ঢাকা, বৃহস্পতিবার ১৯, মার্চ ২০২৬ ১০:৫৩:২১ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
‘যমুনা’য় ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী দেশে খাদ্য সংকটের কোনো আশঙ্কা নেই: খাদ্যমন্ত্রী বগুড়ায় ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত: আহত ২ শতাধিক হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ পাঠাতে মিত্রদের ‘না’, হতাশ ট্রাম্প মহাসড়কে বাড়ছে যানবাহনের চাপ, ধীরগতিতে চলছে গাড়ি চিকিৎসার অভাবে ৪৯ লাখ শিশুর মৃত্যু, জাতিসংঘের উদ্বেগ ধর্ষণ রোধে সমন্বিত সরকারি অ্যাকশন

নিক্সন চৌধুরীর স্ত্রী তারিনের ফ্ল্যাট ক্রোক

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৫:৪৫ পিএম, ২০ এপ্রিল ২০২৫ রবিবার

সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

ফরিদপুর-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মজিবুর রহমান চৌধুরী ওরফে নিক্সন চৌধুরীর স্ত্রী তারিন হোসেনের নামে গুলশানে থাকা একটি ফ্ল্যাট, গ্যারেজ ও কমনস্পেস ক্রোক করার আদেশ দিয়েছেন আদালত।

রোববার (২০ এপ্রিল) দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. জাকির হোসেন গালিবের আদালত এ আদেশ দেন। দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেন। 

দুদকের পক্ষে সংস্থাটির সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ শিহাব সালাম এসব সম্পদ ক্রোক চেয়ে আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়েছে, মুজিবুর রহমান চৌধুরীর স্ত্রী তারিন হোসেনের নামে মোট ১০ কোটি ৩২ লাখ ৮৬ হাজার ৪৩৮ টাকা মূল্যের স্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়। তদন্তকালে জানা যায়, মো. মুজিবুর রহমান চৌধুরী গুলশান আবাসিক এলাকাস্থিত ১০ কাঠা ৩ ছটাক জমির উপর নির্মিত দি সেরেনিটি নামে দুটি বেজমেন্টসহ ১৩তলা আবাসিক ভবনের ৭ম তলার (একটি গ্যারেজ ও কমনস্পেস-সহ) সর্বমোট ৫১৭২ বর্গফুট আয়তনের ফ্ল্যাট এবং অচিহ্নিত ১৭০ অযুতাংশ ভূমি রয়েছে। এই সম্পদ ২০১৩ সালের ২৯ জানুয়ারি এলটমেন্ট অ্যাগ্রিমেন্ট অনুযায়ী মজিবুর রহমান চৌধুরীর প্রথম স্ত্রী মুনতারীন মুজিব চৌধুরীর নামে করা হয়। পরে তার প্রথম স্ত্রী মারা যাওয়ার পর তার দ্বিতীয় স্ত্রী তারিন হোসেনের নামে ফ্ল্যাটটি রেজিস্ট্রেশন করা হয়। যা মুজিবুর রহমান চৌধুরী তার অর্জিত অবৈধ অর্থ দ্বারা ক্রয় করেন। 

দুর্নীতি দমন কমিশন কর্তৃক তদন্ত শুরুর পর থেকে আসামি বর্ণিত স্থাবর সম্পদ হস্তান্তরের চেষ্টা করেছেন মর্মে বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা যায়। এজন্য বর্ণিত স্থাবর সম্পদ ক্রোক করা একান্ত প্রয়োজন। বর্ণিত সম্পত্তি আদালতের মাধ্যমে ক্রোক করা না হলে তা অন্যত্র হস্তান্তর বা বেহাত হওয়ার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে।