ঢাকা, শুক্রবার ১০, জুলাই ২০২৬ ২:৪৫:০২ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
ইরানের বিরুদ্ধে কোনো যুদ্ধে অংশ নেবে না ইতালি: মেলোনি শেখ হাসিনাকে ফেরানোর চেষ্টায় কূটনৈতিক ঘাটতি নেই: শামা ওবায়েদ মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার ৭০ বছর পর ব্রিটিশ নারীর সাজা পরিবর্তন শিক্ষক পদে ৪৬ হাজার পরীক্ষার্থীর ফল পুনরায় প্রকাশের নির্দেশ জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হচ্ছেন আইরিন খান বান্দরবানে পাহাড়ধস, ঘুমন্ত অবস্থায় শিশুসহ ৫ জনের প্রাণহানি

মিয়ানমারের অপপ্রচারে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিবাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৫:০২ পিএম, ২৪ নভেম্বর ২০১৯ রবিবার

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে মিয়ানমারের অপপ্রচারের কড়া প্রতিবাদে বাংলাদেশ জানিয়েছে, বাংলাদেশের প্রত্যাবাসন বিলম্বিত করার কোনো আগ্রহ নেই। বরং দ্রুততম সময়ে রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে প্রত্যাবাসন করতে নিঃসন্দেহে বাংলাদেশ আন্তরিক।

আজ রবিবার (২৪ নভেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে রোহিঙ্গা ইস্যুতে সরকারের এই অবস্থানের কথা জানানো হয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মতে, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন বিলম্বিত করতে বাংলাদেশ আগ্রহী নয়। সরকারের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমেই মিয়ানমারের সাথে দ্বিপক্ষীয় চুক্তি অনুযায়ী দ্রুততম সময়ে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের আন্তরিকতার বহিঃপ্রকাশ হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, রাখাইনে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টির বাধ্যবাধকতা এড়াতে মিয়ানমার অব্যাহতভাবে অসত্য তথ্য, ঘটনার ভুল ব্যাখ্যা, ভিত্তিহীন দাবি ও অনাকাঙ্খিত অভিযোগের মাধ্যমে বাংলাদেশের ওপর সঙ্কটের দায় চাপাতে চাচ্ছে।

বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বলা হয়, অতীতে হতাশাব্যঞ্জক অভিজ্ঞতা এবং আরও বড় চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশ ফের মিয়ানমারের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে জড়িত হয়েছে, প্রত্যাবাসনের সময় দু’টি অধ্যায় শেষ করেছে। দ্বিপক্ষীয় উপকরণ অনুসারে রাখাইনে স্বাভাবিকতা ফিরিয়ে আনা, সুরক্ষা, নাগরিকত্ব, চলাফেরার স্বাধীনতা, মৌলিক সেবা ও জীবিকা নির্বাহসহ মূল কারণগুলির মোকাবিলায় রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন ও পুনরায় শুরু করতে অনুকূল পরিবেশ তৈরি করায় মিয়ানমারের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। রোহিঙ্গারা তাদের উৎস স্থান বা তাদের পছন্দের যেকোনো নিকটতম জায়গায় ফিরে যাক। তদুপরি, বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের যথাযথ পদ্ধতিতে স্বেচ্ছায় ফিরে যেতে উৎসাহিত করার সম্পূর্ণ দায়িত্ব মিয়ানমারের।

সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় পরামর্শকের মুখপাত্র রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরুর ব্যর্থতার জন্য অন্যায়ভাবে বাংলাদেশের অসহযোগিতাকে দায়ী করেছে। এমনকি আন্তর্জাতিক আদালতসমূহে রোহিঙ্গাদের ওপর নৃশংসতার জন্য দায়ীদের জবাবদিহিতার আওতায় আনার উদ্যোগের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি বিষোদগার করেছে মিয়ানমার।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রোহিঙ্গাদের ওপর মিয়ানমারের আগের সরকারগুলো ধারাবাহিকভাবে পরিকল্পিত নৃশংসতা ও বর্বর দমন-পীড়ন চালিয়েছে- এটা প্রতিষ্ঠিত সত্য। মিয়ানমারের বর্তমান সরকারও একই নীতি অনুসরণ করছে। এটাই রোহিঙ্গা সঙ্কট ভয়াবহ রুপ নেয়ার একমাত্র কারণ।

-জেডসি