ঢাকা, বৃহস্পতিবার ২৯, জানুয়ারি ২০২৬ ১৭:৩১:১৬ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
পোস্টাল ভোট: ১৪৮ দেশে নিবন্ধন, সৌদি আরব শীর্ষে এক বছরে ১৭ লাখ শিশুর জন্ম অপ্রয়োজনীয় অস্ত্রোপচারে হামলা-অপমানে ভাঙছে মাঠপুলিশের মনোবল কোনো দল নিষিদ্ধ করার পক্ষে নন তারেক রহমান ভবিষ্যৎ গড়ে উঠবে প্রযুক্তির হাত ধরেই: প্রধান উপদেষ্টা ‘ডেইরি ফার্ম জাতীয় অর্থনীতির একটি সম্ভাবনাময় খাত’

ফিরোজা বেগমের ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৫:০৬ পিএম, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২০ বুধবার

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

উপমহাদেশের প্রখ্যাত নজরুলসঙ্গীত শিল্পী ফিরোজা বেগমের ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী আজ বুধবার। ২০১৪ সালের এই দিনে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন তিনি। তাঁর কণ্ঠে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের গান দারুণ জনপ্রিয় হয়েছে দুই বাংলাতেই। সঙ্গীতে নিমগ্ন এই শিল্পী সঙ্গীতকে পৌঁছে দিয়েছিলেন উপাসনার স্তরে। সঙ্গীতের সব শাখাতেই ছিল তার অনায়াস বিচরণ।

কলকাতার এইচএমভির রিহার্সেলে নজরুলের সঙ্গে তাঁর প্রথম পরিচয়। সেখানকার অডিশনে ফিরোজা বেগম কবিকে তাঁর ‘যদি পরানে না জাগে আকুল পিয়াসা’ গানটি শুনিয়েছিলেন। তখন ফিরোজার বয়স ১১ বা ১২ বছর। নজরুল খুব প্রশংসা করেছিলেন তাঁর গানের। এখন নজরুলের গান আর ফিরোজা বেগম সমার্থক হয়ে উঠেছে।

ফিরোজা বেগম ১৯৩০ সালের ২৮ জুলাই ফরিদপুরে জন্মগ্রহণ করেন। পারিবারিক আবহে গান শেখার অবকাশ না থাকলেও বাবা-মায়ের সঙ্গীতপ্রীতি ছিল। এটাই তার জন্য সহায়ক হয়। ১৯৪২ সালে মাত্র ১২ বছর বয়সে বিখ্যাত গ্রামোফোন কোম্পানি থেকে তার প্রথম রেকর্ড বের হয়।

বিখ্যাত সুরসাধক চিত্ত রায়ের তত্ত্বাবধানে ছোট্ট ফিরোজা গাইলেন 'মরুর বুকে জীবনধারা কে বহাল।' তাতেই বাজিমাত। এরপর কীর্তিমান সুরকার কমল দাশগুপ্তের তত্ত্বাবধানে উর্দু গানের রেকর্ড করেন। প্রকাশ হয় দ্বিতীয় রেকর্ড। এই রেকর্ড প্রকাশের মাধ্যমে কমল দাশগুপ্তের সঙ্গে ফিরোজা বেগমের ব্যক্তিগত সম্পর্কের সূত্রপাত।

১৯৪৯ সালে গ্রামোফোন কোম্পানি তার কণ্ঠে নজরুলের গানের প্রথম রেকর্ড প্রকাশ করে। প্রকাশিত রেকর্ডে ফিরোজা গাইলেন সর্বকালের জনপ্রিয় দুটি গান 'দূরদ্বীপবাসিনী' আর 'মোমের পুতুল'। ১৯৫৬ সালে কমল দাশগুপ্তের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। এই সিদ্ধান্তকে মেনে নিতে পারেনি তার পরিবার। কিন্তু নিজের বোধকেই তিনি সব সময় অগ্রাধিকার দিয়েছেন। কলকাতাতেই জন্মেছে তার তিন সন্তান তাহসিন, হামিন ও শাফিন।

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ৩৮০টির বেশি একক সংগীতানুষ্ঠান করেছিলেন তিনি। পেয়েছেন বহু পুরস্কার। স্বাধীনতা পদক ও একুশে পদক এর মধ্যে অন্যতম। এ ছাড়া তিনি পেয়েছেন মেরিল-প্রথম আলো আজীবন সম্মাননা পুরস্কার, নেতাজি সুভাষচন্দ্র পুরস্কার, সত্যজিৎ রায় পুরস্কার, নজরুল একাডেমী পদক।

-জেডসি