ঢাকা, বৃহস্পতিবার ০৪, জুন ২০২০ ১৪:৩৪:৫৯ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
ইউনাইটেড হাসপাতালের চেয়ারম্যানসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা জর্জ ফ্লয়েড ফান্ডে সোয়া কোটি ডলারের বেশি জমা! ব্রিটেনে করোনায় মৃত্যু: সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে বাংলাদেশিরা? টিকা তৈরিতে সহযোগিতার আহবান বৃটিশ প্রধানমন্ত্রীর করোনা: বিশ্বে মৃতের সংখ্যা ৩ লাখ ৮৫ হাজার ছাড়াল আজ রাজধানীসহ সারাদেশে ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে

ঢাকা মেডিকেলে ‘প্লাজমা’ সংগ্রহ শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০১:০৮ পিএম, ১৬ মে ২০২০ শনিবার

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থেকে সেরা ওঠা ব্যক্তি থেকে প্রথমবারের মতো প্লাজমা সংগ্রহের কার্যক্রম আজ শুরু হয়েছে। শনিবার করোনা জয় করা দিলদার হোসেন বাদল নামে সোহরাওয়ার্দী মেডিকেলের একজন চিকিৎসকের প্লাজমা দেয়ার মাধ্যমে প্লাজমা সংগ্রহ শুরু হয়।  

এ তথ্য নিশ্চিত করে বাংলাদেশে প্লাজমা থেরাপি প্রয়োগসংক্রান্ত বিশেষজ্ঞ কমিটির প্রধান ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হেমাটোলোজি বিভাগের অধ্যাপক এম এ খান বলেছেন, সোহরাওয়ার্দী মেডিকেলের চিকিৎসক দিলদার হোসেন বাদলের প্লাজমা দেয়ার মাধ্যমে প্লাজমা সংগ্রহ শুরু হয়। এখন প্লাজমা দিচ্ছেন স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ মিটফোর্ড হাসপাতালের চিকিৎসক পিয়াস। এরপর কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালের আতিয়ার রহমানের প্লাজমা সংগ্রহ করা হবে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ব্লাড ট্রান্সফিউশন বিভাগ করোনাজয়ী তিনজন চিকিৎসকের কাছ থেকে প্লাজমা সংগ্রহ করবে। প্রাথমিকভাবে এই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৪৫ জন গুরুতর অসুস্থ করোনা রোগীর ওপর আশা জাগানিয়া ‘প্লাজমা থেরাপি’ প্রয়োগ করা হবে।‘প্লাজমা থেরাপি’ প্রয়োগের বৈজ্ঞানিক গবেষণার (ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল) কাজটি আগামী জুন মাসে শেষ হতে পারে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, করোনায় আক্রান্ত গুরুতর অসুস্থ রোগীদের সুস্থ করতে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের বহু দেশে প্লাজমা থেরাপির ব্যবহার শুরু হয়েছে। একইভাবে বাংলাদেশের করোনায় আক্রান্ত গুরুতর অসুস্থ রোগীদের সারিয়ে তোলার জন্য প্লাজমা থেরাপি প্রয়োগের জন্য প্রাথমিকভাবে গবেষণা করার (ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল) প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে।

প্রসঙ্গত, মানুষের রক্তের জলীয় অংশকে বলা হয় প্লাজমা। রক্তে প্লাজমা থাকে ৫৫ ভাগ। করোনা রোগীদের চিকিৎসা সেবায় নিয়োজিত একাধিক চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, করোনায় সংক্রমিত হওয়ার পর যারা পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠেছেন, তাদের প্রত্যেকের শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে, অর্থাৎ, রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে উঠেছে। করোনাজয়ী ব্যক্তির দেহে তৈরি অ্যান্টিবডি যদি করোনায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়া ব্যক্তির শরীরে প্রয়োগ করা হয়, তাহলে তিনি সুস্থ হয়ে উঠছেন। করোনাজয়ীর অ্যান্টিবডি থাকে রক্তের প্লাজমায়। সুস্থ ব্যক্তির দেহ থেকে প্লাজমা সংগ্রহ করে তা করোনায় সংক্রমিত অসুস্থ ব্যক্তির শরীরে প্রয়োগ করা হয় বলে এই চিকিৎসাপদ্ধতির নাম হয়েছে 'প্লাজমা থেরাপি'।

-জেডসি