ঢাকা, মঙ্গলবার ৩০, জুন ২০২৬ ১২:৪৭:২৩ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
টাইব্রেকারে নেদারল্যান্ডসকে বিদায় করে শেষ ষোলোতে মরক্কো টাইব্রেকারে জার্মানিকে বিদায় করে প্যারাগুয়ের ইতিহাস জাপানের স্বপ্ন ভেঙে শেষ ষোলোতে ব্রাজিল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী বরেণ্য চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ারের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

মঙ্গলবারই ব্রিটেনে টিকা, সংক্রমণ রুখতে অনিশ্চিত ফাইজার কর্তা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৩:১৯ পিএম, ৬ ডিসেম্বর ২০২০ রবিবার

ছবি: ইন্টারনেট

ছবি: ইন্টারনেট

আমেরিকার ফাইজার এবং জার্মানির বায়োএনটেক সংস্থা মিলে যে প্রতিষেধক তৈরি করেছে, মঙ্গলবার থেকে ব্রিটেনের হাসপাতালগুলিতে তা পৌঁছে যাবে। অশীতিপর ব্যক্তি, স্বাস্থ্যকর্মী এবং বাড়িতে রোগীদের দেখভাল করেন যাঁরা, শুরুতে তাঁদেরই টিকা দেয়া হবে। তার পর বিভিন্ন প্রান্তের ক্লিনিকগুলিতে প্রতিষেধক বিতরণ করা হবে, যাতে প্রয়োজন বুঝে সাধারণ মানুষের উপর তা প্রয়োগ করা যায়। তবে টিকা দেয়া শুরু হতে চললেও, করোনা সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া রুখতে তাঁদের প্রতিষেধক কতটা কার্যকরী, সে ব্যাপারে নিশ্চিত নন ফাইজারের সিইও অ্যালবার্ট বোরলা।

ব্রিটেনে এখনও পর্যন্ত ১৭ লক্ষ ১০ হাজার ৩৭৯ জন কোভিড-১৯ ভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছেন। করোনার প্রকোপে সেখানে প্রাণ হারিয়েছেন ৬১ হাজার ১১১ জন রোগী। এই মুহূর্তে সেখানে দৈনিক সংক্রমণ  ১৫ হাজারের কোটায় ঘোরাফেরা করছে। এমন পরিস্থিতিতে সামনে থেকে মারণ ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়ছেন যাঁরা, তাঁদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই প্রধান লক্ষ্য ছিল। তাই জরুরি পরিস্থিতিতে ফাইজারের তৈরি প্রতিষেধক ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

জরুরি ভিত্তিতে ফাইজারের প্রতিষেধক প্রয়োগে গত সপ্তাহেই ছাড়পত্র দেয় ব্রিটেনের নিয়ন্ত্রক সংস্থা। ঠিক হয়, ন্যাশনাল হেল্‌থ সার্ভিসের (এনএইচএস) তত্ত্বাবধানে গোটা প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হবে। করোনার প্রতিষেধক নিয়ে গোটা বিশ্বে যখন প্রতিযোগিতা চলছে, সে সময় ব্রিটেনই প্রথম দেশ, যারা জরুরি ভিত্তিতে টিকা দেয়া শুরু করে দিল। প্রথম সপ্তাহেই ব্রিটেনে ৮ লক্ষ ডোজ পৌঁছে যাবে বলে জানা গিয়েছে। বেলজিয়াম থেকে ইতিমধ্যেই প্রতিষেধক আসতেও শুরু করেছে। দেশের বিভিন্ন জায়গায় নিরাপদে সেগুলি মজুত করে রাখা হচ্ছে।

তবে নিরাপদে প্রতিষেধক মজুত রাখায় বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে। কারণ ফাইজারের তৈরি প্রতিষেধকটি -৭০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রায় রাখা প্রয়োজন। সাধারণ যে রেফ্রিজারেটর, তাতে মোটে পাঁচ দিন রাখা যায় ওই প্রতিষেধক। ব্যবহারের কয়েক ঘণ্টা আগে সেগুলি বার করে ডিফ্রস্ট করে নেওয়া প্রয়োজন। ১৪ ডিসেম্বর থেকে সাধারণ মানুষের উপর প্রয়োগের জন্য ক্লিনিকগুলিতে প্রতিষেধক সরবরাহ করা হবে বলে জানা গিয়েছে।

অন্যদিকে, শনিবার থেকে ‘স্পুটনিক-ভি’ প্রতিষেধকের বিতরণ শুরু করছে রাশিয়া। চূড়ান্ত পরীক্ষা শেষ না হলেও, মস্কোর ৭০টি ক্লিনিকে প্রতিষেধক পৌঁছে দেয়ার প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে সেখানে।সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

-জেডসি