ঢাকা, রবিবার ২৫, অক্টোবর ২০২৬ ৪:৫১:২৪ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
রাজধানীতে প্রতিদিন গড়ে ভাঙছে প্রায় ৪৪টি সংসার সৌদিতে বাংলাদেশি নারী কর্মীদের সুরক্ষার ব্যবস্থা কতটা আছে মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে বাস খাদে,৩জনের প্রাণহানী কমছে না পোলাওর চাল ও আটা-ময়দার দাম ঢাকা-কক্সবাজার রুটে ২৬ অক্টোবর থেকে চলবে মহানগর এক্সপ্রেস তিব্বতে ৭ মাত্রার ভূমিকম্প: নিহত ১৬, আহত অর্ধশতাধিক অপ্রতীম হত্যা মামলার চার্জশিট দাখিল

কমহারে নারীদের নোবেলপ্রাপ্তি প্রসঙ্গে কর্তৃপক্ষের বক্তব্য

অনলাইন ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০২:২৮ এএম, ১৩ অক্টোবর ২০২১ বুধবার

ফাইল ছবি।

ফাইল ছবি।

বরাবরই নারীরা নোবেল পুরস্কার কম পাচ্ছেন বা তাদের কম সংখ্যায় নির্বাচন করা আছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বছর নোবেল পাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে মাত্র একজন নারী রয়েছেন। ফলে ঐতিহাসিকভাবে নারীদের নোবেল বঞ্চনার বিষয়টি আবারও সামনে এসেছে। এ রকম বিতর্কের মুখে মুখ খুলেছে রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্সেস। 

একাডেমির প্রধান গোরান হ্যানসন বলেছেন, তুলনামূলক অনেক কম হারে নারীদের নোবেলপ্রাপ্তি নিয়ে তারও মন খারাপ হয়। কিন্তু ‘নোবেল পুরস্কার কোনোদিনই লিঙ্গ বা জাতীয়তার ভিত্তিতে দেওয়া হয়নি, হবেও না।’

হ্যানসন বলেছেন, তারা চান, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উদ্ভাবন যারা করছেন, তারাই এ পুরস্কার পাক। ১৯০১ সালে নোবেল পুরস্কার প্রবর্তনের পর এ পর্যন্ত ৯৪৭ জন ব্যক্তি এবং ২৮টি সংস্থা এ পুরস্কার পেয়েছে। বিজয়ীদের মধ্যে নারীর সংখ্যা মাত্র ৫৯ জন।

ছয়টি বিভাগে নোবেল পুরস্কারের জন্য এ বছর মোট ১৩ জনকে বিজয়ী ঘোষণা করেছে নোবেল কমিটি। তাদের মধ্যে ফিলিপিন্সের সাংবাদিক মারিয়া রেসাই একমাত্র নারী। 

হ্যানসন বলেন, ‘নোবেল বিজয়ীদের মধ্যে নারীর সংখ্যা সত্যিই খুব কম এবং এটা দুঃখজনক। সমাজে যে ন্যায্যতার অভাব, সেটাই এখানে প্রতিফলিত হয়েছে। বিশেষ করে যে বছরগুলো আমরা পার করে এসেছি। সে সমস্য এখনো রয়ে গেছে এবং এ বিষয়ে আমাদের আরও অনেক কিছু করার আছে।’ 

তবে হ্যানসন বলেন, ‘আমরা তাদেরই এ পুরস্কার দেব, যারা সবচেয়ে যোগ্য।

তারাই এ পুরস্কার পাবেন, যারা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদানগুলো রাখছেন।’ আগের দশকের তুলনায় এখন নোবেল পুরস্কারে নারীর সংখ্যা বাড়লেও সেই বৃদ্ধির হার যে খুবই ধীর, তা মানছেন নোবেল কমিটির প্রধান।

তিনি বলেন, ‘পশ্চিম ইউরোপ আর উত্তর আমেরিকায় ন্যাচারাল সায়েন্স নিয়ে যে গবেষকরা কাজ করছেন, তাদের মাত্র ১০ শতাংশ নারী। এশিয়ায় এ সংখ্যা আরও কম।’