ঢাকা, মঙ্গলবার ০৩, নভেম্বর ২০২৬ ৫:৩৯:৫৯ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
বুলগেরিয়ার প্রথম নির্বাচিত নারী প্রেসিডেন্ট হচ্ছেন ইলিয়ানা মিষ্টির আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত এলিজা জামান গাজীপুরে আজও শ্রমিকদের বিক্ষোভ-অবরোধ, যানবাহন ভাঙচুর অভাব-অনটন জয় করে যমজ দুই বোন পেলেন জিপিএ-৫ চার মাসে রপ্তানি আয় ছাড়াল ১৭ বিলিয়ন ডলার প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে ‌‘মুরাসু’, সর্বশেষ যা জানা গেল টানা ৪ দিন গ্যাস সংকটে ভুগবে ঢাকাসহ সারাদেশ ট্রাম্পের প্রাসাদ থেকে অল্প দূরে বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৯

মেয়েকে বিয়ে করলেই ২৭ লাখ টাকা

অনলাইন ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৩:১৬ পিএম, ৮ মার্চ ২০১৯ শুক্রবার

ছবি: ইন্টারনেট

ছবি: ইন্টারনেট

মেয়েকে ভালো পাত্রের হাতে তুলে দিতে চান সব বাবাই। মেয়ে জামাইকে সাধ্যমত উপঢৌকন দিতেও কার্পণ্য করেন না তারা। তাই বলে ভালো পাত্র পেতে বিশাল অঙ্কের নগদ অর্থ উপহার দেয়ার ঘোষণা দেন কোন বাবা! এমনটাই করেছেন থাইল্যান্ডের আরনন রদথং।

তিনি ঘোষণা দিয়েছেন, তার ২৬ বছর বয়সী মেয়েকে যে ছেলে বিয়ে করবে, তাকে তিনি ১০ লাখ থাই বাথ দেবেন। বাংলাদেশি টাকায় যার পরিমাণ প্রায় ২৭ লাখ টাকা।

থাইল্যান্ডের নাগরিক আরনন রদথং ৫৮ বছর বয়সী একজন কোটিপতি। মূল্যবান দুরিয়ান ফলের একটি ফার্মের মালিক তিনি। দক্ষিণাঞ্চলীয় থাইল্যান্ডের চুমফন প্রদেশে তার ফলের বাগানটি অবস্থিত।

মেয়েকে বিয়ে করতে রাজী হওয়া ছেলের জন্য আরনন রদথং অবশ্য বিশেষ কোনো যোগ্যতার কথা বলেননি। তিনি বলেছেন, যে ছেলে তার মেয়েকে বিয়ে করতে চাইবে তার বড় কোনো ডিগ্রি না থাকলেও চলবে। তবে কঠোর পরিশ্রমী হতে হবে। আর তার মেয়েকে সুখে রাখতে হবে।

ছেলে সন্তানসহ রদথংয়ের আরো কয়েকজন সন্তান আছে। কিন্তু তিনি বলেছেন, তার সব সম্পদ কেবল কার্নসিতার ভবিষ্যত স্বামীকেই দেবেন। রথদং তার মেয়ের ভবিষ্যত জামাইকে সুবিশাল দুরিয়ান ফলের বাগানের মালিকানাও লিখে দেবেন। তার ফলের বাগানটি থাইল্যান্ডের ওই অঞ্চলের মধ্যে সবচেয়ে বড় এবং এর বাজার মূল্য কয়েক মিলিয়ন ব্রিটিশ পাউন্ড।

থাইল্যান্ডের বেশ কিছু এলাকার ঐতিহ্যই এমন যে, বিয়ের সময় বরপক্ষ কনেপক্ষকে সাধ্যমত যৌতুক দিয়ে থাকে।

রদথং বলেন, তিনি এ প্রথা ভাঙতে ইচ্ছুক। তিনি বলেন, আমি চাই কেউ কঠোর পরিশ্রম করে আমার ব্যবসার হাল ধরুক এবং এটাকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাক। যে ছেলে আমার মেয়েকে বিয়ে করতে চাইবে, তার বড় কোনো ডিগ্রি থাকার দরকার নেই। কেবল পরিশ্রমী হলেই চলবে।

২৬ বছর বয়সী ওই মেয়ের নাম কার্নসিতা। তিনি ব্যবসা সামলাতে বাবাকে সাহায্য করেন। কার্নসিতা ইংরেজি ও চীনা ভাষায় অনর্গল কখা বলতে পারেন। তিনি একজন কুমারী এবং তার কখনোই বয়ফ্রেন্ড বা প্রেমিক ছিল না।

কার্নসিতা বলছেন, বাবার এ ঘোষণা আমাকে বিস্মিত করেছে। এটা সত্য যে, আমি এখনো সিঙ্গেল। যদি কাউকে বিয়ে করতেই হয়, তবে আমি এমন ছেলেকেই বিয়ে করতে চাইবো- যে হবে খুবই পরিশ্রমী, একজন ভালো মানুষ এবং সর্বোপরি সে নিজের পরিবারকে ভালোবাসবে।সূত্র: ইন্টারনেট

-জেডসি