ঢাকা, বৃহস্পতিবার ০৯, জুলাই ২০২৬ ১৫:১৪:৩২ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার ৭০ বছর পর ব্রিটিশ নারীর সাজা পরিবর্তন এক দশকে ১৫শ নরমাল ডেলিভারি করিয়েছেন লিলি শিক্ষক পদে ৪৬ হাজার পরীক্ষার্থীর ফল পুনরায় প্রকাশের নির্দেশ আজ চিরনিদ্রায় শায়িত হবেন আয়াতুল্লাহ খামেনি সংবিধানে ফিরলো গণভোট ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হচ্ছেন আইরিন খান বান্দরবানে পাহাড়ধস, ঘুমন্ত অবস্থায় শিশুসহ ৫ জনের প্রাণহানি

ভাইরাসরোধে কাশির ব্যাপারে সতর্ক থাকার পরামর্শ 

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১২:৩১ পিএম, ২৭ জানুয়ারি ২০২০ সোমবার

চীনে নতুন যে করোনা ভাইরাসে মানুষ আক্রান্ত হয়েছে সেটি হলে জ্বর, শ্বাসকষ্ট এবং শ্বাসকষ্টের সঙ্গে কাশি হতে পারে। চীন থেকে বাংলাদেশে ভ্রমণকারি বা বাংলাদেশ থেকে চীনে ভ্রমণকারিদের আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি। তাই এই রোগ প্রতিরোধে কাশির শিষ্টাচার মানার পরামর্শ দিয়েছে আইইডিসডিআর। এইসঙ্গে  ভ্রমণে সতর্কতা জারি করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক ডা. সানিয়া তাহমিনা বলেন, যেহেতু ভাইরাসটি সম্পূর্ণ নতুন একটি ভাইরাস এবং এর ভয়াবহতা ও বিস্তার সম্পর্কে সম্পূর্ণভাবে জানা এখনো সম্ভব হয় নাই। তাই ভ্রমনকালীন বিশেষ করে চীন থেকে বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ হতে চীনে ভ্রমণকারীরা সম্ভাব্য ঝুঁকি থেকে মুক্ত থাকার জন্য স্বাভাবিক শ্বাসতন্ত্রের প্রতিরোধ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

প্রতিরোধ ব্যবস্থাগুলোর মধ্যে রয়েছে, আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে কমপক্ষে দুই হাত দূরে থাকতে হবে। বার বার প্রয়োজন মত সাবান পানি দিয়ে হাত ধুয়ে ফেলতে হবে, বিশেষ করে আক্রান্ত ব্যক্তি সংস্পর্শে আসলে কিংবা সংক্রমণ স্থলে ভ্রমণ করলে। জীবিত অথবা মৃত গৃহপালিত/বন্য প্রাণী থেকে দূরে থাকতে হবে।

তিনি জানান, ভ্রমণকারীরা আক্রান্ত হলে কাশি শিষ্টাচার অনুশীলন করতে হবে (আক্রান্ত ব্যক্তি হতে দূরত্ব বজায় রাখা, হাঁচি- কাশির সময়
মুখ ঢেকে রাখা, হাত ধোয়া, যেখানে সেখানে কফ কাশি না ফেলা )।

করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে বাংলাদেশ সরকার ইতিমধ্যে বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এরমধ্যে রয়েছে, দেশের বিভিন্ন স্থল/নৌ বিমান বন্দরসমূহে ইমিগ্রেশন ও আইএইচআর স্বাস্থ্য ডেস্কসমূহে সতর্কতা ও রোগের সার্ভেল্যান্স জোরদার করা, হযরত শাহজালাল বিমান বন্দরসহ দেশের বিভিন্ন প্রবেশ পথ সমুহে নতুন করোনা ভাইরাস স্ক্রিনিং কার্যক্রম গ্রহণ, নতুন ভাইরাস সম্পর্কে ডাক্তার ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ট্রেনিং প্রদান, ভাইরাস সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য ও প্রতিরোধের জন্য রোগ প্রতিরোধ সংক্রান্ত প্রচার কার্যক্রম গ্রহন, হযরত শাহজালাল বিমান বন্দরসহ দেশের সাতটি প্রবেশ পথে ডিজিটাল থার্মাল স্ক্যানার এর মাধ্যমে আক্রান্ত দেশ থেকে আগত রোগীদের স্পর্শ না করে পর্যবেক্ষণ কার্যক্রম গ্রহণ, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ড, নভেল করোনা ভাইরাস রোগীদের জন্য রেফারেল হাসপাতাল হিসেবে নির্দিষ্ট রাখা, চিকিৎসা কাজে স্বাস্থ্যকর্মীদের ব্যবহারের জন্য পর্যাপ্ত পরিমান রোগ প্রতিরোধী পোষাক মজুদ রাখা, হযরত শাহজালাল বিমান বন্দরসহ কোয়ারেন্টাইন ওয়ার্ড প্রস্তত রাখা, বিমানের ভিতরের আক্রান্ত রোগীদের দ্রুত সনাক্তকরণের জন্য বিমানের ক্রুদের মাধ্যমে যাত্রীদের মধ্যে হেলথ্ ডিকলারেশন ফর্ম ও প্যাসেনজার লোকেটের ফর্ম বিতরণ, ঝুাঁকি সম্পর্কে ধারনা ও জনসচেতনতা সৃষ্টির জন্য ভাইরাস প্রতিরোধ সংত্রান্ত গাইডলাইন প্রচার করা হয়েছে এবং দ্রুত যোগাযোগের জন্য সিডিসি এবং আইইডিসিআর এ মোট ৪ টি হটলাইন প্রস্তত রাখা হয়েছে।

একইসঙ্গে কোয়ারেন্টাইন এবং রোগীর স্ক্রিনিং ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।