রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শায়িত মুক্তিযোদ্ধা কাঁকন বিবি
| উইমেননিউজ২৪.কমআপডেট: ০৯:৩২ পিএম, ২৪ মার্চ ২০১৮ শনিবার
একাত্তরে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সম্মুখ যুদ্ধে অংশ নিয়ে মৌখিকভাবে বীরপ্রতীক খেতাব পাওয়া মুক্তিযোদ্ধা নুরজাহান কাঁকন বিবিকে সুনামগঞ্জের ছাতক-দোয়ারাবাজার এলাকায় রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সমাহিত করা হয়েছে।
বুধবার রাত সাড়ে ১১টায় সিলেট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বার্ধক্যজনিত রোগে আক্রন্ত হয়ে মারা যান মুক্তিযুদ্ধে অসামন্য অবদান রাখা এই নারী।
বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৩টায় দোয়ারাবাজার উপজেলার লক্ষিপুর খেলার মাঠে বীরাঙ্গনা তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
তার সহযোদ্ধা, স্বজন, শুভানুধ্যায়ীরা চোখের জলে বিদায় দেন তাকে। এর আগে তার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে মরদেহে পুষ্পার্ঘ অর্পণ করে বিভিন্ন প্রশাসনসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতারা।
পুলিশের একটি চৌকস দল বিউগলে করুণ সুর তুলে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা প্রদান করে তাকে। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মো. সাবিরুল ইসলাম, পুলিশ সুপার মো. বরকতুল্লাহ খান, উপজেলা চেয়ারম্যান ইদ্রিস আলী বীর প্রতীক, জেলা আওয়ামী লীগ নেতা শামীম আহমদ চৌধুরী প্রমুখ।
পরে জিরারগাঁওয়ে কাকঁন বিবিকে গ্রামের বাড়ির আঙিনায় দাফন করা হয়।
কাকন বিবির জন্ম ১৯১৫ সালে। অবিভক্ত ভারতের মেঘালয়ের নেত্রাই হাসিয়া পল্লীতে তিনি জন্মেছিলেন। কাকন বিবির স্বামী সাঈদ আলীও প্রয়াত। তার গ্রামের বাড়ি সুনামগঞ্জের দোয়ারবাজার থানার জিরারগাঁও গ্রামে।
১৯৭১ সালে তিন দিন বয়সী মেয়ে সখিনাকে রেখে যুদ্ধে চলে যান কাকন বিবি। কাকন বিবি প্রায় ২০টি যুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে জুনে পাকিস্তানি বাহিনীর কাছে ধরা পড়েন তিনি। বাঙ্কারে আটকে দিনের পর দিন তাকে নির্যাতন করে পাকিস্তানি সেনারা। ছাড়া পেয়ে মুক্তিযোদ্ধা রহমত আলীর কাছে অস্ত্র চালনার প্রশিক্ষণ নেন। রহমত আলীর দলের সদস্য হয়ে সশস্ত্র যুদ্ধ করেন তিনি। একইসঙ্গে চালিয়ে যান গুপ্তচরের কাজ।
১৯৭১ সালের নভেম্বর মাসে টেংরাটিলার সম্মুখযুদ্ধে কয়েকটি গুলি তার শরীরে বিদ্ধ হয়। উরুতে কয়েকটি গুলির দাগ এখনো আছে। তিনি নয়টি সম্মুখযুদ্ধে অংশ নেন। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য ১৯৯৬ সালে তাকে বীরপ্রতীক উপাধিতে ভূষিত করে শেখ হাসিনা সরকার।
তাকে বীর প্রতীক খেতাবে ভূষিত করা হলেও তা এখনও কার্যকর হয়নি। তার জানাজায় অংশ নেয়া মুক্তিযোদ্ধারা এই ঘোষণা কার্যকর করে তার বীরপ্রতীক খেতাব কার্যকর করার দাবি জানান।
- নির্বাসনের অবসান, কলকাতায় তসলিমা
- শেখ হাসিনা ও ১০ শিল্প গ্রুপের ৭৬ হাজার কোটি টাকার সম্পদ জব্দ
- `সাবেক ব্রিটিশ মন্ত্রী উইডিকম্বকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে`
- সেনাবাহিনীর মেডিক্যাল কোরে অফিসার ক্যাডেট পদে চাকরি
- সম্পর্কে দূরত্ব বাড়ে ছোট্ট যে ভুলে, বদলান অভ্যাস
- শিক্ষার্থীদের প্রতিবছর একটি করে গাছ লাগানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
- ২৫ ঘণ্টা পর রাজশাহী থেকে বাস চলাচল স্বাভাবিক
- মেসি-এমবাপে কে জিতবেন গোল্ডেন বুট?
- প্রয়োজন ছাড়াই অ্যান্টিবায়োটিক খাচ্ছেন? হতে পারে ভয়ংকর ক্ষতি
- এবার পর্দায় ভিলেন হতে চান পূর্ণিমা
- ফের বাড়ছে তিস্তা-দুধকুমার নদের পানি, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত
- সমুদ্র বন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত
- ৩ মাসের শিশুর পা মোচড় দেওয়া চাচি পলাতক, আটক ৩
- রাজধানীতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় অভিমুখে লংমার্চের ঘোষণা
- ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ
- ৩ মাসের শিশুর পা মোচড় দেওয়া চাচি পলাতক, আটক ৩
- সায়েন্সল্যাব মোড়ে শিক্ষার্থীদের অবরোধ
- ঢাকার পানি নামার ৪১ স্লুইসগেটের ২২টিই অচল
- ‘বউ’ বানানোর নামে নারীদের চীনে পাচার
- জলাবদ্ধতায় চলাচলে যেসব ভুলে ঘটতে পারে দুর্ঘটনা, সতর্ক হোন
- ফ্রান্সকে বিদায় করে ফাইনালে স্পেন
- ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ
- রাজশাহীর সঙ্গে সারা দেশের বাস চলাচল বন্ধ
- টানা বৃষ্টিতেও ঢাকার বাতাস ‘অস্বাস্থ্যকর’
- মাদক বহনকারীরাই ধরা পড়ে, কারবারিরা সংসদে যায়
- রাজধানীতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় অভিমুখে লংমার্চের ঘোষণা
- মেসি-এমবাপে কে জিতবেন গোল্ডেন বুট?
- বন্যা ও পাহাড় ধসে সাত জেলায় প্রাণহানি বেড়ে ৫৪
- ফের বাড়ছে তিস্তা-দুধকুমার নদের পানি, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত
- শিক্ষার্থীদের প্রতিবছর একটি করে গাছ লাগানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর











