কক্সবাজারে পাহাড় ধস, মা-মেয়ের মৃত্যু
আপডেট: ০৭:৪৬ এএম, ২৭ জুলাই ২০১৫ সোমবার
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, উইমেননিউজ২৪.কম, কক্সবাজার : কক্সবাজার শহরের দক্ষিণ বাহারছড়া রাডার সংলগ্ন এলাকায় পাহাড় ধসে মাটি চাপা পড়ে মা ও মেয়ের মৃত্যু হয়েছে।
আজ সোমবার ভোররাতে এ ঘটনায় আরও তিনজন নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের উদ্ধারে সেনাবাহিনী, পুলিশ, বিজিবি ও দমকল বাহিনীর যৌথ অভিযান চলছে।
নিহতরা হলেন- ওই এলাকার বাসিন্দা খায়রুল আমিনের স্ত্রী জুনু বেগম (২৮) ও তার দুই বছর বয়সী মেয়ে নিহা মনি।
কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তোফায়েল আহমদ উইমেননিউজকে জানান, ভোররাত ৩টার দিকে বাহারছড়া রাডার সংলগ্ন এলাকায় পাহাড়ের একটি বড় অংশ ধসে পড়ে নিচে বসবাসরত শাহ আলম ও খায়রুল আমিনের বাড়ির ওপর। এতে ওই দুই পরিবারসহ তাদের ভাড়াটিয়া আরও দুই পরিবারের লোকজন মাটির নিচে চাপা পড়ে। খবর পেয়ে সেনাবাহিনী, পুলিশ, বিজিবি ও দমকল বাহিনীর লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার তৎপরতা শুরু করে।
উদ্ধার তৎপরতায় নিয়োজিত সেনাবাহিনীর ১৬ ইসিবি’র অধিনায়ক মেজর মাহবুবুর রহমান খান জানান, সকাল পর্যন্ত দুইজনকে জীবিত ও দুইজনকে মৃত উদ্ধার করা হয়েছে।
তিনি জানান, সকালে ঘটনাস্থল থেকে খায়রুল আমিন ও নুরুন্নবী নামে দুইজনকে জীবিত উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এই সেনা কর্মকর্তা আরও জানান, ধসের ঘটনায়এখনও মাটি চাপা পড়ে আছেন শাহ আলম, তার স্ত্রী রোকেয়া বেগম ও তাদের শিশুকন্যা রীনা। তাদের উদ্ধারে অভিযান চলছে।
উদ্ধার কাজে নিয়োজিত দমকল বাহিনীর স্টেশন অফিসার আবদুল মজিদ জানান, দুর্ঘটনাস্থলে যাওয়ার রাস্তা সংকীর্ণ হওয়ায় প্রয়োজনীয় ভারী উদ্ধার সরঞ্জাম নেওয়া যাচ্ছে না। ফলে খুন্তি কোদাল দিয়ে প্রচলিত নিয়মে উদ্ধার তৎপরতা চালানো হচ্ছে। এতে উদ্ধার তৎপরতায় বিলম্ব হচ্ছে।
এদিকে পাহাড় ধসে হতাহতের এ ঘটনার পর ওই স্থানে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাসরত আরও ২০ পরিবারকে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন, কক্সবাজারের ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক ড. অনুপম সাহা।
তিনি আরও জানান, টানা পাঁচদিনের অতি বর্ষণে জেলায় পাহাড় ধসের আতঙ্ক দেখা দিলে জেলা প্রশাসন রোববার থেকে বিশেষ অভিযান শুরু করেছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার লোকজনকে নিরাপদ সরে যাওয়ার জন্য মাইকিংসহ নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে।
২৭.০৭.২০১৫
- রাজধানীর সড়কে যেন গর্তের রাজত্ব, প্রতিদিন দুর্ভোগে লাখো মানুষ
- ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ: ফাইনালে গুরু-শিষ্য মুখোমুখি
- বৃষ্টির প্রভাবে সবজির দামে ঊর্ধ্বগতি, স্থিতিশীল মাছ-মাংসের দাম
- ঢাবিতে নৃত্য উৎসব ‘ঘনঘটা ২’
- ছয় মাসে ৩৮৩ সাংবাদিক নির্যাতন-হয়রানির শিকার: এইচআরএসএস
- ৬ মাসে ২৩৮ শিশু-কিশোরীসহ ৪০৪ জনকে ধর্ষণ: এইচআরএসএস
- স্মার্টফোনের ডিসপ্লে পরিষ্কারের সময় ভুলেও যা করবেন না
- এভারকেয়ার হাসপাতালে চাকরির সুযোগ
- গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে আটক নারীকে মুক্তি দিল ইরান
- ইংল্যান্ড অধিনায়ককে উদ্দেশ করে পরীমনির ফেসবুক পোস্ট ভাইরাল
- আফগানিস্তানে জাতিসংঘ মিশনের প্রধান হলেন বাংলাদেশের রাবাব ফাতিমা
- ৮ জেলায় বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্ক সংকেত
- সাম্য ও সম্প্রীতির বার্তা নিয়ে আজ রথযাত্রা
- কর্মসংস্থান ঝুঁকিতে ১২ লাখ পোশাক শ্রমিক, ৬০ শতাংশই নারী
- জুলাই শহীদ দিবস আজ
- ইংল্যান্ডকে বিদায় করে ফাইনালে আর্জেন্টিনা
- ঢাবিতে নৃত্য উৎসব ‘ঘনঘটা ২’
- কর্মসংস্থান ঝুঁকিতে ১২ লাখ পোশাক শ্রমিক, ৬০ শতাংশই নারী
- গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে আটক নারীকে মুক্তি দিল ইরান
- নাতনীর মরদেহ নিয়ে ফেরার পথে প্রাণ গেল নানীর
- ইংল্যান্ড অধিনায়ককে উদ্দেশ করে পরীমনির ফেসবুক পোস্ট ভাইরাল
- ৬ মাসে ২৩৮ শিশু-কিশোরীসহ ৪০৪ জনকে ধর্ষণ: এইচআরএসএস
- ছয় মাসে ৩৮৩ সাংবাদিক নির্যাতন-হয়রানির শিকার: এইচআরএসএস
- ফাইনালের আগে ফিফার শাস্তির মুখে পড়তে পারে আর্জেন্টিনা
- আফগানিস্তানে জাতিসংঘ মিশনের প্রধান হলেন বাংলাদেশের রাবাব ফাতিমা
- ৮ জেলায় বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্ক সংকেত
- বৃষ্টির প্রভাবে সবজির দামে ঊর্ধ্বগতি, স্থিতিশীল মাছ-মাংসের দাম
- জুলাই শহীদ দিবস আজ
- সাম্য ও সম্প্রীতির বার্তা নিয়ে আজ রথযাত্রা
- স্মার্টফোনের ডিসপ্লে পরিষ্কারের সময় ভুলেও যা করবেন না












