ঢাকা, মঙ্গলবার ১৩, অক্টোবর ২০২৬ ৫:২৪:২৪ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
কন্যাশিশুর প্রতি সব ধরনের বৈষম্য রোধে সচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান পূজার ছুটিতে যেসব এলাকায় ব্যাংক খোলা থাকবে সাবেক সেনা কর্মকর্তা গুলশান আরা ও দেবাশীষ কুমার গ্রেপ্তার নারী শিক্ষার অগ্রদূত কবি কামিনী রায়ের জন্মদিন আজ দুর্গাপূজায় চলবে তিন জোড়া বিশেষ ট্রেন সাজেক পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা তাজমিন হত্যা: হোটেল কর্মচারী রাজু আটক সিলেটে জমে উঠেছে পূজার কেনাকাটা বাড়ল তেল ও চালের দাম, দিশেহারা ক্রেতারা

আজ বিশ্ব আর্থ্রাইটিস দিবস

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৯:৫৫ এএম, ১২ অক্টোবর ২০২৬ সোমবার

সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

আর্থ্রাইটিস বা বাতজনিত রোগ সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, দ্রুত রোগ শনাক্তকরণ এবং যথাযথ চিকিৎসার গুরুত্ব তুলে ধরতে আজ ১২ অক্টোবর পালিত হচ্ছে বিশ্ব আর্থ্রাইটিস দিবস। বিশ্বজুড়ে দিবসটি উপলক্ষে বাতজনিত ও পেশি-হাড়ের রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের সমস্যা, চিকিৎসা এবং জীবনমান উন্নয়নের বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হচ্ছে।


ইউরোপিয়ান অ্যালায়েন্স অব অ্যাসোসিয়েশনস ফর রিউমাটোলজি (ইউলার) এর তথ্য অনুযায়ী, ১৯৯৬ সালে বিশ্ব আর্থ্রাইটিস দিবস চালু হয়। বাতজনিত ও পেশি-হাড়ের রোগ মানুষের দৈনন্দিন জীবন, কর্মক্ষমতা এবং সামাজিক অংশগ্রহণে কী ধরনের প্রভাব ফেলে, সে বিষয়ে সচেতনতা তৈরি করা দিবসটির অন্যতম লক্ষ্য।


আর্থ্রাইটিস বলতে মূলত অস্থিসন্ধির প্রদাহ এবং এ-সম্পর্কিত বিভিন্ন রোগকে বোঝায়। এসব রোগে জয়েন্টে ব্যথা, ফোলা, শক্তভাব এবং স্বাভাবিক নড়াচড়ায় অসুবিধা দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর অনেকের জয়েন্টে শক্তভাব বেশি অনুভূত হয়।


রোগের ধরন অনুযায়ী আর্থ্রাইটিসের লক্ষণ ও জটিলতা ভিন্ন হতে পারে। এ রোগ শুধু বয়স্কদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; শিশু-কিশোর ও তরুণদেরও নির্দিষ্ট কিছু ধরনের আর্থ্রাইটিস হতে পারে। সময়মতো চিকিৎসা না নিলে কিছু ক্ষেত্রে জয়েন্টের স্থায়ী ক্ষতি ও দৈনন্দিন কাজকর্মে সীমাবদ্ধতা তৈরি হতে পারে।


বিশেষজ্ঞদের মতে, জয়েন্টে দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা, ফোলা কিংবা শক্তভাব দেখা দিলে অবহেলা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ শনাক্ত করা গেলে উপযুক্ত চিকিৎসা ও নিয়মিত পরিচর্যার মাধ্যমে অনেক ক্ষেত্রে উপসর্গ নিয়ন্ত্রণ, জয়েন্টের ক্ষতি কমানো এবং স্বাভাবিক জীবনযাপন বজায় রাখা সম্ভব।


রোগের ধরন ও রোগীর শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় ওষুধ, নিয়মিত শরীরচর্চা, ফিজিওথেরাপি এবং জীবনযাত্রায় পরিবর্তন চিকিৎসার অংশ হতে পারে। পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখা ও চিকিৎসকের নির্দেশনা মেনে চলাও গুরুত্বপূর্ণ। তবে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ব্যথানাশক ওষুধ সেবন কিংবা নির্ধারিত চিকিৎসা বন্ধ করা উচিত নয়।


বিশ্ব আর্থ্রাইটিস দিবসের মূল লক্ষ্য হলো, জয়েন্টের ব্যথাকে বয়সজনিত স্বাভাবিক সমস্যা ভেবে উপেক্ষা না করা এবং রোগ সম্পর্কে সঠিক তথ্য মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া। সচেতনতা বৃদ্ধি, দ্রুত রোগ শনাক্তকরণ ও যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত করা গেলে আর্থ্রাইটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি সম্ভব।