ফিলিস্তিনি তরুণী রাজনের জানাজায় মানুষের ঢল
আন্তর্জাতিক ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪.কমআপডেট: ০৪:০৫ পিএম, ৩ জুন ২০১৮ রবিবার
রাজন আল নাজ্জারের জানাজায় শোকাহত মানুষের ঢল-এএফপি
ইসরাইলি সেনাদের গুলিতে নিহত ফিলিস্তিনি নারী চিকিৎসাকর্মী রাজন আল নাজ্জারের জানাজায় শোকাহত মানুষের ঢল নেমেছিল। তার দাফনে হাজার হাজার মানুষকে অংশ নিতে দেখা গেছে।
শুক্রবার গাজায় বিক্ষোভে আহত এক ফিলিস্তিনির সাহায্যে এগিয়ে গেলে তাকেও গুলি করে হত্যা করেন ইসরাইলি স্নাইপাররা। ইসরাইলের সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা এ নিহতের ঘটনায় তদন্ত করবে।
ইসরাইল এতদিন ধরে দাবি করে আসছে, যেসব বিক্ষোভকারী গাজা সীমান্তের বেষ্টনী ভেঙে ইসরাইলের ভেতরে প্রবেশ করতে চান, তাদেরই কেবল গুলি করছেন ইহুদিবাদী সেনারা।
জাতিসংঘের মানবাধিকার কর্মকর্তারা বৈষম্যমূলক শক্তি প্রয়োগের অভিযোগ তুলেছেন অবৈধ ইহুদিবাদী রাষ্ট্রটির বিরুদ্ধে।
ফিলিস্তিনি পতাকায় মোড়ানো আল নাজ্জারের মরদেহ যখন রাস্তা দিয়ে বয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, তখন সেই মিছিলে হাজার হাজার মানুষ যোগ দেন। যেসব আহত বিক্ষোভকারী নাজ্জারের চিকিৎসায় সুস্থ হয়ে উঠেছেন, তারাও এতে উপস্থিত ছিলেন।
নাজ্জারের রক্তমাখা মেডিকেল জ্যাকেটটি হাতে নিয়ে জানাজায় হাজির হন তার শোকগ্রস্ত বাবা। তাকে হত্যার ঘটনায় ফিলিস্তিনিরা ইসরাইলের বিরুদ্ধে প্রতিশোধের ঘোষণা দেন।
ফিলিস্তিনিদের মেডিকেল রিলিফ সোসাইটি জানিয়েছে, নাজ্জার খান ইউনিস শহরের কাছে আহত এক বিক্ষোভকারীর সাহায্যে এগিয়ে যাচ্ছিলেন। সংস্থাটি জানিয়েছে, জেনেভা কনভেনশন অনুসারে চিকিৎসাকর্মীদের গুলি করে হত্যা করা যুদ্ধাপরাধ।
জাতিসংঘের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক দূত নিকলয় ম্লেডেনভ এক টুইটার বার্তায় বলেন, শক্তি প্রয়োগের ক্ষেত্রে ইসরাইলকে আরও সংযত হওয়া উচিত। হামাসেরও উচিত সীমান্তের ঘটনাবলি প্রতিরোধ করা।
দাফনের আগে শেষ বিদায়ের জন্য যখন আল নাজ্জারের মরদেহ তার বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়, তখন কান্নারত এক ফিলিস্তিনি বলেন, আমাদের প্রাণ ও রক্তের বিনিময়ে তোমার শাহাদতের মর্যাদা রক্ষা করব।
স্থানীয় অধিবাসীরা বলেন, বিক্ষোভের অঞ্চলগুলোতে রাজন খুবই পরিচিত একটা মুখ ছিল। ফিলিস্তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেবদূত হিসেবে আঁকা তার ছবি ছড়িয়ে পড়েছে। গত ৩০ মার্চ থেকে শুরু হওয়া ফিলিস্তিনিদের বসতবাড়িতে ফেরার বিক্ষোভে তাকে নিয়ে এ পর্যন্ত ১২৩ জন নিহত হয়েছেন।
এদিকে নিকরয় ম্লাডেনভ বলেন, চিকিৎসাকর্মীরা হত্যার জন্য টার্গেট হতে পারে না।
- মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে জাতীয় চার নেতার প্রদর্শনী স্থগিত
- যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন: ফলাফলে এগিয়ে ডেমোক্র্যাটরা
- কীসের আশঙ্কায় খাবার ও পানি মজুতের পরামর্শ দিচ্ছে বিভিন্ন দেশ
- এআইভিত্তিক কম্পিউটার ও ল্যাপটপ আনল গিগাবাইট
- কুমিল্লার ব্লু ওয়াটার পার্কে দুই দিনের আনন্দভ্রমণ
- শিশু সহিংসতা রোধে কঠোর ট্রাইব্যুনাল : ৯ মাসে ২ মৃত্যুদণ্ড
- গাজীপুরে শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ, ঢাকা-টাঙ্গাইল যান চলাচল বন্ধ
- এলপিজির দাম বেড়ে আজ যত টাকায় বিক্রি হচ্ছে
- চলতি সপ্তাহে টানা তিন দিনের ছুটিতে যাচ্ছে স্কুল-কলেজ
- মিরপুরে শ্রমিক-পুলিশ পালটাপালটি ধাওয়া, মেট্রোরেল স্টেশন বন্ধ
- নব্বই দশকের প্রেম-স্মৃতি নিয়ে কোয়েলের নতুন যাত্রা
- বনানীতে আগুনে দগ্ধ ফিলিপাইনের নারী মারা গেছেন
- জেল হত্যা দিবস: শোক ও বেদনায় জাতীয় চার নেতাকে স্মরণ
- মারুফাকে ছাড়া নারী টি-টোয়েন্টি দল
- স্কুল খোলার পর ফ্রান্সে আবারও শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ
- কীসের আশঙ্কায় খাবার ও পানি মজুতের পরামর্শ দিচ্ছে বিভিন্ন দেশ
- কুমিল্লার ব্লু ওয়াটার পার্কে দুই দিনের আনন্দভ্রমণ
- এলপিজির দাম বেড়ে আজ যত টাকায় বিক্রি হচ্ছে
- জেল হত্যা দিবস: শোক ও বেদনায় জাতীয় চার নেতাকে স্মরণ
- মিরপুরে শ্রমিক-পুলিশ পালটাপালটি ধাওয়া, মেট্রোরেল স্টেশন বন্ধ
- এআইভিত্তিক কম্পিউটার ও ল্যাপটপ আনল গিগাবাইট
- স্কুল খোলার পর ফ্রান্সে আবারও শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ
- সেই বীথি এখন হেড কোচ, স্বপ্নের পরিসর আরও বড়
- গাজীপুরে শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ, ঢাকা-টাঙ্গাইল যান চলাচল বন্ধ
- চলতি সপ্তাহে টানা তিন দিনের ছুটিতে যাচ্ছে স্কুল-কলেজ
- শিশু সহিংসতা রোধে কঠোর ট্রাইব্যুনাল : ৯ মাসে ২ মৃত্যুদণ্ড
- ১২০ কিমি গতিতে অন্ধ্র উপকূলে ‘মুরাসু’র আঘাত
- মারুফাকে ছাড়া নারী টি-টোয়েন্টি দল
- বনানীতে আগুনে দগ্ধ ফিলিপাইনের নারী মারা গেছেন
- নব্বই দশকের প্রেম-স্মৃতি নিয়ে কোয়েলের নতুন যাত্রা











