ঢাকা, সোমবার ১৩, জুলাই ২০২৬ ১৬:১৩:৪৬ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
বন্যায় প্রাণহানী বেড়ে ৫১, ক্ষতিগ্রস্ত ১০ লাখ মানুষ আগামী ৫ বছরে ২৫ কোটি গাছ লাগানো হবে: প্রধানমন্ত্রী ব্যাংককের বারে ভয়াবহ আগুন, প্রাণ গেল ২৭ জনের ১৭ বছর পর রাজধানীতে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত দেশজুড়ে আজও অতিভারী বৃষ্টির শঙ্কা

বিশ্বের অর্ধেকেরও বেশি শিশু বৈষম্যের স্বীকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪.কম

আপডেট: ১২:৫৯ এএম, ২ জুন ২০১৮ শনিবার

বিশ্বের অর্ধেকেরও বেশি শিশু চরম দারিদ্র্য, যুদ্ধ অথবা লিঙ্গ বৈষম্যের কারণে চরম ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।আগামীকাল পহেলা জুন আন্তর্জাতিক শিশু দিবস উপলক্ষে বুধবার লন্ডন ভিত্তিক সেভ দ্য চিল্ড্রেনের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। 


সংস্থাটি বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে এই তিনটি প্রধান বিষয় কিভাবে শিশুদের থেকে তাদের শৈশব ছিনিয়ে নিচ্ছে তা নিয়ে গবেষণা চালিয়েছে। বিশ্বের প্রায় ১২০ কোটি শিশু এই ঝুঁকিতে রয়েছে বলে জানিয়েছে, ‘দি চ্যারিটেজ সেকেন্ড ইন্ড অব চাইল্ডহোড ইনডেক’ শিরোনামের এই প্রতিবেদন।

 
সংস্থাটি দেখেছে, ১শ’ কোটিরও বেশি শিশু দরিদ্র কবলিত দেশে বাস করে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে দারিদ্র দশায় আছে প্রায় ১২০ কোটি শিশু। ২৪ কোটি শিশু যুদ্ধের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত। তারা সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতিতে বিভিন্ন দেশে বাস করছে। এছাড়া ৫৭ কোটি ৫০ লাখ মেয়ে শিশু লিঙ্গ বৈষম্যের শিকার। নারীদের বিরুদ্ধে বৈষম্য রয়েছে যেসব দেশে সেসব দেশে এ সব কন্যাশিশুদের বাস। ২০টি দেশে বসবাসকারী প্রায় ১৫ কোটি ৩০ লাখ শিশু এই ঝুঁকি তিনটির মধ্যে রয়েছে।

 

এ প্রতিবেদনে আরও জানানো যাচ্ছে, এতে অন্তর্ভূক্ত ১৭৫টি দেশের মধ্যে ৯৫টি দেশে শিশুদের জন্য পরিস্থিতি আগের চেয়ে ইতিবাচক হয়েছে। কিন্তু শিশুদের জন্য আগের চেয়ে আরও বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে ৪০টি দেশ।


সেভ দ্য চিল্ড্রেন এর সিইও ক্যারোলিন মাইলস বলেন, ‘আমরা অনেক দেশে কিছুটা অগ্রগতি দেখছি। এই দেশগুলোতে বাল্যবিবাহ, শিক্ষা বঞ্চিত ও ভগ্ন স্বাস্থ্যের মতো বিষয়গুলোর উন্নতি ঘটেছে। তবে বিশ্বের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ শিশুদের জন্য এটা খুব দ্রুত ঘটছে না।’


প্রতিবেদনটিতে শিশুদের জন্য সবচেয়ে বেশি ও সবচেয়ে কম ঝুঁকির ১৭৫টি দেশের সূচক দেখানো হয়েছে।
এ সূচকে যৌথভাবে প্রথমস্থানে রয়েছে সিঙ্গাপুর, স্লোভেরিয়া। অন্যদিকে দ্বিতীয় ও তৃতীয়স্থানে রয়েছে নরওয়ে ও সুইডেন। এই তালিকায় একেবারে তলানিতে আছে আফ্রিকা ও নাইজার।

 

এই প্রতিবেদনে আরেকটি বিষয় বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও চীনের মতো দেশগুলো অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিকভাবে ক্ষমতাধর হওয়া সত্ত্বেও শিশুদের নিরাপদ জীবনের সুযোগে তারা যথেষ্ট পিছিয়ে রয়েছে।

 

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকার ২০৩০ সাল নাগাদ শিশুদের শিক্ষা, সুরক্ষা, সুসাস্থ্য নিশ্চিতে জাতিসংঘের কাছে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল তা পূরণ করতে অবিলম্বে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।