাখ টন ছাড়িয়েছে।

 

মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, বর্তমান সরকার মাছের উৎপাদন বাড়াতে সমাজভিত্তিক মৎস্য চাষ কার্যক্রম সম্প্রসারণ, খাস জলাশয়ে মৎস্যজীবীদের প্রবেশাধিকার নিশ্চিত, বিল নার্সারি কার্যক্রম গ্রহণ ও মুক্ত জলাশয়ে মাছের পোনা অবমুক্ত, মৎস্য অভয়াশ্রম সৃষ্টি, ঘের ও খাচায় মাছ চাষ কার্যক্রম সম্প্রসারণ, ভরাট হয়ে যাওয়া নদী পুনঃখনন করে মাছের আবাসস্থল পুনরুদ্ধার এবং গবেষণার মাধ্যমে উন্নত প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও সম্প্রসারণে কাজ করছে।

 

সূত্র আরো জানায়, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট থেকে বিপন্ন প্রজাতির মহাশোল, চিতল, ফলি, টেংরা ও গুতুম মাছের পোনা উৎপাদন ও চাষ, কই মাছের রোগ নিরাময়ে ভ্যাকসিন তৈরি, অ্যাকোয়াপনিক পদ্ধতিতে স্বাস্থ্যসম্মত মাছ উৎপাদনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

 

এ ছাড়া নোনাপানির টেংরা ও পারশে মাছের পোনা উৎপাদন, অপ্রচলিত মৎস্য সম্পদ—যেমন কুচিয়া ও কাঁকড়ার পোনা উৎপাদন ও চাষ, মিঠা পানির ঝিনুকে ইমেজ মুক্তা উৎপাদন, সাগর উপকূলে সি-উইড চাষ ও এর ব্যবহার, বিএফআরআই মেকানিক্যাল ফিশ ড্রায়ার ব্যবহারের মাধ্যমে গুণগতমানসম্পন্ন শুঁটকি মাছ উৎপাদন এবং ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি ও সংরক্ষণে অভয়াশ্রম প্রতিষ্ঠাবিষয়ক প্রযুক্তি উদ্ভাবন করা হয়েছে। এ সব কারণেও মাছের উৎপাদন বাড়ছে।