ঢাকা, শুক্রবার ০৫, জুন ২০২০ ০:০১:৫৫ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
সুন্দরবন বাঁচলে বাংলাদেশ বাঁচবে: টিআইবি কোভিড-১৯ মোকাবেলায় দ্রুত টিকা উদ্ভাবনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর রাজশাহী থেকে ঢাকায় আম আনতে কাল থেকে বিশেষ ট্রেন চট্টগ্রামে করোনায় এক চিকিৎসক ও দুই নারীর মৃত্যু জুন থেকেই শ্রমিক ছাঁটাই করা হবে, ঘোষণা রুবানার

করোনায় নতুন সংক্রমিতদের ২০ জনই ঢাকার, নারায়ণগঞ্জের ১৫

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৫:৩৫ পিএম, ৭ এপ্রিল ২০২০ মঙ্গলবার

করোনাভাইরাস সংক্রমিত কোভিড-১৯ রোগে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও ৪১ জন আক্রান্ত হয়েছেন। নতুন সংক্রমিতদের মধ্যে ২০ জনই ঢাকার। আর নারায়ণগঞ্জে সংক্রমিত হয়েছে ১৫ জন। এই নিয়ে গত ৮ মার্চের পর থেকে এখন পর্যন্ত দেশে মোট সংক্রমিত ব্যক্তির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬৪ জনে।

এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত হয়েছে আরও পাঁচজনের। নতুন মৃতদের মধ্যে দুজন ঢাকার এবং তিনজন ঢাকার বাইরে বিভিন্ন জেলার। এই নিয়ে দেশে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ১৭ জনে।

আজ মঙ্গলবার দুপুর ২টায় মহাখালী থেকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত অনলাইন ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান জাতীয় রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা।

তিনি বলেন, ‘নতুন শনাক্ত হওয়া ৪১ জনের মধ্যে পুরুষ ২৮ জন এবং মহিলা ১৩ জন। এদের মধ্যে ২০ জনই হচ্ছেন ঢাকা শহরের বিভিন্ন এলাকার। এ ছাড়া ঢাকার বাইরে নারায়ণগঞ্জে ১৫ জন, কুমিল্লায় একজন, কেরাণীগঞ্জে একজন এবং চট্টগ্রামে একজন শনাক্ত হয়েছেন।’

‘বয়স বিভাজনের দিকে তাকালে দেখতে পাই, ১০ বছরের নিচে একজন। ১১ থেকে ২০ বছরের নিচে চারজন। ২১ থেকে ৩০ বছর বয়সের মধ্যে ১০ জন। ৩১ থেকে ৪০ বছর বয়সের মধ্যে পাঁচজন। ৪১ থেকে ৫০ বছর বয়সের মধ্যে ৯ জন। ৫১ থেকে ৬০ বছর বয়সের মধ্যে সাতজন এবং ষাটোর্ধ্ব রয়েছেন পাঁচজন’, বলেন সেব্রিনা ফ্লোরা। 
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৭৯২ জনের নমুনা পরীক্ষা করে এই ফলাফল মিলেছে বলে জানান প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক। তিনি আরও বলেন, ‘গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আর কারও মধ্যে আমরা নেগেটিভ পাইনি। তার মানে সংক্রমণ নেই এ রকম সংখ্যা শূন্য। মোট সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন ৩৩ জন।’
গত ৮ মার্চ বাংলাদেশে করোনাভাইরাস প্রথম শনাক্ত হয়। এরপর দিন দিন সংক্রমণ বেড়েছে। করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে প্রথমে ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে সরকার। পরে এ ছুটি ক্রমান্বয়ে ১১ এপ্রিলের পর ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ানো হয়।