ঢাকা, বুধবার ০৮, জুলাই ২০২৬ ১৯:৫৭:৫৮ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
চট্টগ্রামে পাহাড় ধসে নারীর মৃত্যু কক্সবাজার রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ চট্টগ্রাম বোর্ডের বুধবারের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা স্থগিত পাহাড়সম চ্যালেঞ্জ পেরিয়ে আর্জেন্টিনার রূপকথার জয় ফরাসি আদালতের রায়: নির্বাচনে লড়ার সুযোগ পাচ্ছেন পেন

ফিলিপাইনে ঘূর্ণিঝড় কামুরির আঘাতে ১০ জনের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০২:২২ পিএম, ৪ ডিসেম্বর ২০১৯ বুধবার

ছবি: ইন্টারনেট

ছবি: ইন্টারনেট

ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চলে মঙ্গলবার প্রবল গতিতে আছড়ে পড়েছিলো প্রলয়ঙ্কারী ঘূর্ণিঝড় কামুরি। ওই ঝড়ের তাণ্ডবে অন্তত ১০ জনের প্রাণহানি ঘটেছে বলে খবর পাওয়া গেছে। আহত হয়েছেন আরো শতাধিক মানুষ।

মঙ্গলবার ঘণ্টায় একটানা সর্বোচ্চ ১৫৫ কিলোমিটার বেগে দেশটির সোরসোগোন প্রদেশে আছড়ে পড়ে ঘূর্ণিঝড় কামুরি। এরপর কিছুটা দুর্বল হয়ে ফিলিপাইন দ্বীপপুঞ্জের কেন্দ্রীয় অংশের ওপর দিয়ে সামনে এগিয়ে যায়। এই ঘূর্ণিঝড়ের আঘাতে রাজধানী ম্যানিলাসহ বিভিন্ন স্থানে মোট ১০ ব্যক্তি প্রাণ হারিয়েছেন বলে জানিয়েছে ফিলিপাইনের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থাগুলো। এদের মধ্যে ম্যানিলার দক্ষিণাঞ্চলীয় এক এলাকতেই মারা গেছে পাঁচজন। বাকিরা বিচোল অঞ্চলের বাসিন্দা।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপণা সংস্থাগুলোর দাবি, ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানার আগেই বিপুল পরিমাণ লোকজনকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়ার কারণেই হতাহত এত কম হয়েছে।

এক দুর্যোগ ব্যবস্থাপণা সংস্থার মুখপাত্র মার্ক টিম্বাল ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্রম রয়টার্সকে জানান, এখনও সে দেশের ৩ লাখ ৪৫ হাজার মানুষ বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছেন।

এদিকে, ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলাসহ দেশের বিভিন্ন অংশে প্রবল বর্ষণ হয়। ফলে রাজধানীর স্কুল-কলেজ ও সরকারি দপ্তরগুলোও বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল। পাশপাশি বন্ধ রাখা হয়েছিল বিমান চলাচলও।

ঘূর্ণিঝড় কামুরির কারণে ম্যানিলা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্যক্রম মঙ্গলবার সকাল ১১টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এই বিমানবন্দরে সবমিলিয়ে প্রায় ৫শ ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছিল। ফলে বিমানবন্দরের চারটি টার্মিনালে অপেক্ষায় ছিল কমপক্ষে ১ লাখ যাত্রী।

এছাড়া, দেশটিতে শনিবার থেকে শুরু হওয়া সাউথইস্ট এশিয়ান গেমসের কয়েকটি ইভেন্ট বাতিল করা হয়েছে অথবা পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে।

এই ঘূর্ণিঝড় ফিলিপাইনে টিসোয় নামে পরিচিতি। এটি দেশটিতে আঘাত হানার আগেই স্থানীয় সরকারগুলো উপকূলীয় ও পার্বত্য এলাকাগুলোর ৩ লক্ষাধিক বাসিন্দাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়। এসব এলাকায় জলোচ্ছ্বাস, বন্যা ও ভূমিধসের মতো ঘটনা ঘটতে পারে বলে সরকারি কর্মকর্তারা সতর্ক করে দিয়েছিলেন।

-জেডসি