ঢাকা, বৃহস্পতিবার ১৬, জুলাই ২০২৬ ৪:৪০:৪৬ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
শেখ হাসিনা ও ১০ শিল্প গ্রুপের ৭৬ হাজার কোটি টাকার সম্পদ জব্দ সাবেক ব্রিটিশ মন্ত্রী উইডিকম্বকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে:পুলিশ শিক্ষার্থীদের প্রতিবছর একটি করে গাছ লাগানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ২৫ ঘণ্টা পর রাজশাহী থেকে বাস চলাচল স্বাভাবিক ফের বাড়ছে তিস্তা-দুধকুমার নদের পানি, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত রাজধানীতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় অভিমুখে লংমার্চের ঘোষণা ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ

রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শায়িত মুক্তিযোদ্ধা কাঁকন বিবি

| উইমেননিউজ২৪.কম

আপডেট: ০৯:৩২ পিএম, ২৪ মার্চ ২০১৮ শনিবার

 

একাত্তরে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সম্মুখ যুদ্ধে অংশ নিয়ে মৌখিকভাবে বীরপ্রতীক খেতাব পাওয়া মুক্তিযোদ্ধা নুরজাহান কাঁকন বিবিকে সুনামগঞ্জের ছাতক-দোয়ারাবাজার এলাকায় রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সমাহিত করা হয়েছে।

বুধবার রাত সাড়ে ১১টায় সিলেট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বার্ধক্যজনিত রোগে আক্রন্ত হয়ে মারা যান মুক্তিযুদ্ধে অসামন্য অবদান রাখা এই নারী।

বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৩টায় দোয়ারাবাজার উপজেলার লক্ষিপুর খেলার মাঠে বীরাঙ্গনা তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

তার সহযোদ্ধা, স্বজন, শুভানুধ্যায়ীরা চোখের জলে বিদায় দেন তাকে। এর আগে তার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে মরদেহে পুষ্পার্ঘ অর্পণ করে বিভিন্ন প্রশাসনসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতারা।

পুলিশের একটি চৌকস দল বিউগলে করুণ সুর তুলে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা প্রদান করে তাকে। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মো. সাবিরুল ইসলাম, পুলিশ সুপার মো. বরকতুল্লাহ খান, উপজেলা চেয়ারম্যান ইদ্রিস আলী বীর প্রতীক, জেলা আওয়ামী লীগ নেতা শামীম আহমদ চৌধুরী প্রমুখ।

পরে জিরারগাঁওয়ে কাকঁন বিবিকে গ্রামের বাড়ির আঙিনায় দাফন করা হয়।

কাকন বিবির জন্ম ১৯১৫ সালে। অবিভক্ত ভারতের মেঘালয়ের নেত্রাই হাসিয়া পল্লীতে তিনি জন্মেছিলেন। কাকন বিবির স্বামী সাঈদ আলীও প্রয়াত। তার গ্রামের বাড়ি সুনামগঞ্জের দোয়ারবাজার থানার জিরারগাঁও গ্রামে।

১৯৭১ সালে তিন দিন বয়সী মেয়ে সখিনাকে রেখে যুদ্ধে চলে যান কাকন বিবি। কাকন বিবি প্রায় ২০টি যুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে জুনে পাকিস্তানি বাহিনীর কাছে ধরা পড়েন তিনি। বাঙ্কারে আটকে দিনের পর দিন তাকে নির্যাতন করে পাকিস্তানি সেনারা। ছাড়া পেয়ে মুক্তিযোদ্ধা রহমত আলীর কাছে অস্ত্র চালনার প্রশিক্ষণ নেন। রহমত আলীর দলের সদস্য হয়ে সশস্ত্র যুদ্ধ করেন তিনি। একইসঙ্গে চালিয়ে যান গুপ্তচরের কাজ।

১৯৭১ সালের নভেম্বর মাসে টেংরাটিলার সম্মুখযুদ্ধে কয়েকটি গুলি তার শরীরে বিদ্ধ হয়। উরুতে কয়েকটি গুলির দাগ এখনো আছে। তিনি নয়টি সম্মুখযুদ্ধে অংশ নেন। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য ১৯৯৬ সালে তাকে বীরপ্রতীক উপাধিতে ভূষিত করে শেখ হাসিনা সরকার।

তাকে বীর প্রতীক খেতাবে ভূষিত করা হলেও তা এখনও কার্যকর হয়নি। তার জানাজায় অংশ নেয়া মুক্তিযোদ্ধারা এই ঘোষণা কার্যকর করে তার বীরপ্রতীক খেতাব কার্যকর করার দাবি জানান।

 

এই বিভাগের জনপ্রিয়