ঢাকা, শুক্রবার ০৩, জুলাই ২০২৬ ১৭:১৮:৪৯ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ২৫৯৫ এফডিসিতে উৎসবমুখর পরিবেশে চলছে শিল্পী সমিতির নির্বাচন নাটকীয় ম্যাচে প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখে শেষ ষোলোতে পর্তুগাল অস্ট্রিয়াকে উড়িয়ে শেষ ষোলোতে স্পেন দেশের বাজারে আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম

নারায়ণগঞ্জে বিরোধীদের হামলায় মেয়র আইভী অাহত

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪.কম

আপডেট: ০১:৩৯ পিএম, ১৭ জানুয়ারি ২০১৮ বুধবার

নারায়ণগঞ্জে ফুটপাত থেকে হকার উচ্ছেদকে কেন্দ্র করে মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীর ওপর সংসদ সদস্য শামীম ওসমানের সমর্থকরা হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় আইভীসহ আরো অনেকে আহত হয়েছেন।


আজ মঙ্গলবার বিকেল ৫টার দিকে নারায়ণগঞ্জের চাষাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।

 

সংঘর্ষ রোধ করতে পুলিশ এ সময় প্রায় ৩০০ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়ে। শামীর ওসমান সমর্থকদের হামলার মুখে মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী সড়কে অবস্থান নেন। এ সময় মেয়র আইভীর ওপর হামলা চালানো হলে নগরবাসী তাকে মানব দেয়াল তৈরি করে রক্ষা করে। এ সময় ঢিলে লেগে মেয়র আইভী আহত হয়।

 

মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৪টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত সংঘর্ষ চলে। এ সময় নগরীর চাষাঢ়া থেকে দুই নং রেল গেইট পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে হকারদের সমর্থনে সংসদ সদস্য শামীম ওসমান রাজপথে নেমে এসে হকারদের পক্ষ নিয়ে বঙ্গবন্ধু সড়কে অবস্থান নেন। আর আহত আইভী নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবে অবস্থান নেন। পুলিশ এক ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

 

সংঘর্ষে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মেয়র আইভী, নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শরীফ উদ্দিন সবুজসহ অন্তত অর্ধশত লোক আহত হয়েছে। 

 

আইভি বলেন, আমি মৃত্যুকে ভয় করি না। আমি শান্তিপূর্ণভাবে হেঁটে আসছিলাম। চাষাড়ার রাইফেলস ক্লাবে বসে শামীম ওসমান আমার ওপর হামলা চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন। নির্দেশ পেয়ে তার লোকজন ইট-পাটকেল ছোড়ে। এটা নিরস্ত্র লোকের সশস্ত্র হামলা।


এ ঘটনায় অবিলম্বে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের পদত্যাগ দাবি করেন আইভী।


অভিযোগ আছে, ঘটনাস্থলে পুলিশ থাকলেও তারা কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। বিষয়টি নিয়ে উপস্থিত সাংবাদকর্মীরা পুলিশের কাছে জানতে চাইলে পুলিশ জানায়, এ ব্যাপারে তাদের কোনো নির্দেশ নেই। পরে অবশ্য পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে।