ঢাকা, বুধবার ১০, আগস্ট ২০২২ ৮:২৩:০৮ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
বঙ্গমাতা স্বাধীনতা সংগ্রামে বঙ্গবন্ধুকে সহযোগিতা করেছেন করোনায় একজনের মৃত্যু, শনাক্ত ২৩৯ বিপদে সহানুভূতিশীল মনে একে অপরকে সাহায্য করে যেতে হবে মাদারীপুরে নারীর মরদেহ উদ্ধার সারা দেশে বেড়েই চলেছে নিত্যপণ্যের দাম হোসেনি দালান থেকে শুরু হলো তাজিয়া মিছিল আশুরার মহান শিক্ষা আমাদের সবার জীবনে প্রতিফলিত হোক: রাষ্ট্রপতি

মাতৃভাষার শুদ্ধ চর্চা হোক সর্বক্ষণ

অনলাইন ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০২:১০ পিএম, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২২ শনিবার

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

আমরা ভাষা পেলাম ঠিকই, কিন্তু আমরা কি পেরেছি ভাষার সঠিক মর্যাদা দিতে? আমরা কি পেয়েছি আমাদের বাংলা ভাষা ও তার ইতিহাসকে সঠিক মূল্যায়ন করতে? নাহ! আমরা পারিনি। যদি সত্যিই পারতাম ভাষার সঠিক মর্যাদা দিতে তবে বাংলা ভাষা ব্যবহারের এই করুণ অবস্থা হতো না!

এখন বিভিন্ন বিপনীবিতান, দোকান, বাস, গণপরিবহন এমনকি সরকারি প্রতিষ্ঠানে অপব্যবহার ও ভুল বানান লিখে ভাষাকে অপমান করা হচ্ছে। একবারের জন্যও ভাবছি না যে, আমাদের মাতৃভাষা অর্জনের পেছনের আত্মত্যাগের ইতিহাসটি কতো তাৎপর্যপূর্ণ।


 
একজন বাঙালি হিসেবে গর্ববোধ হয় যে, পৃথিবীতে আমরাই একমাত্র জাতি  যারা ভাষার জন্য প্রাণ দিয়েছেন। তবে একজন বাঙালি তরুণ হিসেবে বর্তমান সময়ে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ সর্বত্র বাংলা ভাষার এমব অযাচিত ব্যবহার দেখে আমি লজ্জিত ও শঙ্কিত। বাংলা ভাষাকে এখন গ্রাম্য ও নিচু শ্রেণির মানুষের ভাষা হিসেবে পরিগনিত করা হচ্ছে, ধনীরা তাদের  সন্তানদের ইংলিশ মিডিয়ামে পড়িয়ে গর্ববোধ করে, এবং ইংরেজিতে অনর্গল যে কথা বলছে তাকে আমরা বাহবা দিচ্ছি। আবার আমরা ইংরেজি বা অন্যান্য ভাষায় কথা বলাকে স্মার্টনেস বলি।

শুধু তাই নয়! আমাদের তরুণ সমাজের বাংলা ভাষার প্রতি আগ্রহ খুব কম লক্ষ্য করা যায়। বর্তমানে তরুণদের মাতৃভাষায় সঠিক ব্যবহারের লক্ষ্যে কাজ করতে হবে।

একুশ বাঙালির বীরত্বের প্রতীক, আমাদের চেতনা ও গৌরবের উৎস। বাংলা সাহিত্য, সংস্কৃতি, লোকাচার ও জীবনবোধের স্বাতন্ত্র্য বজায় রাখার জন্য একুশ প্রেরণাই শ্রেষ্ঠ ভূমিকা পালন করতে পারে। একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মর্যাদায় অধিষ্ঠিত হয়েছে, প্রতিটা বাঙালির সঙ্গে বিশ্বের প্রতিটি মানুষ নিজ মাতৃভাষাকে পরম শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছে।

তাই আসুন, আমরা শুদ্ধ বাংলা জানি, শুদ্ধ বাংলার চর্চা করি, শুদ্ধ বাংলায়, শুদ্ধ উচ্চারণে পরিষ্কার কথা বলি। সব কাজে বাংলা ভাষা ব্যবহার করি। সর্বস্তরে বাংলা চালু করার যে কথা বলা হয়, তা শুধু কথার কথা হয়ে থাকবে আর কতোকাল? শহীদের রক্তের বিনিময়ে পাওয়া রাষ্ট্রভাষা বাংলার প্রকৃত মর্যাদা তখনই প্রতিষ্ঠা পাবে, যখন সমাজ ও রাষ্ট্রের সর্বস্তরে এই ভাষা ব্যবহার করা হবে।

শুধু একুশে ফেব্রুয়ারি এলেই আমরা ক্ষণিকের তরে জেগে উঠি। একটু পরেই শহীদদের উৎসর্গের কথা ভুলে যাই! তাই একজন তরুণ হিসেবে আমি মনে করি ভাষার মর্যাদা সব সময়ই দিতে হবে, প্রতিটি ক্ষেত্রে মাতৃভাষার শুদ্ধ চর্চা করতে হবে।

দিপালী চন্দ্র দাস
শিক্ষার্থী,খুলনা।