ঢাকা, রবিবার ০৬, সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৪:৫০:০৯ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
মিশরে মাদক মামলায় টিভি উপস্থাপিকাসহ ১২ জনের মৃত্যুদণ্ড দেশের বাজারে কমল সোনার দাম ঢাকায় জানালা দিয়ে হঠাৎ গুলি এসে লাগে গৃহবধুর শরীরে ভারতে মুসলিম দুই নারী সাংবাদিককে বেধড়ক পেটালো পুলিশ ইন্দোনেশিয়ায় বিনামূল্যের স্কুলের খাবার খেয়ে অসুস্থ প্রায় ২ হাজার গাজীপুরে সিএনজি-কাভার্ডভ্যানের সংঘর্ষে নারীসহ ৩ জনের প্রাণহানী

ভারতে মুসলিম দুই নারী সাংবাদিককে বেধড়ক পেটালো পুলিশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১০:৫৭ এএম, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ রবিবার

ভুক্তভোগী নারী সাংবাদিক পুলিশ কর্মকর্তার সামনেই ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরেন। 

ভুক্তভোগী নারী সাংবাদিক পুলিশ কর্মকর্তার সামনেই ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরেন। 

ভারতে মুসলিম পরিচয় জানার পর দুই নারী সাংবাদিককে বেধড়ক পেটানোর অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। তারা দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের একটি অনুষ্ঠান কাভার করতে গিয়েছিলেন।

গত বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সাকেত থানা থেকে ধারণ করা এক ভিডিওতে দেখা যায়, মারধরের শিকার সাংবাদিক অভিযোগ করছেন–মুসলিম পরিচয় জানার পর তাদেরকে মারধর করেছে পুলিশ।

ভারতের সংবাদমাধ্যম ও আন্তর্জাতিক বেশ কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে এ বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী দুই সাংবাদিক হলেন–শাহীন খান ও তার সহকর্মী নাফিসা খান। তারা ফোর পিএম নিউজ নেটওয়ার্ক নামে একটি ডিজিটাল সংবাদমাধ্যমে কর্মরত।

ভিডিওতে মারধরের শিকার সাংবাদিক  শাহীন অভিযোগ করেন, মুখ্যমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে প্রশ্ন করার অপরাধে তাদেরকে টেনে-হিঁচড়ে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। পরে মুসলিম পরিচয় জানার পর আরও ব্যাপক মারধর করা হয়।

ভিডিওতে দেখা যায়, পুলিশ কর্মকর্তার দিকে তাকিয়ে শাহীন বলছেন, আমাদের নির্যাতন করার পর তারা নাম জানতে চান। আমার নাম শাহীন খান জানার পর দিল্লি পুলিশের কর্মকর্তারা নির্যাতন চালায়। লাঠি দিয়ে পেটায় এবং চড়-থাপ্পড় মারে।

শাহীন খান বলেন, আজ মুসলিম পরিচয়ের কারণে আমাদের ওপর যে ধরনের ঘৃণা বর্ষণ করা হয়েছে, দিল্লি পুলিশকে এর জবাব দিতেই হবে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, সাংবাদিক শাহীন খান শরীরে আঘাতের চিহ্ন। তিনি ব্যথায় হাঁটতে পারছিলেন না, অন্যরা তাকে ধরে নিয়ে যাচ্ছেন।

এদিকে ঘটনাটি ছড়িয়ে পড়ার পর সাংবাদিক ও বিভিন্ন সংগঠন প্রতিবাদ জানাচ্ছে। দোষী পুলিশ কর্মকর্তাদের শাস্তি এবং নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।