ঢাকা, মঙ্গলবার ২১, জুলাই ২০২৬ ২০:৪১:৫৮ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
গৌরনদীতে আবাসিক মাদ্রাসা ভবনে ঝুলছিল ছাত্রীর লাশ খেলাধুলা মেসিকে ছাড়াই দেশে ফিরল আর্জেন্টিনা দল বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়ে র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে স্পেন চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মা-মেয়েসহ ৩ নারীর প্রাণহানী মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির এক বছর: ট্রমা কাটেনি, নিঃস্ব অনেক পরিবার রাজশাহীর সঙ্গে সারা দেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ

পুলিশের কিছু সদস্য বাড়াবাড়ি করছেন: খালেদা

আপডেট: ০২:৫৪ পিএম, ১৩ মে ২০১৫ বুধবার

1431460875স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, উইমেননিউজ২৪.কম, ঢাকা : পুলিশ বাহিনীর কিছু সদস্যের বিরুদ্ধে ‘অতিরিক্ত বাড়াবাড়ি’ করার অভিযোগ এনেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। মঙ্গলবার রাতে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়ে একথা বলেন বিএনপি নেত্রী। তিনি এসব পুলিশ সদস্যদের হুঁশিয়ারি জানিয়ে বলেছেন, “তাদের উদ্দেশ্যে আমি বলতে চাই, আপনারা বাড়াবাড়ি বন্ধ করুন। অন্যথায় এর পরিণতি খুব খারাপ ও ভয়াবহ হবে।” রোববার ছাত্র ইউনিয়নের ডিএমপি কমিশনার কার্যালয় ঘেরা কর্মসূচিতে পুলিশি হামলার নিন্দা জানিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, “পহেলা বৈশাখে টিএসসির কাছে নারী লাঞ্ছনার ঘটনার কথা আপনারা সবাই জানেন। ওই ঘটনা সব মুক্তিযোদ্ধাসহ বাংলাদেশের জন্য লজ্জার। অথচ এই সরকার এতোই নিলর্জ্জ ও বেহায়া যে, ওই হামলার ঘটনার সঙ্গে তাদের লোকজন জড়িত বলে ওদের গ্রেপ্তার করেনি। “কেবল তাই নয়, ওই ঘটনার প্রতিবাদ জানাতে গিয়েছিল ছাত্র-ছাত্রীরা। দেশটাকে সরকার একটা পুলিশি রাষ্ট্র বানিয়েছে। ওই পুলিশরা ছাত্র-ছাত্রীদের মাথা টার্গেট করে। তারা পায়ে গুলি করে। প্রতিবাদ করা ছাত্র-ছাত্রীদের কীভাবে পুলিশ মেরেছে, আপনারা দেখেছেন। এভাবে নতুন প্রজন্মকে সরকার ধবংস ও পঙ্গু করে দিতে চায়।” সদ্য অনুষ্ঠিত তিন করপোরেশন নির্বাচন প্রসঙ্গে খালেদা জিয়া বলেন, “সিটি নির্বাচনে কীভাবে ভোট ডাকাতি ও গুন্ডামি হয়েছে তা দেশবাসী সবাই দেখেছে। পুলিশসহ ক্ষমতাসীন দলের সন্ত্রাসীরা নিজেরা সিল মেরেছে। এটা কোনো দেশের পুলিশ বাহিনী হতে পারে না। পুলিশ কখনোই দলের হতে পারে না, তারা হবে রাষ্ট্রের।” ‘সরকার পুলিশ ও র‌্যাবের সমর্থন নিয়ে ক্ষমতায় টিকে আছে’ মন্তব্য করে খালেদা জিয়া বলেন, “সব পুলিশের কথা বলছি না। সরকারি দলের পদলেহনকারী কিছু সংখ্যক সদস্য এসব করছে। কয়েকজনের নাম তো সবাই জানে। এদের নাম উচ্চারণ করা ঠিক হবে না। এসময় কারাবন্দি নেতাদের মুক্তি দাবি করে বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, “আমরা দল গুছানোর কাজ শুরু করেছি। আমাদের নেতাদের কারাগারে আটকিয়ে রাখা হয়েছে। তাদের জামিন পর্যন্ত দেওয়া হচ্ছে না। যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা শমসের মবিন চৌধুরীকে বিনা কারণে আটকিয়ে রাখা হয়েছে। আমি শমসের মবিনসহ সকল নেতা-কর্মীদের মুক্তি দাবি করছি।” আদালতের বিচারকদের প্রতি ‘নিরপেক্ষ’ থেকে ‘সুবিচার’ করার আহ্বান জানান তিনি। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ, জমিরউদ্দিন সরকার, আ স ম হান্নান শাহ, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা শাহজাহান ওমর, সহ আইন বিষয়ক সম্পাদক নিতাই রায় চৌধুরী, কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইশতিয়াক আজিজ উলফাত, শাহ আবু জাফর, ইসলামইল হোসেন বেঙ্গল, ফজলুর রহমান, সাদেক আহমেদ খান, জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মের শ্যামা ওবায়েদ প্রমুখ নেতাসহ শতাধিক মুক্তিযোদ্ধা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। ১৩.০৫.২০১৫