ঢাকা, বৃহস্পতিবার ০৪, জুন ২০২৬ ৫:৫৬:২৭ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
সেই বৃদ্ধার ছেলে যুগ্মসচিব আনিসুরকে প্রত্যাহার মিরপুরের বৃদ্ধার মৃত্যু: তদন্ত কমিটি চেয়ে রিট তৃণমূলের সব সাংগঠনিক কমিটি ভেঙে দিলেন মমতা হামে প্রাণ গেল আরো ৭ শিশুর, মোট মৃত্যু ৬০০ ছাড়ালো সাগরিকার শেষ সময়ের গোলে সাফের ফাইনালে বাংলাদেশ এক মামলায় জামিন পেলেন দীপু মনি, ছয়টিতে রুল

চীনের মহাকাশ স্টেশনে যাচ্ছে পাক নভোচারী, চলেছ প্রশিক্ষণ

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৪:৩৮ পিএম, ২৩ মে ২০২৬ শনিবার

ছবি: সংগ্রহিত।

ছবি: সংগ্রহিত।

মহাকাশ গবেষণায় এক ঐতিহাসিক মাইলফলক স্পর্শ করতে যাচ্ছে পাকিস্তান ও চীন। চীনের নিজস্ব মহাকাশ স্টেশন 'তিয়ানগং'-এ প্রথমবারের মতো কোনো বিদেশি নভোচারী পাঠানোর অংশ হিসেবে পাকিস্তানের দুই প্রার্থীকে চূড়ান্ত করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই তারা বেইজিংয়ে অবস্থিত 'অ্যাস্ট্রোনাট সেন্টার অব চায়না'-তে পৌঁছে তাদের মূল প্রশিক্ষণ শুরু করেছেন।

আজ শনিবার (২৩ মে, ২০২৬) এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন চীন ম্যানড স্পেস এজেন্সির (সিএমএসএ) মুখপাত্র ঝাং জিংবো।

নির্বাচিত দুই পাকিস্তানি নভোচারী হলেন মোহাম্মদ জিশান আলী এবং খুররাম দাউদ। তারা দুজনেই পাকিস্তান বিমান বাহিনীর (পিএএফ) দক্ষ পাইলট। বেইজিংয়ে চীনের অভিজ্ঞ নভোচারীদের সঙ্গেই তাদের প্রশিক্ষণ চলছে। প্রাথমিক পর্যায়ে তাদের মহাকাশ অভিযানের মৌলিক বিষয়গুলোর পাশাপাশি তীব্র গতিতে চীনা ভাষা (পুতংহুয়া) শেখানো হচ্ছে, যাতে মহাকাশ স্টেশনের দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনা এবং জরুরি কমান্ডিংয়ের ক্ষেত্রে ভাষার কোনো প্রাচীর না থাকে।

সংস্থাটি জানিয়েছে, কঠোর প্রশিক্ষণ এবং মূল্যায়ন পর্ব সফলভাবে শেষ করার পর, এই দুজনের মধ্য থেকে সবচেয়ে যোগ্য একজনকে চূড়ান্ত করা হবে। তিনি 'পেলোড স্পেশালিস্ট' (Payload Specialist) হিসেবে চীনের একটি সংক্ষিপ্ত মেয়াদের মহাকাশ অভিযানে অংশ নেবেন। এর মাধ্যমে তিনি হবেন চীনের তিয়ানগং মহাকাশ স্টেশনে পা রাখা ইতিহাসের প্রথম বিদেশি নভোচারী। সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৬ সালের শেষের দিকেই এই ঐতিহাসিক মিশনটি উৎক্ষেপণ করা হতে পারে।

মহাকাশ বিজ্ঞানের ইতিহাসে এই যৌথ উদ্যোগকে একটি 'যুগান্তকারী ঘটনা' হিসেবে দেখছে বেইজিং ও ইসলামাবাদ। পাকিস্তান মহাকাশ সংস্থা 'সুপারকো' (SUPARCO) এবং চীনের 'সিএমএসএ'-এর মধ্যে ২০১৫ সালে স্বাক্ষরিত একটি দ্বিপাক্ষিক চুক্তির অধীনে এই মিশনটি বাস্তবায়িত হচ্ছে। ইতিপূর্বে ঐতিহ্যবাহী স্যাটেলাইট যোগাযোগে সীমাবদ্ধ থাকলেও, এই অভিযানের মাধ্যমে পাকিস্তান সরাসরি মানববাহী মহাকাশ কর্মসূচির এলিট ক্লাবে প্রবেশ করতে যাচ্ছে।

অন্যদিকে চীন তিয়ানগং মহাকাশ স্টেশনটিকে বৈশ্বিক গবেষণার জন্য উন্মুক্ত এক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চায়। বেইজিং জানিয়েছে, মহাকাশ গবেষণার দরজা সবার জন্য উন্মুক্ত এবং তারা বিশ্বজুড়ে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির যৌথ প্রসারে বিশ্বাসী।