ঢাকা, শনিবার ২৪, অক্টোবর ২০২৬ ১৩:২০:২৩ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
সৌদিতে বাংলাদেশি নারী কর্মীদের সুরক্ষার ব্যবস্থা কতটা আছে মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে বাস খাদে,৩জনের প্রাণহানী কমছে না পোলাওর চাল ও আটা-ময়দার দাম ঢাকা-কক্সবাজার রুটে ২৬ অক্টোবর থেকে চলবে মহানগর এক্সপ্রেস তিব্বতে ৭ মাত্রার ভূমিকম্প: নিহত ১৬, আহত অর্ধশতাধিক অপ্রতীম হত্যা মামলার চার্জশিট দাখিল এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় আনা সেই রাবি শিক্ষার্থী আর নেই

যে কারণে স্বেচ্ছায় করোনা সংক্রমিত হচ্ছেন তারা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১১:৩০ এএম, ২৮ জানুয়ারি ২০২২ শুক্রবার

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হতে স্বেচ্ছায় এগিয়ে এসেছেন ব্রিটেনের এক দল নাগরিক। গবেষকদের ডাকে সাড়া দিয়ে নিজেদের শরীরে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঘটাতে রাজি তারা। ভবিষ্যতে কোভিড টিকার কার্যকারিতা বাড়াতে এই পরীক্ষা শুরু করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা।

এর আগে বিভিন্ন ছোঁয়াচে রোগের ক্ষেত্রে মানবদেহে পরীক্ষা করা হলেও কোভিডের বিরুদ্ধে তা এই প্রথম বলে জানিয়েছেন তারা।

গত এপ্রিল থেকেই ব্রিটেনে এই পরীক্ষা শুরু করা হয়েছে বলে জানিয়েছে অক্সফোর্ড। মঙ্গলবার এক বিবৃতি দিয়ে ব্রিটেনের ওই বিশ্ববিদ্যালয় জানিয়েছে, চ্যালেঞ্জ ট্রায়াল নামে পরিচিত এই পরীক্ষা ভবিষ্যতে আরও দ্রুত এবং কার্যকরী কোভিড টিকা তৈরি করতে সাহায্য করবে।
ট্রায়ালের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে এমন স্বেচ্ছাসেবকদের যাদের আগেই কোভিডে সংক্রমিত হয়েছেন। অথবা তারা কোভিডের দু’টি টিকা নিয়ে ফেলেছেন। এই মুহূর্তে চ্যালেঞ্জ ট্রায়ালটি প্রাথমিক পর্বে রয়েছে বলে জানিয়েছেন গবেষকরা। মানবদেহে কোভিডের সংক্রমণ ঘটাতে কত পরিমাণ ভাইরাস প্রয়োজন, তা প্রথম পর্বে দেখা হবে। এর পরের পর্যায়ে গবেষকদের লক্ষ্য, ওই সংক্রমণের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলতে মানবদেহে কত মাত্রায় টি-সেল বা অ্যান্টিবডি জরুরি। 

অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ভ্যাকসিনোলজির অধ্যাপক তথা এই ট্রায়ালের প্রধান হেলেন ম্যাকশেন বলেন, ‘‘করোনাভাইরাসের হাত থেকে মুক্তি পেতে মানবদেহে কতটা প্রতিরোধ ক্ষমতা জরুরি, তা জানার পর আমরা সেই মাত্রায় অ্যান্টিবডি নতুন কোভিড টিকায় যোগ করতে পারব।”

পরীক্ষা চলাকালীন কোভিডে আক্রান্ত হওয়ার ফলে স্বেচ্ছাসেবকেরা যাতে জীবনের ঝুঁকি দেখা না দেয়, সেদিকেও লক্ষ্য রাখা হচ্ছে বলে দাবি গবেষকদের। তারা জানিয়েছেন, চ্যালেঞ্জ ট্রায়ালের স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে ১৮ থেকে ৩০ বছর বয়সী সুস্থসবলদের বেছে নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, তাদের বাধ্যতামূলকভাবে অন্তত ১৭ দিনের নিভৃতবাসে থাকতে হবে। কোনও উপসর্গ দেখা দিলেও স্বেচ্ছাসেবকদের মোনোক্লোনাল অ্যান্টিবডি ট্রিটমেন্ট করানো হবে বলেও জানিয়েছেন অক্সফোর্ডের গবেষকেরা। সূত্র: রয়টার্স, সাইপ্রাস মেইল, বিজনেস ইনসাইডার