ঢাকা, শুক্রবার ০৩, জুলাই ২০২৬ ১৬:১৫:২৬ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ২৫৯৫ এফডিসিতে উৎসবমুখর পরিবেশে চলছে শিল্পী সমিতির নির্বাচন নাটকীয় ম্যাচে প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখে শেষ ষোলোতে পর্তুগাল অস্ট্রিয়াকে উড়িয়ে শেষ ষোলোতে স্পেন দেশের বাজারে আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম

মুম্বাইয়ে অর্ধেকের বেশি বস্তিবাসী করোনা আক্রান্ত: জরিপ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৩:৫১ পিএম, ২৯ জুলাই ২০২০ বুধবার

ছবি: ইন্টারনেট

ছবি: ইন্টারনেট

প্রতিবেশি ভারতে ভয়ানক রূপ দেখাতে শুরু করেছে প্রাণঘাতি অনুজীব কোভিড ১৯। আক্রান্ত ও আর মৃত্যুর রেকর্ডের ভীড়ে জরিপে মাথা ঘুরিয়ে দেয়ার মতো তথ্য উঠে এসেছে। মিউনিসিপ্যালিটি, সরকারি থিংকট্যাংক নীতি আয়োগ এবং টাটা ইনস্টিটিউট অব ফান্ডামেন্টাল রিসার্চের সম্মিলিত জরিপে দেখা গেছে, ভারতের বাণিজ্যিক রাজধানী মুম্বাইয়ে তিনটি বস্তি এলাকায় বসবাসকারীদের অর্ধেকেরও বেশি মানুষ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত। একই এলাকায় বস্তির বাইরে বসবাস করেন এমন মানুষের মধ্যে এই সংক্রমণের হার শতকরা মাত্র ১৬ ভাগ।

জুলাইয়ের শুরুর দিকে ঘনবসতিপূর্ণ তিনটি এলাকায় প্রায় সাত হাজার মানুষের ওপর পরীক্ষা চালিয়ে এসব ফল পাওয়া গেছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এনিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে , যেখানে বলা হয়, ২৮ শে জুলাই পর্যন্ত মুম্বাইয়ে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন কমপক্ষে এক লাখ ১০ হাজার মানুষ। মারা গেছেন ৬১৮৭ জন। জরিপে দেখা গেছে ছেমবুর, মাতুঙ্গা এবং দাহিসার বস্তি এলাকায় শতকরা ৫৭ ভাগ মানুষ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত।

মুম্বাইয়ের পশ্চিম, পূর্ব ও মধ্যাঞ্চলে অবস্থিত এই তিনটি এলাকায় বসবাস করেন প্রায় ১৫ লাখ মানুষ। জরিপের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞানীরা বিবিসিকে বলেছেন, ভারতের সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত এলাকায় কি পরিমাণ মানুষ করোনার মুখে এই জরিপ তাই বলে দিচ্ছে। বস্তি এলাকায় আগে যে হারে মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন বলে মনে করা হয়েছিল, এই জরিপ দেখিয়ে দিয়েছে তার চেয়ে অনেক দ্রুততার সঙ্গে বিস্তার ঘটছে করোনার।

মুম্বাইয়ের বস্তিগুলোতে বসবাস করেন এই শহরের এক কোটি ২৫ লাখ মানুষের অর্ধেকেরও বেশি। এসব বস্তিতে উচ্চহারে করোনা সংক্রমণের কারণ হতে পারে টয়লেট শেয়ার করা। কারণ, বস্তিতে একই টয়লেট ব্যবহার করেন বিপুল সংখ্যক মানুষ। টাটা ইনস্টিটিউট অব ফান্ডামেন্টাল রিসার্সের ড. সন্দ্বীপ জুনেজা বলেছেন, এই জরিপের ফল বলে দিচ্ছে করোনা সংক্রমণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে মানুষের গাদাগাদি করে অবস্থান। এতে আরো দেখা গেছে, আক্রান্তদের বড় একটি অংশ কোনো লক্ষণ না দেখিয়েই আক্রান্ত হচ্ছেন এবং সুস্থ হয়ে যাচ্ছেন। এর ফলে সেখানে মৃত্যুর হার কম। সেখানে মৃত্যুর হার হাজারে একজন বা দু’হাজারে একজন। শহরে করোনায় মৃত্যুহারের চেয়ে এই হার অনেক কম। অনেক নারী বস্তি থেকে অথবা বস্তির বাইরে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

টাটা ইনস্টিটিউট অব ফান্ডামেন্টাল রিসার্সের ড. উল্লাস এস কোলঠুর বলেন, এটা খুব আগ্রহোদ্দীপক ব্যাপার। এর কারণ জানি না আমরা। এর কারণ হতে পারে সামাজিক আচরণ থেকে শারীরিক দূরত্বের সঙ্গে জড়িত বিষয়। মুম্বাইয়ে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা কমে আসার প্রেক্ষাপটে এই জরিপ নতুন প্রশ্ন তুলেছে, মুম্বাইয়ে কি করোনা সংক্রমণে ইমিউনিটির দিকে অগ্রসর হচ্ছে। মঙ্গলবার সেখানে করোনায় নতুন আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৭১৭। তিন মাসের মধ্যে এটাই সেখানে সবচেয়ে কম সংখ্যক সংক্রমণ। সংক্রমণ বেড়েছে নাকি কমেছে তা বোঝার জন্য আগস্টে ওই তিনটি বস্তি এলাকায় আবার জরিপ করা হবে।

-জেডসি