ঢাকা, শনিবার ০৬, জুন ২০২০ ২২:৫৬:৩৪ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
রাজধানীতে করোনা চিকিৎসায় ৩শ শয্যার হাসপাতাল উদ্বোধন চট্টগ্রামে করোনা চিকিৎসায় মা ও শিশু হাসপাতালের কার্যক্রম শুরু শুধু ঢাকাতেই করোনা আক্রান্তের সংখ্যা সাড়ে ৭ লাখ : দ্য ইকোনমিস্ট পল্লবীতে নারীর হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন হাসপাতালে ভর্তি ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবস কাল

আম্পানের তাণ্ডবে পশ্চিমবঙ্গে হাজারো বাড়ি ধ্বংস, প্রাণহানী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৯:৫২ পিএম, ২০ মে ২০২০ বুধবার

আম্পানের তাণ্ডবে পশ্চিমবঙ্গে হাজারো বাড়ি ধ্বংস, প্রাণহানী

আম্পানের তাণ্ডবে পশ্চিমবঙ্গে হাজারো বাড়ি ধ্বংস, প্রাণহানী

আম্পানের তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে। পশ্চিমবঙ্গ উপকূল থেকে মাত্র ৯০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করলেও এই ঝড়ের তাণ্ডবে ইতিমধ্যে রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে গাছপালা ও বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে পড়েছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জিনিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কলকাতার রেড রোড, নিউ আলিপুর, খিদিরপুরে আম্পানের তাণ্ডবে গাছ উপড়ে পড়েছে। ভারী বৃষ্টি হচ্ছে কলকাতার নিউটাউনে। তুমুল ঝড়ো হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টি হচ্ছে উত্তর ২৪ পরগনা, হুগলির বিভিন্ন জায়গায়। উত্তর ২৪ পরগনার বারাসতে বৈদ্যুতিক খুঁটি ভেঙে পড়েছে। বিদ্যুতের তারের ওপর গাছ ভেঙে পড়ায় ওই এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।

আলিপুর আবহওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, এই মুহূর্তে আম্পানের কেন্দ্রে ঘূর্ণিঝড়ের গতিবেগ ঘণ্টায় ১৬০ থেকে ১৭০ কিলোমিটার। বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১৯০ কিলোমিটার।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের খবরে বলা হয়, ভয়াল গতিতে সুন্দরবনেই আছড়ে পড়েছে ঘূর্ণিঝড় আম্পান। আজ সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ওই ঘূর্ণিঝড়টি আছড়ে পড়ে বলে জানিয়েছে দিল্লির মৌসম ভবন। সেই সময় ঘূর্ণিঝড়ের ঘূর্ণনের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় প্রায় ১৫৫-১৬৫ কিলোমিটার। সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১৮৫ কিলোমিটার ছিল। সন্ধ্যা ৭টা ২০ মিনিটের দিকে কলকাতায় সেই ঝড়ের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় প্রায় ১৩৩ কিলোমিটার। এর জেরে লণ্ডভণ্ড পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে কলকাতাসহ দুই ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুরে।

হাওড়া, হুগলি এবং পশ্চিম মেদিনীপুরের অবস্থাও ভয়াবহ। হাজার হাজার কাঁচাবাড়ি এবং গাছপালা ভাঙার খবর আসছে এই সব জেলা থেকে। তবে বাস্তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এর অনেক গুণ বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা পর্যন্ত তিনজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে।

এদিকে এইসময়ের প্রতিবেদনে বলা হয়, ঘূর্ণিঝড়ের ছোবলে পশ্চিমবঙ্গের কচুবেরিয়ার জেটি সম্পূর্ণভাবে ভেঙে গেছে। কাকদ্বীপ, কৈখালি, কুলতলি, পাথরপ্রতিমায় একের পর এক বাঁধ ভেঙে পড়েছে। বানভাসী হতে চলেছে বহু গ্রাম। ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত বেশ কিছু এলাকার কাঁচাবাড়ি।

এখন পর্যন্ত মৃত্যুর কোনো খবর না পাওয়া গেলেও পূর্ব মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, শ্রাবণী ঘোষ (৪৬) নামে এক নারী বাড়ির দেওয়াল ভেঙে আহত হয়েছেন। তাকে জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এদিকে ওডিশার বালাসোরেও ব্যাপক তাণ্ডব চালাচ্ছে আম্পান। বালাসোরের ভোগারাই ব্লকে একটি বিদ্যুতের খুঁটি এসে পড়ে এক নারীর ওপরে। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। ভেঙেছে বহু ঘর-বাড়ি। বালাসোরের খাইরা ব্লকের একাধিক কাঁচা বাড়ি ইতিমধ্যেই ভেঙে পড়েছে। জয়পুর জেলার বারি ব্লকেও শুরু হয়েছে প্রবল বৃষ্টি ও ঝড়। বিদ্যুত নেই। ওডিশা উপকূলের ৩ জেলায় ক্রমশ বাড়ছে ঝড়ের গতি। এনডিআরএফের টিম কাজ করেছে ভদ্রক ও বালাসোর থেকে মোট দেড় লাখ মানুষকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।