ঢাকা, বৃহস্পতিবার ০৯, জুলাই ২০২৬ ১৯:২২:৩৯ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার ৭০ বছর পর ব্রিটিশ নারীর সাজা পরিবর্তন এক দশকে ১৫শ নরমাল ডেলিভারি করিয়েছেন লিলি শিক্ষক পদে ৪৬ হাজার পরীক্ষার্থীর ফল পুনরায় প্রকাশের নির্দেশ আজ চিরনিদ্রায় শায়িত হবেন আয়াতুল্লাহ খামেনি সংবিধানে ফিরলো গণভোট ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হচ্ছেন আইরিন খান বান্দরবানে পাহাড়ধস, ঘুমন্ত অবস্থায় শিশুসহ ৫ জনের প্রাণহানি

বঙ্গবন্ধুর দেয়া বিজয় মশাল নিয়ে এগিয়ে যেতে চাই : প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১১:২৪ পিএম, ১০ জানুয়ারি ২০২০ শুক্রবার

বঙ্গবন্ধুর দেয়া বিজয় মশাল নিয়ে এগিয়ে যেতে চাই : প্রধানমন্ত্রী

বঙ্গবন্ধুর দেয়া বিজয় মশাল নিয়ে এগিয়ে যেতে চাই : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বঙ্গবন্ধু আমাদের হাতে বিজয়ের মশাল তুলে দিয়েছেন, আমরা এখন এই বিজয় নিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে চাই।

আজ শুক্রবার রাজধানীর জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে ‘লোগো’ উন্মোচনের মাধ্যমে দেশব্যাপী ‘মুজিব বর্ষ’ উদযাপনের ক্ষণগণনা আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধনকালে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

২০২০ সালের ১৭ মার্চ থেকে ২০২১ সালের ২৬ মার্চ পর্যন্ত ‘মুজিব বর্ষ’ উদযাপন করা হবে।

১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানের দখলদারিত্ব থেকে বাংলাদেশ স্বাধীন হবার কয়েক সপ্তাহ পরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু ব্রিটিশ রাজকীয় এয়ার ফোর্সের একটি বিমানে করে লন্ডন থেকে নয়াদিল্লী হয়ে এই দিনে দেশে ফিরে তেজগাঁওয়ে ঢাকা আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে অবতরণ করেন।

প্রধানমন্ত্রী স্মৃতিচারণ করে বলেন, ‘১৬ ডিসেম্বর (১৯৭১) বিজয় লাভের পর থেকে জাতি বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তনের জন্য অধীর আগ্রহের সঙ্গে অপেক্ষা করছিল।

তিনি আরো স্মরণ করেন, সেদিন তাঁর মা, ছোট বোন এবং তিনি নিজে তাঁদের বাসায় বসে ঐতিহাসিক মুহূর্তটির ধারাবিবরণী রেডিওতে শুনছিলেন। কারণ, তারা তাঁর ছোট পুত্র জয় এবং ছোট ভাই রাসেলকে রেখে কোথাও যেতে পারছিলেন না।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘১০ জানুয়ারি আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটা দিন। যেদিন আমরা ফিরে পেলাম সেই মহান নেতাকে যিনি বাংলার দু:খী মানুষের মুখে হাসি ফোটাবার জন্য সারাটা জীবন ত্যাগ স্বীকার করেছেন।’

তিনি ৭২’র ১০ জানুয়ারির স্মৃতিচারণ করে বলেন, ‘লাখো মানুষের ঢল নেমেছিল এখানে। স্বজন হারা বেদনারত আহত-নির্যাতিত মানুষ তাঁদের মহান নেতাকে ফিরে পেয়ে তাঁদের জীবনে যেন পূর্ণতা পেয়েছিলেন। হারাবার বেদনা যেন তাঁরা ভুলতে চেয়েছিলেন তাঁদের প্রাণপ্রিয় নেতাকে ফিরে পাওয়ার মধ্যদিয়ে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আন্তর্জাতিক চাপে পাকিস্তানীরা বাধ্য হয়েছিল জাতির পিতাকে মুক্তি দিতে। কারণ প্রায় প্রতিটি দেশের জনগণই আমাদের মুক্তিকামী জনগণের পাশে ছিল।’

শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের বন্ধুপ্রতীম দেশ ভারতসহ যে সকল দেশ আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে সহায়তা দিয়েছিল, শরণার্থীদের আশ্রয় দিয়েছিল, আমাদের মুক্তিযোদ্ধাদের ট্রেনিং এবং অস্ত্র দিয়ে সহযোগিতা করেছিল এবং জাতিসংঘে যারা আমাদের সমর্থন দিয়েছিলেন তেমন সকল দেশের সকল জনগণের প্রতি আমি আমার শ্রদ্ধা জানাচ্ছি।’

তিনি আক্ষেপ করে বলেন, ‘আমাদের অত্যন্ত দুর্ভাগ্য যে, পাকিস্তানীরা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করতে পারেনি, তাঁকে জীবন দিতে হয়েছিল বাংলার মাটিতে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ আজ মানুষকে উজ্জীবিত করা আড়াই হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ ভাষণের মধ্যে অন্যতম হিসেবে ইউনেস্কোর আন্তর্জাতিক প্রামাণ্য দলিলে স্থান করে নিয়েছে। আমাদের একটা অন্ধকার সময় ছিল। আজ আমরা সে অন্ধকার সময় কাটিয়ে আলোর পথে যাত্রা করেছি।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সরকার জাতির পিতার স্বপ্নের ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে চায়। এ বাংলাদেশ বিশ্ব দরবারে মাথা উঁচু করে চলবে, সম্মানের সাথে চলবে।’

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতার নির্মম হত্যাকাণ্ডের পর দেশে এক কালো অধ্যায় এসেছিল। সেই কালো অধ্যায় যাতে আর কোনোদিন দেশের মানুষের ওপর ছায়া ফেলতে না পারে, সে বিষয়ে প্রত্যেককে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।