ঢাকা, শনিবার ০৪, জুলাই ২০২০ ১:২৮:৪৪ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
বেশিরভাগ মানুষেরই করোনার ভ্যাকসিন লাগবে না: অক্সফোর্ড গবেষক সাহারা খাতুনকে থাইল্যান্ড নেয়া হবে সোমবার করোনায় কুমিল্লা মেডিকেলে একদিনে ৮ মৃত্যু কাল থেকে ১০ দিনব্যাপী চিরুনি অভিযান শুরু করছে ডিএনসিসি করোনা: দেশের হাসপাতালে ১০ হাজারেরও বেশি শয্যা ফাঁকা

কনকনে ঠাণ্ডা থাকবে আরো ৩ দিন

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০১:৫৮ পিএম, ১২ জানুয়ারি ২০২০ রবিবার

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহেও ছিল এক দফা শৈত্যপ্রবাহ। শনিবার থেকে আবারো দেশজুড়ে শুরু হয়েছে মৌসুমের চতুর্থ শৈত্যপ্রবাহ।এই শৈত্যপ্রবাহ থাকবে আরো দুই থেকে তিন দিন।আর দিনের বেশির ভাগ সময়ই সূর্যের আলো দেখা না যাওয়ায় রাজধানীসহ দেশের বেশির ভাগ এলাকায় ছিল কনকনে শীত।

আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, শীতের সঙ্গে আছে হিমালয় থেকে আসা ঠাণ্ডা বায়ুর প্রবাহ। আছে ঘন কুয়াশাও। কুয়াশার প্রকোপ বাড়ায় বিভিন্ন স্থানে সূর্য দেখা যায়নি।দেশের অন্তত ৮০ শতাংশ এলাকা গতকাল মেঘ ও কুয়াশায় ঢাকা ছিল। বাকি এলাকায় কিছু সময়ের জন্য সূর্যের দেখা পাওয়া গেলেও দিনের তাপমাত্রা খুব একটা বাড়েনি। ফলে কনকনে শীতের অনুভূতি কমেনি।

আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক বলেন, মেঘলা আকাশ আজকেও থাকবে। সোমবার (১৩ জানুয়ারি) থেকে হয়তো কমে আসতে পারে। বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা নেই। তবে শীতের তীব্রতা দুই-তিন দিন একই রকম থাকবে। এখন যে বাতাসের কারণে তীব্র শীত অনুভূত হচ্ছে, তা ১৪ জানুয়ারি পর্যন্ত থাকতে পারে। ১৫ জানুয়ারি থেকে হয়তো তাপমাত্রা কিছুটা বাড়তে পারে।

তিনি আরো বলেন, আজকে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কুড়িগ্রামের রাজারহাটে ৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। একটা স্টেশনে তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে থাকলে শৈত্যপ্রবাহ বলি না। এজন্য আজকে শৈত্যপ্রবাহ বইছে বলছি না।

অন্যদিকে, পূর্বাভাসে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, রবিবার সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে। তার পরবর্তী দুই দিনে আবহাওয়ার সামান্য পরিবর্তন হতে পারে। তার পরবর্তী পাঁচ দিনে রাতের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেতে পারে।

এদিকে, শৈত্যপ্রবাহের কারণে জনজীবনে দুর্ভোগ নেমে এসেছে। উষ্ণতার খোঁজে মানুষ গরম পোশাকের সন্ধান করছেন। খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছে অনেকে।বিশেষ করে নিম্নআয়ের লোকজন কষ্টে পড়েছেন। কাজের সন্ধানে বের হতে না পেরে তাদের জীবিকা হুমকির মুখে পড়েছে।হাড় কাঁপানো শীতে সবচেয়ে বেশি কষ্টে পড়েছেন শিশু, বৃদ্ধ ও প্রতিবন্ধীরা।

-জেডসি